১১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

ওষুধে একচেটিয়া ভাঙতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, সরবরাহ জোরদারে নতুন নিয়ম জারি আমিরাতে

সংযুক্ত আরব আমিরাতে চিকিৎসা পণ্যে দীর্ঘদিনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে কার্যকর হলো নতুন বিধান। এখন থেকে দেশটিতে বাজারজাত প্রতিটি ওষুধের জন্য ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে একাধিক অনুমোদিত এজেন্ট নিয়োগ দিতে হবে। সরকারের আশা, এর ফলে ওষুধের সরবরাহ বাড়বে, সংকট কমবে এবং ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হবে।

একচেটিয়া ভাঙার নতুন কাঠামো

আমিরাতের ঔষধ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো চিকিৎসা পণ্যের ওপর একক নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটানো। আগে অনেক ক্ষেত্রে একটি পণ্যের জন্য একটি মাত্র এজেন্ট থাকায় সরবরাহে বিঘ্ন ঘটত। নতুন নিয়মে একাধিক এজেন্ট থাকায় বাজারে একই ওষুধ সহজলভ্য হবে এবং ঘাটতির ঝুঁকি কমবে।

সরকারের মতে, এই পদক্ষেপ জাতীয় প্রস্তুতি শক্তিশালী করা, ঔষধ নিরাপত্তা বাড়ানো এবং সারাদেশে চিকিৎসা পণ্যের টেকসই প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার কৌশলের অংশ। একই রোগের চিকিৎসায় বিকল্প বাড়বে, যা রোগীদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া

নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে চাহিদার ওঠানামা বা জনস্বাস্থ্যজনিত জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া সম্ভব হবে। সরবরাহ শৃঙ্খল আরও নমনীয় হবে, মজুত ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে এবং সব আমিরাতে দ্রুত পণ্য পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে।

একাধিক বিতরণ চ্যানেল চালু হওয়ায় পরিমাণ বা সময় নিয়ন্ত্রণ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ কমবে। এতে ঔষধ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং সংরক্ষণ ও পরিবহনের মান উন্নত হবে।

বিনিয়োগ ও বাজার শক্তিশালীকরণ

ঔষধ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও প্রতিমন্ত্রী সাঈদ বিন মুবারক আল হাজেরি বলেন, সরবরাহ ব্যবস্থার বৈচিত্র্য বাড়ানো, নিয়ন্ত্রক দক্ষতা উন্নত করা এবং একটি নমনীয় আইনগত পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। এতে ঔষধ বাজার টেকসই হবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত আমিরাতকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে। একই সঙ্গে চিকিৎসা পণ্যের স্থায়ী প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যখাতকে আরও মজবুত ভিত্তি দেবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

ওষুধে একচেটিয়া ভাঙতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, সরবরাহ জোরদারে নতুন নিয়ম জারি আমিরাতে

১১:০০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতে চিকিৎসা পণ্যে দীর্ঘদিনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে কার্যকর হলো নতুন বিধান। এখন থেকে দেশটিতে বাজারজাত প্রতিটি ওষুধের জন্য ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে একাধিক অনুমোদিত এজেন্ট নিয়োগ দিতে হবে। সরকারের আশা, এর ফলে ওষুধের সরবরাহ বাড়বে, সংকট কমবে এবং ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হবে।

একচেটিয়া ভাঙার নতুন কাঠামো

আমিরাতের ঔষধ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো চিকিৎসা পণ্যের ওপর একক নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটানো। আগে অনেক ক্ষেত্রে একটি পণ্যের জন্য একটি মাত্র এজেন্ট থাকায় সরবরাহে বিঘ্ন ঘটত। নতুন নিয়মে একাধিক এজেন্ট থাকায় বাজারে একই ওষুধ সহজলভ্য হবে এবং ঘাটতির ঝুঁকি কমবে।

সরকারের মতে, এই পদক্ষেপ জাতীয় প্রস্তুতি শক্তিশালী করা, ঔষধ নিরাপত্তা বাড়ানো এবং সারাদেশে চিকিৎসা পণ্যের টেকসই প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার কৌশলের অংশ। একই রোগের চিকিৎসায় বিকল্প বাড়বে, যা রোগীদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া

নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে চাহিদার ওঠানামা বা জনস্বাস্থ্যজনিত জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া সম্ভব হবে। সরবরাহ শৃঙ্খল আরও নমনীয় হবে, মজুত ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে এবং সব আমিরাতে দ্রুত পণ্য পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে।

একাধিক বিতরণ চ্যানেল চালু হওয়ায় পরিমাণ বা সময় নিয়ন্ত্রণ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ কমবে। এতে ঔষধ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং সংরক্ষণ ও পরিবহনের মান উন্নত হবে।

বিনিয়োগ ও বাজার শক্তিশালীকরণ

ঔষধ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও প্রতিমন্ত্রী সাঈদ বিন মুবারক আল হাজেরি বলেন, সরবরাহ ব্যবস্থার বৈচিত্র্য বাড়ানো, নিয়ন্ত্রক দক্ষতা উন্নত করা এবং একটি নমনীয় আইনগত পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। এতে ঔষধ বাজার টেকসই হবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত আমিরাতকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে। একই সঙ্গে চিকিৎসা পণ্যের স্থায়ী প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যখাতকে আরও মজবুত ভিত্তি দেবে।