০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত আর্কটিকের বরফে হারিয়ে যাওয়া জাহাজের রহস্যে নতুন মোড়, ১৮০ বছর পর শনাক্ত তিন নাবিক এআই চিপের জোয়ারে ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে এসকে হাইনিক্স ও মাইক্রন বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও বাড়ছে খাদ্য নিরাপত্তা সংকট ভারতে কমিউনিস্ট রাজনীতির পতন, শেষ দুর্গ হারিয়ে নতুন সংকটে বামপন্থীরা রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টনের বেশি এমওপি সার আমদানি করবে বাংলাদেশ শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত সকাল ৯টায়, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত ঐতিহাসিক ঈদগাহ ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ঈদ প্রস্তুতিতে ভোগান্তি বাড়ছে হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধ যখন যন্ত্রের গতিতে, রাজনীতি কি তখনও মানুষের থাকবে

ঢাকাসহ দেশজুড়ে ৪০ ঘণ্টায় তৃতীয় ভূমিকম্প, আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় মানুষ

ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার দুপুরে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। টানা ৪০ ঘণ্টার ব্যবধানে এটি ছিল তৃতীয় কম্পন, যা রাজধানীসহ একাধিক জেলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।

দুপুরে ৫.৪ মাত্রার কম্পন

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। সংস্থাটির আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা জানান, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায়।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্রের তথ্যমতে, কম্পনের কেন্দ্রস্থল খুলনা জেলা শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ছিল।

New Age | Third earthquake jolts Dhaka, other parts of Bangladesh in 40  hours

ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি

ভূমিকম্পের পরপরই কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। খুলনা থেকেও একই সময়ে মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হওয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তারা। খুলনা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পটি মাঝারি মাত্রার ছিল।

সাতক্ষীরায় কম্পন শুরু হতেই বহু মানুষ আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্থাপনার ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

৪০ ঘণ্টায় তৃতীয় কম্পন

এর আগে বুধবার রাতে ঢাকাসহ সিলেট ও আশপাশের এলাকায় একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র জানায়, রাত ১০টা ৫৩ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৫.১ মাত্রার সেই কম্পন রেকর্ড করা হয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে আবারও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরেকটি কম্পন অনুভূত হয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র জানায়, ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৬।

টানা কয়েক দফা ভূমিকম্পে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়লেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার কথা জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত

ঢাকাসহ দেশজুড়ে ৪০ ঘণ্টায় তৃতীয় ভূমিকম্প, আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় মানুষ

০৫:০৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার দুপুরে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। টানা ৪০ ঘণ্টার ব্যবধানে এটি ছিল তৃতীয় কম্পন, যা রাজধানীসহ একাধিক জেলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।

দুপুরে ৫.৪ মাত্রার কম্পন

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। সংস্থাটির আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা জানান, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায়।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্রের তথ্যমতে, কম্পনের কেন্দ্রস্থল খুলনা জেলা শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ছিল।

New Age | Third earthquake jolts Dhaka, other parts of Bangladesh in 40  hours

ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি

ভূমিকম্পের পরপরই কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। খুলনা থেকেও একই সময়ে মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হওয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তারা। খুলনা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পটি মাঝারি মাত্রার ছিল।

সাতক্ষীরায় কম্পন শুরু হতেই বহু মানুষ আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্থাপনার ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

৪০ ঘণ্টায় তৃতীয় কম্পন

এর আগে বুধবার রাতে ঢাকাসহ সিলেট ও আশপাশের এলাকায় একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র জানায়, রাত ১০টা ৫৩ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৫.১ মাত্রার সেই কম্পন রেকর্ড করা হয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে আবারও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরেকটি কম্পন অনুভূত হয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র জানায়, ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৬।

টানা কয়েক দফা ভূমিকম্পে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়লেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার কথা জানিয়েছেন।