০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত আর্কটিকের বরফে হারিয়ে যাওয়া জাহাজের রহস্যে নতুন মোড়, ১৮০ বছর পর শনাক্ত তিন নাবিক এআই চিপের জোয়ারে ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে এসকে হাইনিক্স ও মাইক্রন বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও বাড়ছে খাদ্য নিরাপত্তা সংকট ভারতে কমিউনিস্ট রাজনীতির পতন, শেষ দুর্গ হারিয়ে নতুন সংকটে বামপন্থীরা রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টনের বেশি এমওপি সার আমদানি করবে বাংলাদেশ শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত সকাল ৯টায়, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত ঐতিহাসিক ঈদগাহ ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ঈদ প্রস্তুতিতে ভোগান্তি বাড়ছে হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধ যখন যন্ত্রের গতিতে, রাজনীতি কি তখনও মানুষের থাকবে

এসএসসি পরীক্ষার্থী রাফসানের মর্মান্তিক মৃত্যু: গোপালগঞ্জে ট্রাক–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঝরে গেল স্বপ্ন

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন এক এসএসসি পরীক্ষার্থী। মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের নিশিতলা এলাকায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় নিহত রাফসান মাত্র ষোলো বছরের এক কিশোর। সামনে ছিল পরীক্ষা, ছিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। কিন্তু এক মুহূর্তের সড়ক দুর্ঘটনায় থেমে গেল তার পথচলা।

ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুকসুদপুর সদর এলাকার বাসিন্দা রাফসান পারিবারিক একটি কাজে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ এতটাই তীব্র ছিল যে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন।

আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু রাজধানীর পথে অ্যাম্বুলেন্সেই তার মৃত্যু হয়।

গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত | প্রথম আলো

 

পুলিশ ও পরিবারের বক্তব্য

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন এবং আহতকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে খবর পান। তবে মৃত্যুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ তখনও তাদের কাছে পৌঁছায়নি।

নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবার কী কী সুবিধা পাবে? | The Daily Campus

অন্যদিকে রাফসানের বাবা মো. জাহিদুর রহমান নিশ্চিত করেছেন, ঢাকায় নেওয়ার পথেই তার ছেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। একমাত্র ছেলের এমন করুণ মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

ঢাকা–খুলনা মহাসড়ক দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়কপথ। ভারী যানবাহনের চাপ, বেপরোয়া গতি এবং পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব প্রায়ই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। রাফসানের মৃত্যু আবারও সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি সামনে এনে দিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত

এসএসসি পরীক্ষার্থী রাফসানের মর্মান্তিক মৃত্যু: গোপালগঞ্জে ট্রাক–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঝরে গেল স্বপ্ন

০১:১০:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন এক এসএসসি পরীক্ষার্থী। মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের নিশিতলা এলাকায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় নিহত রাফসান মাত্র ষোলো বছরের এক কিশোর। সামনে ছিল পরীক্ষা, ছিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। কিন্তু এক মুহূর্তের সড়ক দুর্ঘটনায় থেমে গেল তার পথচলা।

ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুকসুদপুর সদর এলাকার বাসিন্দা রাফসান পারিবারিক একটি কাজে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ এতটাই তীব্র ছিল যে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন।

আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু রাজধানীর পথে অ্যাম্বুলেন্সেই তার মৃত্যু হয়।

গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত | প্রথম আলো

 

পুলিশ ও পরিবারের বক্তব্য

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন এবং আহতকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে খবর পান। তবে মৃত্যুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ তখনও তাদের কাছে পৌঁছায়নি।

নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবার কী কী সুবিধা পাবে? | The Daily Campus

অন্যদিকে রাফসানের বাবা মো. জাহিদুর রহমান নিশ্চিত করেছেন, ঢাকায় নেওয়ার পথেই তার ছেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। একমাত্র ছেলের এমন করুণ মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

ঢাকা–খুলনা মহাসড়ক দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়কপথ। ভারী যানবাহনের চাপ, বেপরোয়া গতি এবং পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব প্রায়ই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। রাফসানের মৃত্যু আবারও সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি সামনে এনে দিল।