ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার দুপুরে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। টানা ৪০ ঘণ্টার ব্যবধানে এটি ছিল তৃতীয় কম্পন, যা রাজধানীসহ একাধিক জেলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
দুপুরে ৫.৪ মাত্রার কম্পন
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। সংস্থাটির আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা জানান, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায়।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্রের তথ্যমতে, কম্পনের কেন্দ্রস্থল খুলনা জেলা শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ছিল।

ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি
ভূমিকম্পের পরপরই কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। খুলনা থেকেও একই সময়ে মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হওয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তারা। খুলনা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পটি মাঝারি মাত্রার ছিল।
সাতক্ষীরায় কম্পন শুরু হতেই বহু মানুষ আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্থাপনার ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
৪০ ঘণ্টায় তৃতীয় কম্পন
এর আগে বুধবার রাতে ঢাকাসহ সিলেট ও আশপাশের এলাকায় একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র জানায়, রাত ১০টা ৫৩ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৫.১ মাত্রার সেই কম্পন রেকর্ড করা হয়।
পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে আবারও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরেকটি কম্পন অনুভূত হয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র জানায়, ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৬।
টানা কয়েক দফা ভূমিকম্পে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়লেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার কথা জানিয়েছেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















