নওগাঁর সদর উপজেলার কদিমপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিক্ষক নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা নওগাঁ–বদলগাছী আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে এবং একটি ইটভাটার একাধিক ট্রাক্টর ও একটি খননযন্ত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
দুর্ঘটনায় শিক্ষক নিহত
মঙ্গলবার বিকেল প্রায় আড়াইটার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার কদিমপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রিমন হোসেন (৩০) স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারের শিক্ষক ছিলেন। তিনি সদর উপজেলার কীর্তিপুর গ্রামের শহীন হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় রিমন মোটরসাইকেলে করে আর্চা গ্রামে পড়াতে যাচ্ছিলেন। পথে একটি ইটভাটার ট্রাক্টর তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও আগুন
শিক্ষকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। তারা নওগাঁ–বদলগাছী আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। একই সঙ্গে শাহির মোড়ে একটি ইটভাটার চারটি ট্রাক্টর ও একটি খননযন্ত্রে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
বিক্ষুব্ধরা ওই ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করার দাবিও জানান।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে মহাসড়কে যান চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়।
নওগাঁ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুশফিকুর রহমান জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক্টরটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালককে এখনো আটক করা সম্ভব হয়নি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















