১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি চার প্রদেশ নিয়েই অখণ্ড থাকবে পাকিস্তান, নতুন প্রদেশের প্রস্তাব নাকচ সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রীর নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান আমেরিকা কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? কারখানার মেঝেতেই জাপানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আসল লড়াই ২৫ বছরেই শেষ ৫ লাখ ডলারের ক্যারিয়ার, ই-স্পোর্টসে বাড়ছে চোটের ভয়াবহতা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ার দিকে কানাডার নতুন বাণিজ্যযাত্রা

হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

দেশে হাম পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫৫ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মৃতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হামজনিত বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি নয়জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তিনটি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।

নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর হিসাব

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ সতর্কবার্তা!

এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিতভাবে মারা গেছে ৮৮ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬৭ জনে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, আক্রান্ত শিশুদের অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেই জটিল অবস্থায় পৌঁছে যাচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৮৩ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা এখন ৬৬ হাজার ২৩ জন।

এ ছাড়া একই সময়ে ৫৩ জনের শরীরে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ হাজার ৭৭২ জন।

হাসপাতালে চাপ এখনো বেশি

১৫ মার্চের পর থেকে মোট ৫২ হাজার ৫৩০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৮ হাজার ৮০০ জন।

হাম ও হামের উপসর্গে একদিনে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে টিকা না নেওয়ার প্রবণতা এবং দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়াই পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আক্রান্তের হার বেশি দেখা যাচ্ছে।

টিকাদান কর্মসূচিতে জোর

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার দেশজুড়ে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা বিভিন্ন জেলার উপজেলাগুলোতেও বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম চলছে। স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, টিকাগ্রহণকারীদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণ কমে আসবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে নতুন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি

হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

০৩:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

দেশে হাম পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫৫ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মৃতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হামজনিত বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি নয়জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তিনটি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।

নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর হিসাব

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ সতর্কবার্তা!

এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিতভাবে মারা গেছে ৮৮ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬৭ জনে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, আক্রান্ত শিশুদের অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেই জটিল অবস্থায় পৌঁছে যাচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৮৩ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা এখন ৬৬ হাজার ২৩ জন।

এ ছাড়া একই সময়ে ৫৩ জনের শরীরে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ হাজার ৭৭২ জন।

হাসপাতালে চাপ এখনো বেশি

১৫ মার্চের পর থেকে মোট ৫২ হাজার ৫৩০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৮ হাজার ৮০০ জন।

হাম ও হামের উপসর্গে একদিনে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে টিকা না নেওয়ার প্রবণতা এবং দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়াই পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আক্রান্তের হার বেশি দেখা যাচ্ছে।

টিকাদান কর্মসূচিতে জোর

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার দেশজুড়ে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা বিভিন্ন জেলার উপজেলাগুলোতেও বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম চলছে। স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, টিকাগ্রহণকারীদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণ কমে আসবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে নতুন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।