ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত কয়েক দিনে বড় ধরনের ফ্লাইট সংকট তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ২১০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণসূচিতে বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এর প্রভাব সরাসরি পড়ে ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ওপর।
আকাশসীমা বন্ধের প্রভাব
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা সীমিত হওয়ায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী অনেক ফ্লাইট স্থগিত করতে হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও মধ্যপ্রাচ্য হয়ে যাওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিমান চলাচলের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির কারণে যাত্রীদের টিকিট পরিবর্তন, যাত্রা পিছিয়ে দেওয়া কিংবা নতুন করে পরিকল্পনা করার মতো সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
কয়েক দিনে বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা
গত কয়েক দিনে ধাপে ধাপে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বেড়েছে। ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখে বাতিল হয় ২৩টি ফ্লাইট। মার্চের ১ তারিখে বাতিল হয় ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি এবং ৪ মার্চ বাতিল হয় ২৮টি ফ্লাইট।
এছাড়া ৫ মার্চ রাত বারোটার পর আরও ৩৪টি ফ্লাইট বাতিলের তথ্য পাওয়া গেছে।

যেসব এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল
ফ্লাইট বাতিলের তালিকায় রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক রুটে পরিচালিত কয়েকটি বড় এয়ারলাইন্স। এর মধ্যে রয়েছে কাতার এয়ারওয়েজ, কুয়েত এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, এয়ার আরাবিয়া, ইউএস-বাংলা, গালফ এয়ার, ফ্লাইদুবাই এবং জাজিরা এয়ারওয়েজ।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিমান চলাচলে এই ধরনের বিঘ্ন অব্যাহত থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















