০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত আর্কটিকের বরফে হারিয়ে যাওয়া জাহাজের রহস্যে নতুন মোড়, ১৮০ বছর পর শনাক্ত তিন নাবিক এআই চিপের জোয়ারে ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে এসকে হাইনিক্স ও মাইক্রন বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও বাড়ছে খাদ্য নিরাপত্তা সংকট ভারতে কমিউনিস্ট রাজনীতির পতন, শেষ দুর্গ হারিয়ে নতুন সংকটে বামপন্থীরা রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টনের বেশি এমওপি সার আমদানি করবে বাংলাদেশ শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত সকাল ৯টায়, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত ঐতিহাসিক ঈদগাহ ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ঈদ প্রস্তুতিতে ভোগান্তি বাড়ছে হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধ যখন যন্ত্রের গতিতে, রাজনীতি কি তখনও মানুষের থাকবে

জেল খানায় আরো এক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যূ

পটুয়াখালী জেলা কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম খানের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

অসুস্থতা ও চিকিৎসা

কারা সূত্র জানায়, শফিকুল ইসলাম খান দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় আগেও তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। পটুয়াখালী জেলা কারাগারের নিয়োজিত চিকিৎসক ডা. মো. জিয়া জানান, তার হার্টে ব্লক ছিল এবং নিয়মিত চিকিৎসা চলছিল। শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পটুয়াখালীতে কারাবন্দী ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

রাজনৈতিক পরিচয়

শফিকুল ইসলাম খান দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছরের ১১ আগস্ট রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

সাম্প্রতিক সময়ের উদ্বেগ

সাম্প্রতিক সময়ে কারাগারে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার মৃত্যু নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার কারাবন্দি অবস্থায় মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এসেছে, যা নিয়ে দলের ভেতরে ও বাইরে উদ্বেগ ও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহল কারাবন্দিদের চিকিৎসা ব্যবস্থার মান ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, অসুস্থ বন্দিদের নিয়মিত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয় এবং প্রয়োজনে বাইরে বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে বিরোধী রাজনৈতিক মহল এসব মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে।

কারাগারে এই মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত মরদেহ হস্তান্তর ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত

জেল খানায় আরো এক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যূ

০১:৩৪:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালী জেলা কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম খানের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

অসুস্থতা ও চিকিৎসা

কারা সূত্র জানায়, শফিকুল ইসলাম খান দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় আগেও তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। পটুয়াখালী জেলা কারাগারের নিয়োজিত চিকিৎসক ডা. মো. জিয়া জানান, তার হার্টে ব্লক ছিল এবং নিয়মিত চিকিৎসা চলছিল। শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পটুয়াখালীতে কারাবন্দী ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

রাজনৈতিক পরিচয়

শফিকুল ইসলাম খান দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছরের ১১ আগস্ট রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

সাম্প্রতিক সময়ের উদ্বেগ

সাম্প্রতিক সময়ে কারাগারে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার মৃত্যু নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার কারাবন্দি অবস্থায় মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এসেছে, যা নিয়ে দলের ভেতরে ও বাইরে উদ্বেগ ও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহল কারাবন্দিদের চিকিৎসা ব্যবস্থার মান ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, অসুস্থ বন্দিদের নিয়মিত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয় এবং প্রয়োজনে বাইরে বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে বিরোধী রাজনৈতিক মহল এসব মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে।

কারাগারে এই মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত মরদেহ হস্তান্তর ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।