০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত আর্কটিকের বরফে হারিয়ে যাওয়া জাহাজের রহস্যে নতুন মোড়, ১৮০ বছর পর শনাক্ত তিন নাবিক এআই চিপের জোয়ারে ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে এসকে হাইনিক্স ও মাইক্রন বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও বাড়ছে খাদ্য নিরাপত্তা সংকট ভারতে কমিউনিস্ট রাজনীতির পতন, শেষ দুর্গ হারিয়ে নতুন সংকটে বামপন্থীরা রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টনের বেশি এমওপি সার আমদানি করবে বাংলাদেশ শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত সকাল ৯টায়, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত ঐতিহাসিক ঈদগাহ ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ঈদ প্রস্তুতিতে ভোগান্তি বাড়ছে হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধ যখন যন্ত্রের গতিতে, রাজনীতি কি তখনও মানুষের থাকবে

বগুড়ার সাবগ্রামে রিহ্যাব সেন্টারে পিটিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাকে হত্যা, পরিবারের বিস্ফোরক অভিযোগ

বগুড়ার সাবগ্রাম এলাকায় একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ব্যাংক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিবারের দাবি, নির্মম মারধরের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

মৃত ব্যক্তি সামিউল হাসান শুভ, বয়স ৩৩। তিনি দুপচাঁচিয়া শাখার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিনের মাদকাসক্তি ও মানসিক সমস্যার চিকিৎসার জন্য গত ১৩ ফেব্রুয়ারি তাকে শহরের সাবগ্রাম পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

Bank official found dead at rehab centre, family alleges murder

ভর্তির ১১ দিনের মাথায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুনর্বাসন কেন্দ্রের কর্মীরা হঠাৎ করেই সামিউলকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এত অল্প সময়ের মধ্যে কীভাবে তার শারীরিক অবস্থা এতটা অবনতি ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা।

Bank official beaten to death at rehab centre in Bogura

শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন, মারধরের অভিযোগ
সামিউলের ভগ্নিপতি এটিএম ফারহাদ অভিযোগ করেন, মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার দাবি, পুনর্বাসন কেন্দ্রের ভেতরেই তাকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়, যার ফলেই তার মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

পুলিশের তদন্ত শুরু
বগুড়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফা মনজুর জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। চিকিৎসার নামে নির্যাতনের অভিযোগ কতটা সত্য, তা এখন তদন্তেই প্রমাণিত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত

বগুড়ার সাবগ্রামে রিহ্যাব সেন্টারে পিটিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাকে হত্যা, পরিবারের বিস্ফোরক অভিযোগ

১১:৪৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বগুড়ার সাবগ্রাম এলাকায় একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ব্যাংক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিবারের দাবি, নির্মম মারধরের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

মৃত ব্যক্তি সামিউল হাসান শুভ, বয়স ৩৩। তিনি দুপচাঁচিয়া শাখার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিনের মাদকাসক্তি ও মানসিক সমস্যার চিকিৎসার জন্য গত ১৩ ফেব্রুয়ারি তাকে শহরের সাবগ্রাম পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

Bank official found dead at rehab centre, family alleges murder

ভর্তির ১১ দিনের মাথায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুনর্বাসন কেন্দ্রের কর্মীরা হঠাৎ করেই সামিউলকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এত অল্প সময়ের মধ্যে কীভাবে তার শারীরিক অবস্থা এতটা অবনতি ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা।

Bank official beaten to death at rehab centre in Bogura

শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন, মারধরের অভিযোগ
সামিউলের ভগ্নিপতি এটিএম ফারহাদ অভিযোগ করেন, মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার দাবি, পুনর্বাসন কেন্দ্রের ভেতরেই তাকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়, যার ফলেই তার মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

পুলিশের তদন্ত শুরু
বগুড়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফা মনজুর জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। চিকিৎসার নামে নির্যাতনের অভিযোগ কতটা সত্য, তা এখন তদন্তেই প্রমাণিত হবে।