০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

সীতাকুণ্ডে শিশুহত্যা: পুলিশের ভাষ্য

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাত বছরের শিশু জান্নাতুল নাঈমা ইরাকে হত্যার ঘটনাটি পারিবারিক বিরোধের জেরেই ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার সীতাকুণ্ড থানা প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের তথ্য প্রকাশ করেন জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান।

পুলিশের দাবি, শিশুটির বাবার সঙ্গে পূর্বের বিরোধ থেকেই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন বাবু শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উপহারের প্রলোভনে শিশুকে ডেকে নেওয়া

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত বাবু শেখ চকোলেট দেওয়ার কথা বলে শিশুটি জান্নাতুল নাঈমা ইরাকে সীতাকুণ্ডের ইকোপার্কের পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই পরিকল্পনা অনুযায়ী তার গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটির বাবার সঙ্গে পুরোনো পারিবারিক দ্বন্দ্ব থেকেই এই নৃশংস ঘটনার সূত্রপাত।

সীতাকুণ্ডে শিশুহত্যা: পারিবারিক বিরোধ থেকেই পরিকল্পনা, জানাল পুলিশ –  Cumilla Press

উদ্ধারের পর হাসপাতালে মৃত্যু

ইকোপার্কের ভেতরে কাজ করা নির্মাণ শ্রমিকরা আহত অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান। প্রথমে তারা ধারণা করেন কেউ তাকে ফেলে রেখে গেছে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে মঙ্গলবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

প্রযুক্তি সহায়তায় গ্রেপ্তার

ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন স্থানের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ এবং প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত বাবু শেখকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা কাজীপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, পারিবারিক বিরোধের কারণেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

সীতাকুণ্ডে শিশুহত্যা: পুলিশের ভাষ্য

০৪:২০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাত বছরের শিশু জান্নাতুল নাঈমা ইরাকে হত্যার ঘটনাটি পারিবারিক বিরোধের জেরেই ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার সীতাকুণ্ড থানা প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের তথ্য প্রকাশ করেন জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান।

পুলিশের দাবি, শিশুটির বাবার সঙ্গে পূর্বের বিরোধ থেকেই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন বাবু শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উপহারের প্রলোভনে শিশুকে ডেকে নেওয়া

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত বাবু শেখ চকোলেট দেওয়ার কথা বলে শিশুটি জান্নাতুল নাঈমা ইরাকে সীতাকুণ্ডের ইকোপার্কের পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই পরিকল্পনা অনুযায়ী তার গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটির বাবার সঙ্গে পুরোনো পারিবারিক দ্বন্দ্ব থেকেই এই নৃশংস ঘটনার সূত্রপাত।

সীতাকুণ্ডে শিশুহত্যা: পারিবারিক বিরোধ থেকেই পরিকল্পনা, জানাল পুলিশ –  Cumilla Press

উদ্ধারের পর হাসপাতালে মৃত্যু

ইকোপার্কের ভেতরে কাজ করা নির্মাণ শ্রমিকরা আহত অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান। প্রথমে তারা ধারণা করেন কেউ তাকে ফেলে রেখে গেছে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে মঙ্গলবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

প্রযুক্তি সহায়তায় গ্রেপ্তার

ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন স্থানের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ এবং প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত বাবু শেখকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা কাজীপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, পারিবারিক বিরোধের কারণেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।