০৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
মানব উন্নয়নে বিনিয়োগ ছাড়া জনসংখ্যা চ্যালেঞ্জের সমাধান অসম্ভব পাঁচ বছরের শিশুকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ, জীবিত উদ্ধার মা-মেয়ে আর্থিক অনিশ্চয়তায় পিছিয়ে যাচ্ছে বিয়ে-সন্তানের সিদ্ধান্ত, জানালো ইউএনএফপিএ কর্ণফুলীর ঝোপে উদ্ধার ব্রাজিলের ৯ এমএম পিস্তল, ব্যালিস্টিক পরীক্ষায় মিলবে উৎসের তথ্য পাকিস্তান এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সৌর প্যানেল আমদানিকারক, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য বেলুচিস্তানে ‘অপারেশন শাবান’ জোরদার, আরও ৯ জঙ্গি নিহত; ৫ জুলাই থেকে নিহতের সংখ্যা ৮৮ ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা হলে ‘ইরানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করবে যুক্তরাষ্ট্র, কঠোর হুঁশিয়ারি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে পিআইডির অনুরোধ, আদালতের নির্দেশনা মানার আহ্বান কারাগারে মৃত্যুর মিছিল থামছে না, ৬ মাসে ৬১ প্রাণহানির তালিকায় যোগ হলো যুবলীগ নেতা  অ্যান্ডি বার্নহ্যাম  কি ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী? লেবারে বিপুল সমর্থনে এগিয়ে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

হাইকোর্টে গ্রাম আদালত আইন সংবিধানবিরোধী কিনা যাচাইয়ের রুল

সোমবার হাইকোর্টে একটি রুল জারি করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইন, যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিচারিক ক্ষমতা দেয়, তা অবৈধ ঘোষণা করা যাবে না।

হাইকোর্টের বেন্চে বিচারক আহমেদ সোহেল ও বিচারক ফাতেমা আনোয়ার রুলটি জারি করেন। এটি একটি রিট পিটিশনের শুনানির পর আসে, যেখানে আইনটির সংবিধানগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আদালত আইন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেন।

রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিচারিক ক্ষমতা প্রদান সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের বিরোধী, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। এছাড়া ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পক্ষপাতহীন ও স্বাধীন আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চয়তা পায়।

New Age | Reconstructing judicial independence

পিটিশনের যুক্তি অনুযায়ী গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই, প্রমাণ আইন ১৮৭২ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াগত আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ হয় না এবং আইনজীবীদের অংশগ্রহণ সীমিত। এই পরিস্থিতি বিচারিক স্বাধীনতা ও ন্যায়সঙ্গত বিচার প্রক্রিয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে যে ভৌগলিকভাবে পৃথক এই বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের সমান অধিকার এবং সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত সমান সুরক্ষা হরণের অধিকার লঙ্ঘন করছে। পিটিশনে ৭, ২২, ২৭, ৩১, ৩৩, ৩৫, ১০৯ এবং ১১৬এ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অবৈধ ঘোষণা করার জন্য রুল চাওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মানব উন্নয়নে বিনিয়োগ ছাড়া জনসংখ্যা চ্যালেঞ্জের সমাধান অসম্ভব

হাইকোর্টে গ্রাম আদালত আইন সংবিধানবিরোধী কিনা যাচাইয়ের রুল

১১:৩৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সোমবার হাইকোর্টে একটি রুল জারি করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইন, যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিচারিক ক্ষমতা দেয়, তা অবৈধ ঘোষণা করা যাবে না।

হাইকোর্টের বেন্চে বিচারক আহমেদ সোহেল ও বিচারক ফাতেমা আনোয়ার রুলটি জারি করেন। এটি একটি রিট পিটিশনের শুনানির পর আসে, যেখানে আইনটির সংবিধানগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আদালত আইন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেন।

রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিচারিক ক্ষমতা প্রদান সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের বিরোধী, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। এছাড়া ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পক্ষপাতহীন ও স্বাধীন আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চয়তা পায়।

New Age | Reconstructing judicial independence

পিটিশনের যুক্তি অনুযায়ী গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই, প্রমাণ আইন ১৮৭২ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াগত আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ হয় না এবং আইনজীবীদের অংশগ্রহণ সীমিত। এই পরিস্থিতি বিচারিক স্বাধীনতা ও ন্যায়সঙ্গত বিচার প্রক্রিয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে যে ভৌগলিকভাবে পৃথক এই বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের সমান অধিকার এবং সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত সমান সুরক্ষা হরণের অধিকার লঙ্ঘন করছে। পিটিশনে ৭, ২২, ২৭, ৩১, ৩৩, ৩৫, ১০৯ এবং ১১৬এ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অবৈধ ঘোষণা করার জন্য রুল চাওয়া হয়েছে।