০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক

চীনের শক্ত নির্দেশনায় ঘুরে দাঁড়াল ইউয়ান, ২০২৬ সালের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য ঘোষণা বেইজিং

চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শক্তিশালী নির্দেশনা দেওয়ার পর এক মাসের সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইউয়ান। একই দিনে দেশটির পার্লামেন্টের বার্ষিক অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ২০২৬ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন লক্ষ্যও ঘোষণা করেছে বেইজিং।

ইউয়ানের পুনরুদ্ধার

বৃহস্পতিবার চীনা মুদ্রা ইউয়ান এক মাসের সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে কিছুটা শক্তিশালী হয়েছে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা, যা প্রায় তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বৈঠকের প্রেক্ষাপটে বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

Wolfgang Dorner, CEO of the German Table Tennis Association, shakes hands with Shen Haixiong, head of China Media Group in Beijing

বাজার খোলার আগে চীনের পিপলস ব্যাংক অব চায়না ডলারের বিপরীতে ইউয়ানের মধ্যম বিনিময় হার নির্ধারণ করে ৬.৯০০৭। আগের দিনের তুলনায় এটি ১১৭ পিপস বা প্রায় ০.০৭ শতাংশ বেশি শক্তিশালী।

গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণত বাজারের প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল নির্দেশনা দিয়ে আসছিল। তবে বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত হার ছিল বাজারের অনুমানকৃত ৬.৯০১০-এর তুলনায় ৩ পিপস বেশি শক্তিশালী।

চীনে ইউয়ান প্রতিদিন নির্ধারিত মধ্যম বিনিময় হার থেকে দুই শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।

বাজারে প্রভাব

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শক্তিশালী নির্দেশনার ফলে বাজারে ইউয়ানের স্পট রেটও বাড়তে দেখা যায়। বাংলাদেশ সময় সকাল প্রায় আটটার দিকে অনশোর ইউয়ান ডলারের বিপরীতে ০.১২ শতাংশ বেড়ে ৬.৮৮৬৫-এ পৌঁছায়। একই সময় অফশোর ইউয়ান লেনদেন হয় ৬.৮৮৮২ পর্যায়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইঙ্গিত দেয় যে নীতিনির্ধারকেরা ২০২৫ সাল থেকে চালু থাকা সহায়ক অর্থনৈতিক নীতিই অব্যাহত রাখতে চান।

Chinese yuan's forex market share grows to 8.5% as global position firms:  BIS survey | South China Morning Post

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য

এদিকে বৃহস্পতিবারই শুরু হয়েছে চীনের জাতীয় পার্লামেন্টের বার্ষিক অধিবেশন। সেখানে বেইজিং ২০২৬ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ৪.৫ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে।

গত বছর চীনের অর্থনীতি প্রায় ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। নতুন লক্ষ্য কিছুটা কম হলেও এতে শিল্প খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন কমানো এবং অর্থনীতিকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার জন্য সরকারকে কিছুটা নীতিগত সুযোগ দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

বিশ্ববাজারের প্রভাব

বিশ্ববাজারেও সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রভাব পড়ছে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের গোয়েন্দা সংস্থার কিছু কর্মকর্তা যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে আলোচনায় আগ্রহ দেখিয়েছেন। যদিও তেহরান পরে তা অস্বীকার করেছে।

এই অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক বাজারে বিনিয়োগকারীদের মনোভাবকে এখনও সংবেদনশীল করে রেখেছে এবং বৈশ্বিক অর্থবাজারে চাপ তৈরি করছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ

চীনের শক্ত নির্দেশনায় ঘুরে দাঁড়াল ইউয়ান, ২০২৬ সালের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য ঘোষণা বেইজিং

০৩:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শক্তিশালী নির্দেশনা দেওয়ার পর এক মাসের সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইউয়ান। একই দিনে দেশটির পার্লামেন্টের বার্ষিক অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ২০২৬ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন লক্ষ্যও ঘোষণা করেছে বেইজিং।

ইউয়ানের পুনরুদ্ধার

বৃহস্পতিবার চীনা মুদ্রা ইউয়ান এক মাসের সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে কিছুটা শক্তিশালী হয়েছে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা, যা প্রায় তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বৈঠকের প্রেক্ষাপটে বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

Wolfgang Dorner, CEO of the German Table Tennis Association, shakes hands with Shen Haixiong, head of China Media Group in Beijing

বাজার খোলার আগে চীনের পিপলস ব্যাংক অব চায়না ডলারের বিপরীতে ইউয়ানের মধ্যম বিনিময় হার নির্ধারণ করে ৬.৯০০৭। আগের দিনের তুলনায় এটি ১১৭ পিপস বা প্রায় ০.০৭ শতাংশ বেশি শক্তিশালী।

গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণত বাজারের প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল নির্দেশনা দিয়ে আসছিল। তবে বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত হার ছিল বাজারের অনুমানকৃত ৬.৯০১০-এর তুলনায় ৩ পিপস বেশি শক্তিশালী।

চীনে ইউয়ান প্রতিদিন নির্ধারিত মধ্যম বিনিময় হার থেকে দুই শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।

বাজারে প্রভাব

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শক্তিশালী নির্দেশনার ফলে বাজারে ইউয়ানের স্পট রেটও বাড়তে দেখা যায়। বাংলাদেশ সময় সকাল প্রায় আটটার দিকে অনশোর ইউয়ান ডলারের বিপরীতে ০.১২ শতাংশ বেড়ে ৬.৮৮৬৫-এ পৌঁছায়। একই সময় অফশোর ইউয়ান লেনদেন হয় ৬.৮৮৮২ পর্যায়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইঙ্গিত দেয় যে নীতিনির্ধারকেরা ২০২৫ সাল থেকে চালু থাকা সহায়ক অর্থনৈতিক নীতিই অব্যাহত রাখতে চান।

Chinese yuan's forex market share grows to 8.5% as global position firms:  BIS survey | South China Morning Post

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য

এদিকে বৃহস্পতিবারই শুরু হয়েছে চীনের জাতীয় পার্লামেন্টের বার্ষিক অধিবেশন। সেখানে বেইজিং ২০২৬ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ৪.৫ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে।

গত বছর চীনের অর্থনীতি প্রায় ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। নতুন লক্ষ্য কিছুটা কম হলেও এতে শিল্প খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন কমানো এবং অর্থনীতিকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার জন্য সরকারকে কিছুটা নীতিগত সুযোগ দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

বিশ্ববাজারের প্রভাব

বিশ্ববাজারেও সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রভাব পড়ছে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের গোয়েন্দা সংস্থার কিছু কর্মকর্তা যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে আলোচনায় আগ্রহ দেখিয়েছেন। যদিও তেহরান পরে তা অস্বীকার করেছে।

এই অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক বাজারে বিনিয়োগকারীদের মনোভাবকে এখনও সংবেদনশীল করে রেখেছে এবং বৈশ্বিক অর্থবাজারে চাপ তৈরি করছে।