সাতক্ষীরায় মায়ের বকুনিতে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোক ও উদ্বেগ। ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে হতাশা আর পারিবারিক চাপে এক তরুণীর ঝরে যাওয়া জীবন নতুন করে প্রশ্ন তুলছে পরিবারে মানসিক সহায়তার অভাব নিয়ে।
ভর্তি পরীক্ষা ঘিরে হতাশা
সাতক্ষীরা শহরের কাথিয়া দাসপাড়া এলাকায় শনিবার এ ঘটনা ঘটে। নিহত আমেনা খাতুন, বয়স ২০, স্থানীয় একটি কলেজের ছাত্রী ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনি ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের সরকারি নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফিরে তিনি ফলাফল নিয়ে ভীষণভাবে হতাশ হয়ে পড়েন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রত্যাশামতো পরীক্ষা না হওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন আমেনা। ওই রাতেই এ বিষয় নিয়ে তার মা তাকে বকাঝকা করেন। এরপর থেকেই তিনি চুপচাপ হয়ে যান বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
আত্মহত্যার আশঙ্কা ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের গুঞ্জন
ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষোভ ও অভিমান থেকেই গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। তবে স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, পরিবারের ভেতরে অন্য কোনো বিরোধও থাকতে পারে। এ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।

মরদেহ উদ্ধার, তদন্ত শুরু
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ভর্তি পরীক্ষা ও পারিবারিক চাপে এক তরুণীর জীবনাবসান সমাজের জন্য বড় সতর্কবার্তা হয়ে উঠেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















