১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য

বায়ারের স্ব-যত্ন কৌশলে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বাস্থ্য বিপ্লব, প্রতিরোধভিত্তিক সেবায় নতুন দিগন্ত

মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বায়ার তাদের ভোক্তা স্বাস্থ্য কার্যক্রমকে নতুন কৌশলে সাজিয়েছে। লক্ষ্য একটাই—প্রতিরোধভিত্তিক স্ব-যত্নের মাধ্যমে সুস্থ, সক্ষম ও স্থিতিশীল জনগোষ্ঠী গড়ে তোলা। জাতীয় স্বাস্থ্য নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিষ্ঠানটি এমন এক মডেল গড়ে তুলছে, যা স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ কমিয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনমান উন্নত করতে সহায়ক হবে।

প্রতিরোধভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবায় জোর

অঞ্চলজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী ও জীবনযাপনজনিত রোগ বাড়তে থাকায় সহজলভ্য ও ব্যবহারবান্ধব সমাধানের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। বায়ার হৃদ্‌রোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় অ্যাসপিরিনভিত্তিক সমাধান এবং হৃদ্‌ঝুঁকি মূল্যায়ন কর্মসূচি চালু করেছে, যা মানুষকে আগেভাগে সচেতন হতে ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণে থাকতে সহায়তা করছে। মৌসুমি অ্যালার্জি মোকাবিলায় নতুন নাকের স্প্রে দ্রুত ও দীর্ঘস্থায়ী উপশম দিচ্ছে।

ত্বক ও চুলের যত্নেও আঞ্চলিক জলবায়ু ও জীবনধারার কথা বিবেচনায় রেখে পণ্য উন্নয়ন করা হয়েছে। শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের সুরক্ষায় আর্দ্রতাদায়ক ক্রিম এবং চুলের গুণগত মান উন্নয়নে বিশেষ উপাদানসমৃদ্ধ সমাধান বাজারে আনা হয়েছে, যা স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের সমর্থনও পেয়েছে।

Bayer's strategic vision: Empowering MENA with proactive self-care solutions

স্থানীয় উৎপাদন ও অংশীদারিত্ব

অঞ্চলটির স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘদিনের অংশীদার হিসেবে বায়ার বিভিন্ন দেশে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। মিশরে হৃদ্‌রোগ সচেতনতা ও পরীক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে কমিউনিটিভিত্তিক সেবা জোরদার করা হয়েছে। সৌদি আরবে ওষুধ সরবরাহ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহৎ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা হয়েছে। দুই মিলিয়নের বেশি মানুষের কাছে সচেতনতা কার্যক্রম পৌঁছেছে এবং হাজারো স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবে অ্যাসপিরিনের স্থানীয় উৎপাদন চুক্তি সরবরাহ নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য বাড়াতে সহায়ক হবে।

ডিজিটাল উদ্যোগে স্ব-যত্নের প্রসার

ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে হৃদ্‌ঝুঁকি মূল্যায়ন ও পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিয়ে মানুষকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। শিক্ষা, পরীক্ষা, স্ব-পরিচর্যা ও ফলোআপকে একসঙ্গে যুক্ত করে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Bayer's strategic vision: Empowering MENA with proactive self-care solutions

সমতা, টেকসই উন্নয়ন ও দক্ষ জনবল

প্রতিষ্ঠানটি স্ব-যত্ন সেবা ১০ কোটির বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পণ্য উন্নয়ন থেকে বিপণন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় নেতৃত্ব ও দক্ষ জনবল গড়ে তোলায় বিনিয়োগ বাড়ানো হয়েছে, যাতে আঞ্চলিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্যক্রম পরিচালনা সম্ভব হয়।

বায়ারের আঞ্চলিক প্রধান মোহাম্মদ গালাল বলেন, এই অঞ্চল স্বাস্থ্যখাতে এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। অংশীদারিত্ব জোরদার ও স্থানীয় সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে প্রতিরোধভিত্তিক স্ব-যত্ন সমাধান আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ কমিয়ে টেকসই ও ন্যায্য স্বাস্থ্য ফল নিশ্চিত করাই এখন তাদের মূল অঙ্গীকার।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র

বায়ারের স্ব-যত্ন কৌশলে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বাস্থ্য বিপ্লব, প্রতিরোধভিত্তিক সেবায় নতুন দিগন্ত

০৫:০১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বায়ার তাদের ভোক্তা স্বাস্থ্য কার্যক্রমকে নতুন কৌশলে সাজিয়েছে। লক্ষ্য একটাই—প্রতিরোধভিত্তিক স্ব-যত্নের মাধ্যমে সুস্থ, সক্ষম ও স্থিতিশীল জনগোষ্ঠী গড়ে তোলা। জাতীয় স্বাস্থ্য নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিষ্ঠানটি এমন এক মডেল গড়ে তুলছে, যা স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ কমিয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনমান উন্নত করতে সহায়ক হবে।

প্রতিরোধভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবায় জোর

অঞ্চলজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী ও জীবনযাপনজনিত রোগ বাড়তে থাকায় সহজলভ্য ও ব্যবহারবান্ধব সমাধানের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। বায়ার হৃদ্‌রোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় অ্যাসপিরিনভিত্তিক সমাধান এবং হৃদ্‌ঝুঁকি মূল্যায়ন কর্মসূচি চালু করেছে, যা মানুষকে আগেভাগে সচেতন হতে ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণে থাকতে সহায়তা করছে। মৌসুমি অ্যালার্জি মোকাবিলায় নতুন নাকের স্প্রে দ্রুত ও দীর্ঘস্থায়ী উপশম দিচ্ছে।

ত্বক ও চুলের যত্নেও আঞ্চলিক জলবায়ু ও জীবনধারার কথা বিবেচনায় রেখে পণ্য উন্নয়ন করা হয়েছে। শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের সুরক্ষায় আর্দ্রতাদায়ক ক্রিম এবং চুলের গুণগত মান উন্নয়নে বিশেষ উপাদানসমৃদ্ধ সমাধান বাজারে আনা হয়েছে, যা স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের সমর্থনও পেয়েছে।

Bayer's strategic vision: Empowering MENA with proactive self-care solutions

স্থানীয় উৎপাদন ও অংশীদারিত্ব

অঞ্চলটির স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘদিনের অংশীদার হিসেবে বায়ার বিভিন্ন দেশে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। মিশরে হৃদ্‌রোগ সচেতনতা ও পরীক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে কমিউনিটিভিত্তিক সেবা জোরদার করা হয়েছে। সৌদি আরবে ওষুধ সরবরাহ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহৎ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা হয়েছে। দুই মিলিয়নের বেশি মানুষের কাছে সচেতনতা কার্যক্রম পৌঁছেছে এবং হাজারো স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবে অ্যাসপিরিনের স্থানীয় উৎপাদন চুক্তি সরবরাহ নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য বাড়াতে সহায়ক হবে।

ডিজিটাল উদ্যোগে স্ব-যত্নের প্রসার

ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে হৃদ্‌ঝুঁকি মূল্যায়ন ও পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিয়ে মানুষকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। শিক্ষা, পরীক্ষা, স্ব-পরিচর্যা ও ফলোআপকে একসঙ্গে যুক্ত করে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Bayer's strategic vision: Empowering MENA with proactive self-care solutions

সমতা, টেকসই উন্নয়ন ও দক্ষ জনবল

প্রতিষ্ঠানটি স্ব-যত্ন সেবা ১০ কোটির বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পণ্য উন্নয়ন থেকে বিপণন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় নেতৃত্ব ও দক্ষ জনবল গড়ে তোলায় বিনিয়োগ বাড়ানো হয়েছে, যাতে আঞ্চলিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্যক্রম পরিচালনা সম্ভব হয়।

বায়ারের আঞ্চলিক প্রধান মোহাম্মদ গালাল বলেন, এই অঞ্চল স্বাস্থ্যখাতে এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। অংশীদারিত্ব জোরদার ও স্থানীয় সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে প্রতিরোধভিত্তিক স্ব-যত্ন সমাধান আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ কমিয়ে টেকসই ও ন্যায্য স্বাস্থ্য ফল নিশ্চিত করাই এখন তাদের মূল অঙ্গীকার।