০৫:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা, ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা এইচএসসি আন্দোলন: সড়ক অবরোধ নয়, সংলাপেই সমাধানের আহ্বান ছাত্রদলের হরমুজ প্রণালিতে নতুন উত্তেজনা, ইরানে টানা মার্কিন হামলা, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তেলবাহী জাহাজ, বাড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের শঙ্কা মেসি বিশ্বকাপে এই প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলছেন পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিতে ঘরের ছাদ ধসে নিহত ১১, অধিকাংশই নারী ও শিশু অনিশ্চিত ইন্দো-প্যাসিফিকে ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির নতুন পরীক্ষা রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে কেজিতে ১৮৫ টাকা, বেড়েছে ডিম ও হাঁসের দাম প্যাটাগোনিয়ায় ২৬ মিটার উঁচু মেসির ভাস্কর্য ভাইরাল, বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্মারক এখন উৎসবের কেন্দ্র আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড: ফুটবলের সীমানা ছাড়িয়ে ইতিহাস, স্মৃতি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার দীর্ঘ যাত্রা জাপান থেকেই রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্রে প্রযুক্তির জোগান? নতুন প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর দাবি

হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

দেশে হাম পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫৫ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মৃতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হামজনিত বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি নয়জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তিনটি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।

নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর হিসাব

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ সতর্কবার্তা!

এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিতভাবে মারা গেছে ৮৮ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬৭ জনে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, আক্রান্ত শিশুদের অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেই জটিল অবস্থায় পৌঁছে যাচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৮৩ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা এখন ৬৬ হাজার ২৩ জন।

এ ছাড়া একই সময়ে ৫৩ জনের শরীরে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ হাজার ৭৭২ জন।

হাসপাতালে চাপ এখনো বেশি

১৫ মার্চের পর থেকে মোট ৫২ হাজার ৫৩০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৮ হাজার ৮০০ জন।

হাম ও হামের উপসর্গে একদিনে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে টিকা না নেওয়ার প্রবণতা এবং দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়াই পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আক্রান্তের হার বেশি দেখা যাচ্ছে।

টিকাদান কর্মসূচিতে জোর

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার দেশজুড়ে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা বিভিন্ন জেলার উপজেলাগুলোতেও বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম চলছে। স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, টিকাগ্রহণকারীদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণ কমে আসবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে নতুন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা, ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা

হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

০৩:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

দেশে হাম পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫৫ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মৃতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হামজনিত বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি নয়জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তিনটি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।

নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর হিসাব

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ সতর্কবার্তা!

এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিতভাবে মারা গেছে ৮৮ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬৭ জনে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, আক্রান্ত শিশুদের অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেই জটিল অবস্থায় পৌঁছে যাচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৮৩ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা এখন ৬৬ হাজার ২৩ জন।

এ ছাড়া একই সময়ে ৫৩ জনের শরীরে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ হাজার ৭৭২ জন।

হাসপাতালে চাপ এখনো বেশি

১৫ মার্চের পর থেকে মোট ৫২ হাজার ৫৩০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৮ হাজার ৮০০ জন।

হাম ও হামের উপসর্গে একদিনে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে টিকা না নেওয়ার প্রবণতা এবং দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়াই পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আক্রান্তের হার বেশি দেখা যাচ্ছে।

টিকাদান কর্মসূচিতে জোর

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার দেশজুড়ে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা বিভিন্ন জেলার উপজেলাগুলোতেও বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম চলছে। স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, টিকাগ্রহণকারীদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণ কমে আসবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে নতুন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।