০২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
গার্দিওলার বিদায় মঞ্চে মাইকেল জর্ডানের আবেগঘন বার্তা, কেঁদে ফেললেন ম্যানসিটি কোচ চীনের মহাকাশে ইতিহাস, প্রথমবারের মতো হংকংয়ের নারী নভোচারীর যাত্রা আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন এখন বিয়ের খাঁচায় বন্দি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০: স্বপ্নের মেগা প্রকল্পে ধাক্কা, বাস্তবতার মুখে নতুন হিসাব ৪৫০ টাকার বিরোধে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে তরুণ নিহত, রাজশাহীতে চাঞ্চল্য আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন থামিয়ে দিচ্ছে বাল্যবিয়ে, বন্ধ স্কুলে বাড়ছে হতাশা খরার জমিতে কাস্টার্ড আপেলের জয়, কৃষকদের আয়ে খুলছে নতুন সম্ভাবনা আফগানিস্তানে মেয়েদের শিক্ষাবন্দি জীবন, বিয়েই এখন অনেকের একমাত্র ভবিষ্যৎ দিল্লির ঐতিহ্যবাহী জিমখানা ক্লাব বন্ধের শঙ্কা, উত্তাল বিতর্কে ক্ষমতা-ঐতিহ্য-অভিজাত সংস্কৃতি লাওসের গুহায় এক সপ্তাহ ধরে আটকা ৭ গ্রামবাসী, চলছে প্রাণপণ উদ্ধার অভিযান

হাইকোর্টে গ্রাম আদালত আইন সংবিধানবিরোধী কিনা যাচাইয়ের রুল

সোমবার হাইকোর্টে একটি রুল জারি করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইন, যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিচারিক ক্ষমতা দেয়, তা অবৈধ ঘোষণা করা যাবে না।

হাইকোর্টের বেন্চে বিচারক আহমেদ সোহেল ও বিচারক ফাতেমা আনোয়ার রুলটি জারি করেন। এটি একটি রিট পিটিশনের শুনানির পর আসে, যেখানে আইনটির সংবিধানগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আদালত আইন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেন।

রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিচারিক ক্ষমতা প্রদান সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের বিরোধী, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। এছাড়া ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পক্ষপাতহীন ও স্বাধীন আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চয়তা পায়।

New Age | Reconstructing judicial independence

পিটিশনের যুক্তি অনুযায়ী গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই, প্রমাণ আইন ১৮৭২ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াগত আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ হয় না এবং আইনজীবীদের অংশগ্রহণ সীমিত। এই পরিস্থিতি বিচারিক স্বাধীনতা ও ন্যায়সঙ্গত বিচার প্রক্রিয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে যে ভৌগলিকভাবে পৃথক এই বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের সমান অধিকার এবং সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত সমান সুরক্ষা হরণের অধিকার লঙ্ঘন করছে। পিটিশনে ৭, ২২, ২৭, ৩১, ৩৩, ৩৫, ১০৯ এবং ১১৬এ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অবৈধ ঘোষণা করার জন্য রুল চাওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গার্দিওলার বিদায় মঞ্চে মাইকেল জর্ডানের আবেগঘন বার্তা, কেঁদে ফেললেন ম্যানসিটি কোচ

হাইকোর্টে গ্রাম আদালত আইন সংবিধানবিরোধী কিনা যাচাইয়ের রুল

১১:৩৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সোমবার হাইকোর্টে একটি রুল জারি করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইন, যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিচারিক ক্ষমতা দেয়, তা অবৈধ ঘোষণা করা যাবে না।

হাইকোর্টের বেন্চে বিচারক আহমেদ সোহেল ও বিচারক ফাতেমা আনোয়ার রুলটি জারি করেন। এটি একটি রিট পিটিশনের শুনানির পর আসে, যেখানে আইনটির সংবিধানগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আদালত আইন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেন।

রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিচারিক ক্ষমতা প্রদান সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের বিরোধী, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। এছাড়া ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পক্ষপাতহীন ও স্বাধীন আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চয়তা পায়।

New Age | Reconstructing judicial independence

পিটিশনের যুক্তি অনুযায়ী গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই, প্রমাণ আইন ১৮৭২ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াগত আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ হয় না এবং আইনজীবীদের অংশগ্রহণ সীমিত। এই পরিস্থিতি বিচারিক স্বাধীনতা ও ন্যায়সঙ্গত বিচার প্রক্রিয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে যে ভৌগলিকভাবে পৃথক এই বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের সমান অধিকার এবং সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত সমান সুরক্ষা হরণের অধিকার লঙ্ঘন করছে। পিটিশনে ৭, ২২, ২৭, ৩১, ৩৩, ৩৫, ১০৯ এবং ১১৬এ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অবৈধ ঘোষণা করার জন্য রুল চাওয়া হয়েছে।