০১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
খুলনার বাইটুন নূর শপিং কমপ্লেক্সে আগুনে পাঁচ দোকানের সম্পদ ধ্বংস ঢাকায় বাতাস ‘অত্যন্ত দূষিত’, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে রাশিয়ার রণনীতি ব্যর্থতার দাম গুণছে ইউক্রেন যুদ্ধ চীনের অস্ত্র-নিয়ন্ত্রণ সংঘে যোগদানের পথে: ৩০ বছরের ওয়াসেনার ব্যবস্থা কি চীনকে স্বাগত জানাবে? শৈত্যপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্র উত্তরপূর্বাঞ্চল থমকে গেছে তুষারঝড়ে: স্কুল বন্ধ, বিমান চলাচল স্থগিত মেক্সিকোতে কার্টেল নেতা নিহত: রোমান্টিক জালেই ধরা পড়ল ‘এল মেনচো’ ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন ধাক্কা: পিটার ম্যান্ডেলসন গ্রেফতার হলিউডে রবার্ট রেইনার হত্যা মামলায় নিক রেইনারের আদালতে ‘অভিযোগ অস্বীকার’ ট্রাম্পের গোপন নথি মামলা: বিচারক স্থায়ীভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ বন্ধ করলেন নয় সচিবের চুক্তি হঠাৎ বাতিল, প্রশাসনে সরগরম

বান্দরবানে সেনা অভিযানে জেএসএস সদস্য গ্রেপ্তার, বিপুল অস্ত্র উদ্ধার

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় সশস্ত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে মুরং বাজার এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিকেল প্রায় পাঁচটার দিকে সেনা টহল দল এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় তারা সশস্ত্র পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সদস্যদের অবৈধ চাঁদা সংগ্রহের সময় শনাক্ত করে। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সংগঠনের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করে এবং টহল দলের ওপর গুলি ছোড়ে।

Army officer among 4 dead in Bandarban gunfight | The Business Standard

পাল্টা গুলিতে ধাওয়া

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাসদস্যরা পাল্টা গুলি চালিয়ে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া খেয়ে হামলাকারীরা একটি বিদ্যালয় ভবনে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করে পরে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার

পরবর্তী তল্লাশিতে সেনাবাহিনী গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইউনিফর্ম পরিহিত এক সশস্ত্র সদস্যকে উদ্ধার করে। তার নাম হ্লামাংনু মারমা। পরে পুলিশের সহায়তায় তাকে দ্রুত বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

9 more alleged 'KNF operatives' arrested with arms in Bandarban | The Business Standard

যা যা উদ্ধার

অভিযানস্থল থেকে একটি সাবমেশিন গান, ১৪৩ রাউন্ড এসএমজি গুলি, ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, পাঁচ রাউন্ড ব্ল্যাংক গুলি, দুটি অস্ত্রের ম্যাগাজিনসহ অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর অবস্থান

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনার বাইটুন নূর শপিং কমপ্লেক্সে আগুনে পাঁচ দোকানের সম্পদ ধ্বংস

বান্দরবানে সেনা অভিযানে জেএসএস সদস্য গ্রেপ্তার, বিপুল অস্ত্র উদ্ধার

১১:১৩:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় সশস্ত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে মুরং বাজার এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিকেল প্রায় পাঁচটার দিকে সেনা টহল দল এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় তারা সশস্ত্র পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সদস্যদের অবৈধ চাঁদা সংগ্রহের সময় শনাক্ত করে। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সংগঠনের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করে এবং টহল দলের ওপর গুলি ছোড়ে।

Army officer among 4 dead in Bandarban gunfight | The Business Standard

পাল্টা গুলিতে ধাওয়া

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাসদস্যরা পাল্টা গুলি চালিয়ে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া খেয়ে হামলাকারীরা একটি বিদ্যালয় ভবনে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করে পরে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার

পরবর্তী তল্লাশিতে সেনাবাহিনী গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইউনিফর্ম পরিহিত এক সশস্ত্র সদস্যকে উদ্ধার করে। তার নাম হ্লামাংনু মারমা। পরে পুলিশের সহায়তায় তাকে দ্রুত বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

9 more alleged 'KNF operatives' arrested with arms in Bandarban | The Business Standard

যা যা উদ্ধার

অভিযানস্থল থেকে একটি সাবমেশিন গান, ১৪৩ রাউন্ড এসএমজি গুলি, ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, পাঁচ রাউন্ড ব্ল্যাংক গুলি, দুটি অস্ত্রের ম্যাগাজিনসহ অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর অবস্থান

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।