০৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে শ্রম আইন সংশোধনী বিল পাস, ছাঁটাই ক্ষতিপূরণ ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারে বড় পরিবর্তন চীনকে পাশে সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নজর, ইউরোপীয় কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কে অগ্রাধিকার পেল ইরান বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে বিএনপির বাদশা জয়ী, জামায়াতের কারচুপির অভিযোগ, সংসদে হট্টগোল চীনের বিদেশি রাষ্ট্রীয় সম্পদে কড়া নজরদারি, অস্থির বিশ্বে নতুন তদারকি দপ্তর সাবমেরিন কেবল মেরামতে ৮০ ঘণ্টা ইন্টারনেটে ধীরগতি, ব্যাহত হতে পারে সেবা চীনের ৫০০ টনের ‘ভূগর্ভস্থ বাহক’ এক কিলোমিটার নিচে নেমে আকরিক তুলবে অপরিশোধিত তেল সংকটে দেশের একমাত্র শোধনাগার ইআরএল বন্ধের মুখে মালয়েশিয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পারস্য উপসাগরে বদলে যাওয়া শক্তির সমীকরণ: যুদ্ধবিরতি, নতুন চাপ এবং ইরানের বাড়তি প্রভাব আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুই সাবেক পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

হাইকোর্টে গ্রাম আদালত আইন সংবিধানবিরোধী কিনা যাচাইয়ের রুল

সোমবার হাইকোর্টে একটি রুল জারি করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইন, যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিচারিক ক্ষমতা দেয়, তা অবৈধ ঘোষণা করা যাবে না।

হাইকোর্টের বেন্চে বিচারক আহমেদ সোহেল ও বিচারক ফাতেমা আনোয়ার রুলটি জারি করেন। এটি একটি রিট পিটিশনের শুনানির পর আসে, যেখানে আইনটির সংবিধানগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আদালত আইন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেন।

রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিচারিক ক্ষমতা প্রদান সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের বিরোধী, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। এছাড়া ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পক্ষপাতহীন ও স্বাধীন আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চয়তা পায়।

New Age | Reconstructing judicial independence

পিটিশনের যুক্তি অনুযায়ী গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই, প্রমাণ আইন ১৮৭২ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াগত আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ হয় না এবং আইনজীবীদের অংশগ্রহণ সীমিত। এই পরিস্থিতি বিচারিক স্বাধীনতা ও ন্যায়সঙ্গত বিচার প্রক্রিয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে যে ভৌগলিকভাবে পৃথক এই বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের সমান অধিকার এবং সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত সমান সুরক্ষা হরণের অধিকার লঙ্ঘন করছে। পিটিশনে ৭, ২২, ২৭, ৩১, ৩৩, ৩৫, ১০৯ এবং ১১৬এ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অবৈধ ঘোষণা করার জন্য রুল চাওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে শ্রম আইন সংশোধনী বিল পাস, ছাঁটাই ক্ষতিপূরণ ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারে বড় পরিবর্তন

হাইকোর্টে গ্রাম আদালত আইন সংবিধানবিরোধী কিনা যাচাইয়ের রুল

১১:৩৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সোমবার হাইকোর্টে একটি রুল জারি করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইন, যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিচারিক ক্ষমতা দেয়, তা অবৈধ ঘোষণা করা যাবে না।

হাইকোর্টের বেন্চে বিচারক আহমেদ সোহেল ও বিচারক ফাতেমা আনোয়ার রুলটি জারি করেন। এটি একটি রিট পিটিশনের শুনানির পর আসে, যেখানে আইনটির সংবিধানগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আদালত আইন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেন।

রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিচারিক ক্ষমতা প্রদান সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের বিরোধী, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। এছাড়া ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পক্ষপাতহীন ও স্বাধীন আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চয়তা পায়।

New Age | Reconstructing judicial independence

পিটিশনের যুক্তি অনুযায়ী গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই, প্রমাণ আইন ১৮৭২ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াগত আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ হয় না এবং আইনজীবীদের অংশগ্রহণ সীমিত। এই পরিস্থিতি বিচারিক স্বাধীনতা ও ন্যায়সঙ্গত বিচার প্রক্রিয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে যে ভৌগলিকভাবে পৃথক এই বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের সমান অধিকার এবং সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত সমান সুরক্ষা হরণের অধিকার লঙ্ঘন করছে। পিটিশনে ৭, ২২, ২৭, ৩১, ৩৩, ৩৫, ১০৯ এবং ১১৬এ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অবৈধ ঘোষণা করার জন্য রুল চাওয়া হয়েছে।