০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত আর্কটিকের বরফে হারিয়ে যাওয়া জাহাজের রহস্যে নতুন মোড়, ১৮০ বছর পর শনাক্ত তিন নাবিক এআই চিপের জোয়ারে ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে এসকে হাইনিক্স ও মাইক্রন বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও বাড়ছে খাদ্য নিরাপত্তা সংকট ভারতে কমিউনিস্ট রাজনীতির পতন, শেষ দুর্গ হারিয়ে নতুন সংকটে বামপন্থীরা রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টনের বেশি এমওপি সার আমদানি করবে বাংলাদেশ শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত সকাল ৯টায়, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত ঐতিহাসিক ঈদগাহ ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ঈদ প্রস্তুতিতে ভোগান্তি বাড়ছে হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধ যখন যন্ত্রের গতিতে, রাজনীতি কি তখনও মানুষের থাকবে

কুমারখালীতে গভীর রাতে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ

এই অগ্নিকাণ্ডে একটি ফার্নিচার দোকান, একটি কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকান এবং একটি পল্লি চিকিৎসকের দোকান পুড়ে প্রায় ২৫-৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।

কুমারখালীতে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল তিন দোকান

সূত্রপাত ও সম্ভাব্য কারণ

প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ফার্নিচারের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত আগুন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল খালেকের ছেলে জাকির হোসেন, যিনি কাঠ ও ফার্নিচারের ব্যবসায়ী। ফজলু শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ, যিনি কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিনের ব্যবসা করেন। এছাড়া আলতাফ হোসেনের ছেলে শরিফ উদ্দিনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনটি দোকানে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা চিৎকার করে ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে ফোন করে সহায়তা চাইলে, ফায়ার সার্ভিসের দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালানোর পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে তিনটি দোকান এবং সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বাসিন্দাদের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দা বাপ্পী হোসেন বলেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুন দেখতে সবাই ছুটে আসে এবং নেভানোর চেষ্টা করে। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত জাকির হোসেনের ভাই লালন হোসেন জানান, দোকানে কাঠ, ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতিসহ প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকার মালামাল ছিল। আগুনে সব পুড়ে গেছে। তিনটি দোকানে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫-৩০ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনের সঠিক সূত্রপাত এখনও জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের বক্তব্য

কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার আলী হোসেন ফোনে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে দেখা যায় আগুন দাউদাউ করছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলেও তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

বীর‌দের এক বা‌হিনী ফায়ার সার্ভিস

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত

কুমারখালীতে গভীর রাতে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই

১১:৪১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ

এই অগ্নিকাণ্ডে একটি ফার্নিচার দোকান, একটি কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকান এবং একটি পল্লি চিকিৎসকের দোকান পুড়ে প্রায় ২৫-৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।

কুমারখালীতে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল তিন দোকান

সূত্রপাত ও সম্ভাব্য কারণ

প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ফার্নিচারের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত আগুন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল খালেকের ছেলে জাকির হোসেন, যিনি কাঠ ও ফার্নিচারের ব্যবসায়ী। ফজলু শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ, যিনি কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিনের ব্যবসা করেন। এছাড়া আলতাফ হোসেনের ছেলে শরিফ উদ্দিনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনটি দোকানে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা চিৎকার করে ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে ফোন করে সহায়তা চাইলে, ফায়ার সার্ভিসের দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালানোর পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে তিনটি দোকান এবং সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বাসিন্দাদের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দা বাপ্পী হোসেন বলেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুন দেখতে সবাই ছুটে আসে এবং নেভানোর চেষ্টা করে। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত জাকির হোসেনের ভাই লালন হোসেন জানান, দোকানে কাঠ, ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতিসহ প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকার মালামাল ছিল। আগুনে সব পুড়ে গেছে। তিনটি দোকানে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫-৩০ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনের সঠিক সূত্রপাত এখনও জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের বক্তব্য

কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার আলী হোসেন ফোনে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে দেখা যায় আগুন দাউদাউ করছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলেও তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

বীর‌দের এক বা‌হিনী ফায়ার সার্ভিস