০২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

নুরজাহান আক্তার রানি চট্টগ্রামের গ্যাস বিস্ফোরণে প্রাণ হারালেন

চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকার হালিমা মনজিলের তৃতীয় তলায় ঘটে যাওয়া গ্যাস বিস্ফোরণে গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন ৪০ বছর বয়সী নুরজাহান আক্তার রানি। সোমবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ও হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

বিস্ফোরণ ও আহতদের অবস্থা

হালিশহরের এই ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায়, এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, রান্নাঘরে সঞ্চিত গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণটি সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় নুরজাহান আক্তার রানি ছাড়াও আরও অনেকে আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আছেন, ৪৬ বছরের শাখাওয়াত হোসেন, ৩০ বছরের মোঃ শিপন, ৪০ বছরের মোঃ সুমন, ১৭ বছরের মোঃ শাওন, ৭ বছরের মোঃ আনাস, ৯ বছরের মোঃ আইমান, ৪ বছরের আয়েশা আক্তার এবং ৩৫ বছরের পাখি আক্তার।

Ctg gas explosion: Woman succumbs to injuries on way to Dhaka

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির সহকারী অধ্যাপক ডঃ শাওন বিন রহমান জানান, রাতে চট্টগ্রাম থেকে মোট নয়জন দগ্ধ রোগী এনেছেন। নুরজাহান আক্তার রানি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। শাখাওয়াত হোসেন ও আশুরা আক্তার পাখির শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। মোঃ শিপনের ৮০ শতাংশ, মোঃ শাওনের ৫০ শতাংশ, মোঃ সামির আহমেদ সুমনের ৪৫ শতাংশ, আয়েশা আক্তারের ৪৫ শতাংশ, উম্মে আইমান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং মোঃ ফারহান আহমেদ আনাসের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের মাত্রার কারণে সকল আহতের অবস্থা গুরুতর।

Gas explosion in Ctg leaves 9 burned

প্রস্তুতি ও চিকিৎসা

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডঃ নাসির উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে রোগী স্থানান্তরের পূর্বেই তাদের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল এবং যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। রোগীরা পৌঁছানোর পর সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা শুরু করা হয়। কয়েকজনকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নেওয়া হয়েছে, আর বাকিদের পর্যবেক্ষণের পর প্রয়োজনে ICU-তে স্থানান্তর করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

নুরজাহান আক্তার রানি চট্টগ্রামের গ্যাস বিস্ফোরণে প্রাণ হারালেন

১১:৩৫:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকার হালিমা মনজিলের তৃতীয় তলায় ঘটে যাওয়া গ্যাস বিস্ফোরণে গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন ৪০ বছর বয়সী নুরজাহান আক্তার রানি। সোমবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ও হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

বিস্ফোরণ ও আহতদের অবস্থা

হালিশহরের এই ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায়, এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, রান্নাঘরে সঞ্চিত গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণটি সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় নুরজাহান আক্তার রানি ছাড়াও আরও অনেকে আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আছেন, ৪৬ বছরের শাখাওয়াত হোসেন, ৩০ বছরের মোঃ শিপন, ৪০ বছরের মোঃ সুমন, ১৭ বছরের মোঃ শাওন, ৭ বছরের মোঃ আনাস, ৯ বছরের মোঃ আইমান, ৪ বছরের আয়েশা আক্তার এবং ৩৫ বছরের পাখি আক্তার।

Ctg gas explosion: Woman succumbs to injuries on way to Dhaka

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির সহকারী অধ্যাপক ডঃ শাওন বিন রহমান জানান, রাতে চট্টগ্রাম থেকে মোট নয়জন দগ্ধ রোগী এনেছেন। নুরজাহান আক্তার রানি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। শাখাওয়াত হোসেন ও আশুরা আক্তার পাখির শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। মোঃ শিপনের ৮০ শতাংশ, মোঃ শাওনের ৫০ শতাংশ, মোঃ সামির আহমেদ সুমনের ৪৫ শতাংশ, আয়েশা আক্তারের ৪৫ শতাংশ, উম্মে আইমান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং মোঃ ফারহান আহমেদ আনাসের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের মাত্রার কারণে সকল আহতের অবস্থা গুরুতর।

Gas explosion in Ctg leaves 9 burned

প্রস্তুতি ও চিকিৎসা

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডঃ নাসির উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে রোগী স্থানান্তরের পূর্বেই তাদের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল এবং যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। রোগীরা পৌঁছানোর পর সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা শুরু করা হয়। কয়েকজনকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নেওয়া হয়েছে, আর বাকিদের পর্যবেক্ষণের পর প্রয়োজনে ICU-তে স্থানান্তর করা হবে।