চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকার হালিমা মনজিলের তৃতীয় তলায় ঘটে যাওয়া গ্যাস বিস্ফোরণে গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন ৪০ বছর বয়সী নুরজাহান আক্তার রানি। সোমবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ও হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
বিস্ফোরণ ও আহতদের অবস্থা
হালিশহরের এই ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায়, এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, রান্নাঘরে সঞ্চিত গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণটি সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় নুরজাহান আক্তার রানি ছাড়াও আরও অনেকে আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আছেন, ৪৬ বছরের শাখাওয়াত হোসেন, ৩০ বছরের মোঃ শিপন, ৪০ বছরের মোঃ সুমন, ১৭ বছরের মোঃ শাওন, ৭ বছরের মোঃ আনাস, ৯ বছরের মোঃ আইমান, ৪ বছরের আয়েশা আক্তার এবং ৩৫ বছরের পাখি আক্তার।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির সহকারী অধ্যাপক ডঃ শাওন বিন রহমান জানান, রাতে চট্টগ্রাম থেকে মোট নয়জন দগ্ধ রোগী এনেছেন। নুরজাহান আক্তার রানি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। শাখাওয়াত হোসেন ও আশুরা আক্তার পাখির শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। মোঃ শিপনের ৮০ শতাংশ, মোঃ শাওনের ৫০ শতাংশ, মোঃ সামির আহমেদ সুমনের ৪৫ শতাংশ, আয়েশা আক্তারের ৪৫ শতাংশ, উম্মে আইমান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং মোঃ ফারহান আহমেদ আনাসের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের মাত্রার কারণে সকল আহতের অবস্থা গুরুতর।
প্রস্তুতি ও চিকিৎসা
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডঃ নাসির উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে রোগী স্থানান্তরের পূর্বেই তাদের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল এবং যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। রোগীরা পৌঁছানোর পর সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা শুরু করা হয়। কয়েকজনকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নেওয়া হয়েছে, আর বাকিদের পর্যবেক্ষণের পর প্রয়োজনে ICU-তে স্থানান্তর করা হবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















