পাবনার ঈশ্বরদীতে এক রাতেই ঝরে গেল দাদি ও নাতনির প্রাণ। দাদিকে কুপিয়ে হত্যার পর নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় গভীর শোক ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।
ঘটনাস্থল ও নিহতদের পরিচয়
নিহতরা হলেন সুফিয়া খাতুন, বয়স প্রায় পঁয়ষট্টি, এবং তার পনেরো বছর বয়সী নাতনি জামিলা আক্তার। তারা ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দাদি-নাতনি ওই বাড়িতেই একসঙ্গে থাকতেন।
মধ্যরাতের চিৎকার, সকালে রক্তাক্ত লাশ
শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎ চিৎকারের শব্দে প্রতিবেশীরা ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই শব্দ থেমে গেলে অনেকে আবার ঘরে ফিরে যান। পরদিন সকালে বাড়ির উঠানে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় সুফিয়া খাতুনকে। অন্যদিকে পাশের একটি সরিষা ক্ষেতে পাওয়া যায় জামিলা আক্তারের মরদেহ।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনাকে ঘিরে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
প্রতিরোধে বাধা, নৃশংস হামলা
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, নাতনিকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে বাধা দিতে গিয়ে সুফিয়া খাতুন হামলার শিকার হতে পারেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















