০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ: এক ইঞ্চি এগোনোর লড়াই ক্রামাটর্স্কে যুদ্ধের মাঝেই প্রেমের সাক্ষাৎ — সামনের লাইনের শহরে মিলন ও বিদায়ের গল্প চীনে নীরব সহায়তায় রাশিয়া যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে: ন্যাটো’র তীব্র উদ্বেগ শিন পেনের রাজনৈতিক যাত্রা: এক অভিনয়শিল্পীর কণ্ঠে সত্য এবং সাহস খুলনার বাইটুন নূর শপিং কমপ্লেক্সে আগুনে পাঁচ দোকানের সম্পদ ধ্বংস ঢাকায় বাতাস ‘অত্যন্ত দূষিত’, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে রাশিয়ার রণনীতি ব্যর্থতার দাম গুণছে ইউক্রেন যুদ্ধ চীনের অস্ত্র-নিয়ন্ত্রণ সংঘে যোগদানের পথে: ৩০ বছরের ওয়াসেনার ব্যবস্থা কি চীনকে স্বাগত জানাবে? শৈত্যপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্র উত্তরপূর্বাঞ্চল থমকে গেছে তুষারঝড়ে: স্কুল বন্ধ, বিমান চলাচল স্থগিত মেক্সিকোতে কার্টেল নেতা নিহত: রোমান্টিক জালেই ধরা পড়ল ‘এল মেনচো’

নুরজাহান আক্তার রানি চট্টগ্রামের গ্যাস বিস্ফোরণে প্রাণ হারালেন

চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকার হালিমা মনজিলের তৃতীয় তলায় ঘটে যাওয়া গ্যাস বিস্ফোরণে গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন ৪০ বছর বয়সী নুরজাহান আক্তার রানি। সোমবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ও হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

বিস্ফোরণ ও আহতদের অবস্থা

হালিশহরের এই ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায়, এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, রান্নাঘরে সঞ্চিত গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণটি সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় নুরজাহান আক্তার রানি ছাড়াও আরও অনেকে আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আছেন, ৪৬ বছরের শাখাওয়াত হোসেন, ৩০ বছরের মোঃ শিপন, ৪০ বছরের মোঃ সুমন, ১৭ বছরের মোঃ শাওন, ৭ বছরের মোঃ আনাস, ৯ বছরের মোঃ আইমান, ৪ বছরের আয়েশা আক্তার এবং ৩৫ বছরের পাখি আক্তার।

Ctg gas explosion: Woman succumbs to injuries on way to Dhaka

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির সহকারী অধ্যাপক ডঃ শাওন বিন রহমান জানান, রাতে চট্টগ্রাম থেকে মোট নয়জন দগ্ধ রোগী এনেছেন। নুরজাহান আক্তার রানি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। শাখাওয়াত হোসেন ও আশুরা আক্তার পাখির শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। মোঃ শিপনের ৮০ শতাংশ, মোঃ শাওনের ৫০ শতাংশ, মোঃ সামির আহমেদ সুমনের ৪৫ শতাংশ, আয়েশা আক্তারের ৪৫ শতাংশ, উম্মে আইমান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং মোঃ ফারহান আহমেদ আনাসের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের মাত্রার কারণে সকল আহতের অবস্থা গুরুতর।

Gas explosion in Ctg leaves 9 burned

প্রস্তুতি ও চিকিৎসা

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডঃ নাসির উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে রোগী স্থানান্তরের পূর্বেই তাদের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল এবং যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। রোগীরা পৌঁছানোর পর সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা শুরু করা হয়। কয়েকজনকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নেওয়া হয়েছে, আর বাকিদের পর্যবেক্ষণের পর প্রয়োজনে ICU-তে স্থানান্তর করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ: এক ইঞ্চি এগোনোর লড়াই

নুরজাহান আক্তার রানি চট্টগ্রামের গ্যাস বিস্ফোরণে প্রাণ হারালেন

১১:৩৫:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকার হালিমা মনজিলের তৃতীয় তলায় ঘটে যাওয়া গ্যাস বিস্ফোরণে গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন ৪০ বছর বয়সী নুরজাহান আক্তার রানি। সোমবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ও হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

বিস্ফোরণ ও আহতদের অবস্থা

হালিশহরের এই ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায়, এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, রান্নাঘরে সঞ্চিত গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণটি সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় নুরজাহান আক্তার রানি ছাড়াও আরও অনেকে আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আছেন, ৪৬ বছরের শাখাওয়াত হোসেন, ৩০ বছরের মোঃ শিপন, ৪০ বছরের মোঃ সুমন, ১৭ বছরের মোঃ শাওন, ৭ বছরের মোঃ আনাস, ৯ বছরের মোঃ আইমান, ৪ বছরের আয়েশা আক্তার এবং ৩৫ বছরের পাখি আক্তার।

Ctg gas explosion: Woman succumbs to injuries on way to Dhaka

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির সহকারী অধ্যাপক ডঃ শাওন বিন রহমান জানান, রাতে চট্টগ্রাম থেকে মোট নয়জন দগ্ধ রোগী এনেছেন। নুরজাহান আক্তার রানি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। শাখাওয়াত হোসেন ও আশুরা আক্তার পাখির শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। মোঃ শিপনের ৮০ শতাংশ, মোঃ শাওনের ৫০ শতাংশ, মোঃ সামির আহমেদ সুমনের ৪৫ শতাংশ, আয়েশা আক্তারের ৪৫ শতাংশ, উম্মে আইমান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং মোঃ ফারহান আহমেদ আনাসের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের মাত্রার কারণে সকল আহতের অবস্থা গুরুতর।

Gas explosion in Ctg leaves 9 burned

প্রস্তুতি ও চিকিৎসা

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডঃ নাসির উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে রোগী স্থানান্তরের পূর্বেই তাদের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল এবং যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। রোগীরা পৌঁছানোর পর সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা শুরু করা হয়। কয়েকজনকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নেওয়া হয়েছে, আর বাকিদের পর্যবেক্ষণের পর প্রয়োজনে ICU-তে স্থানান্তর করা হবে।