০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত আর্কটিকের বরফে হারিয়ে যাওয়া জাহাজের রহস্যে নতুন মোড়, ১৮০ বছর পর শনাক্ত তিন নাবিক এআই চিপের জোয়ারে ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে এসকে হাইনিক্স ও মাইক্রন বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও বাড়ছে খাদ্য নিরাপত্তা সংকট ভারতে কমিউনিস্ট রাজনীতির পতন, শেষ দুর্গ হারিয়ে নতুন সংকটে বামপন্থীরা রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টনের বেশি এমওপি সার আমদানি করবে বাংলাদেশ শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত সকাল ৯টায়, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত ঐতিহাসিক ঈদগাহ ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ঈদ প্রস্তুতিতে ভোগান্তি বাড়ছে হামে ভয়াবহতা বাড়ছেই, আরও ১০ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধ যখন যন্ত্রের গতিতে, রাজনীতি কি তখনও মানুষের থাকবে

চট্টগ্রামের গ্যাস বিস্ফোরণ: মৃত্যুসংখ্যা বেড়ে ৬, জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে আরও তিনজন

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ছয়জন। কয়েক দিনের ব্যবধানে একে একে ঝরে গেল একই পরিবারের ছয়টি প্রাণ, শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।

আইসিইউতে শেষ নিঃশ্বাস

শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মো. শিপন (৩০)। চিকিৎসকরা জানান, তার শরীরের প্রায় ৮৩ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। আগুনে দগ্ধ হওয়ার পাশাপাশি শ্বাসনালিতেও গুরুতর ক্ষত ছিল, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

একই পরিবারের একের পর এক মৃত্যু

এর আগে এই বিস্ফোরণে প্রাণ হারান শিপনের ভাবি নূরজাহান আক্তার, ভাতিজা শাওন, ভাই সামির হোসেন, আরেক ভাবি পাখি আক্তার এবং বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন। একই পরিবারের ছয়জনের মৃত্যুতে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। এখনও আরও তিনজন গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন, তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Ctg gas explosion: Death toll rises to 6

কীভাবে ঘটেছিল বিস্ফোরণ

সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে হালিশহর এলাকার ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত নয়জন দগ্ধ হন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালেও ক্ষয়ক্ষতি ছিল মারাত্মক।

Ctg gas explosion: Death toll rises to 4 | The Business Standard

তদন্তে দুটি কমিটি

ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গ্যাস লাইন, সিলিন্ডার কিংবা অন্য কোনো ত্রুটি থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রামের গ্যাস বিস্ফোরণ এখন শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, এটি হয়ে উঠেছে এক পরিবারের নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার হৃদয়বিদারক গল্প। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, এমন দুর্ঘটনা রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল?

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্টারনেট ফিরলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণে ইরান, যোগাযোগে ভোগান্তি অব্যাহত

চট্টগ্রামের গ্যাস বিস্ফোরণ: মৃত্যুসংখ্যা বেড়ে ৬, জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে আরও তিনজন

০২:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ছয়জন। কয়েক দিনের ব্যবধানে একে একে ঝরে গেল একই পরিবারের ছয়টি প্রাণ, শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।

আইসিইউতে শেষ নিঃশ্বাস

শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মো. শিপন (৩০)। চিকিৎসকরা জানান, তার শরীরের প্রায় ৮৩ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। আগুনে দগ্ধ হওয়ার পাশাপাশি শ্বাসনালিতেও গুরুতর ক্ষত ছিল, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

একই পরিবারের একের পর এক মৃত্যু

এর আগে এই বিস্ফোরণে প্রাণ হারান শিপনের ভাবি নূরজাহান আক্তার, ভাতিজা শাওন, ভাই সামির হোসেন, আরেক ভাবি পাখি আক্তার এবং বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন। একই পরিবারের ছয়জনের মৃত্যুতে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। এখনও আরও তিনজন গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন, তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Ctg gas explosion: Death toll rises to 6

কীভাবে ঘটেছিল বিস্ফোরণ

সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে হালিশহর এলাকার ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত নয়জন দগ্ধ হন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালেও ক্ষয়ক্ষতি ছিল মারাত্মক।

Ctg gas explosion: Death toll rises to 4 | The Business Standard

তদন্তে দুটি কমিটি

ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গ্যাস লাইন, সিলিন্ডার কিংবা অন্য কোনো ত্রুটি থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রামের গ্যাস বিস্ফোরণ এখন শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, এটি হয়ে উঠেছে এক পরিবারের নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার হৃদয়বিদারক গল্প। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, এমন দুর্ঘটনা রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল?