০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে: সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দ্বাদশ দিনে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও বিমান হামলার তীব্রতা হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের মাইন পাতা জাহাজে মার্কিন হামলা ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: ইউরোপের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে নতুন সংকট হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের ১৬টি মাইন পাতা নৌযানে মার্কিন হামলা যুদ্ধের কৌশল বদলে পাল্টা আঘাত দিচ্ছে ইরান, বলছে মার্কিন কর্মকর্তারা ইরানের খার্গ দ্বীপের নিরাপত্তায় নির্ভর করছে তেলের দাম  কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের ইসরায়েলের অস্ত্র আমদানি বৃদ্ধি ভোজ্যতেলের বাজার এখনো স্বাভাবিক হয়নি

ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য হাহাকার, ডিপো থেকে সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি বা দাম বাড়তে পারে— এমন আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গত কয়েকদিন ধরে ভিড় করছেন ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চালকরা। টানা কয়েকদিন ধরে তেল নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেকে। পাম্প মালিকদের অভিযোগ, সরকারি ছুটির কারণে ডিপো থেকে তেল সরবরাহ না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

রাজধানীতে তেলের খোঁজে ভোগান্তি

রাজধানীর বনানীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সালেহ আক্তার জানান, আগের দিন কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তিনি তেল পাননি। তাই শনিবার সকালেই বের হয়েছিলেন তেল নেওয়ার জন্য। কিন্তু সকাল থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত কয়েকটি পাম্প ঘুরেও তেল পাননি।

তার ভাষায়, সবাই বলছে গত দুই দিনে অতিরিক্ত তেল তোলার কারণে অনেক পাম্পে মজুত শেষ হয়ে গেছে। সরকার বলছে দেশে পর্যাপ্ত মজুত আছে, কিন্তু বাস্তবে পাম্পে গিয়ে তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

শুধু সালেহ আক্তার নন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়েছেন আরও অনেক চালক। কেউ কেউ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত তেল না পেয়ে ফিরে গেছেন।

ফিলিং স্টেশনগুলোতে হাহাকার, ডিপো থেকে তেল না পাওয়ার অভিযোগ মালিকদের

দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা

রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার কোথাও গাড়ির দীর্ঘ সারি পাম্পের সীমানা ছাড়িয়ে মূল সড়ক পর্যন্ত চলে গেছে।

সংসদ ভবনের পাশের তালুকদার পাম্পের সামনে গাড়ির লাইন জিয়া উদ্যান এলাকার লেকের কোণা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। আসাদ গেটের একটি পাম্পে গাড়ির লাইন প্রিপারেটরি স্কুল পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়ায়। শাহবাগের মেঘমা পাম্পের সামনে লাইনের শেষ প্রান্ত পৌঁছে যায় পিজি হাসপাতাল পর্যন্ত।

অনেক জায়গায় এই লাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় এক মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। বেশিরভাগ পাম্পেই আলাদা করে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের জন্য দুটি লাইন দেখা গেছে।

আতঙ্কে বাড়তি তেল কেনা

পাম্প সংশ্লিষ্টদের মতে, গুজব ও আশঙ্কার কারণে গত দুই দিনে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি তেল বিক্রি হয়েছে। ফলে অনেক ফিলিং স্টেশনের মজুত দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি নাজমুল হক বলেন, আতঙ্কের কারণে অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল নিয়েছেন। এর ফলে অনেক পাম্পেই দ্রুত মজুত শেষ হয়ে যায়।

আশ্বাসের আড়ালে হাহাকার: ঢাকার পাম্পে তালা

সরকারি ছুটিতে সরবরাহ বন্ধ

তিনি আরও জানান, সাধারণত শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটির দিনে তেলবাহী গাড়ি চলাচল করে না এবং পাম্পে তেল সরবরাহও দেওয়া হয় না। তবে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে সেচ মৌসুমের কারণে এই নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হয়।

তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিয়ম শিথিল না করায় পাম্প মালিকরা সমস্যায় পড়েছেন।

রমনা পেট্রোল পাম্পের মালিক নাজমুল হক বলেন, অনেক গ্রাহক মনে করছেন ইচ্ছাকৃতভাবে তেল দেওয়া হচ্ছে না। অথচ শনিবার দুপুর ২টা ৩৯ মিনিটেই তাদের পাম্পে তেল শেষ হয়ে যায়। এতে অনেক গ্রাহক ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।

পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন যে পাম্পে সত্যিই তেল নেই। তিনি জানান, সকাল থেকেই তারা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন যে তেল দ্রুত শেষ হয়ে যাবে এবং জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

সরকারের বক্তব্য

এ বিষয়ে জ্বালানি সচিব ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাজধানীর কয়েকটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। অস্থির হওয়ার কোনও কারণ নেই। গুজবে কান না দিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল মজুত না করার জন্য তিনি সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দেন।

লোকবল নেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন

একই দিন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনও জানায়, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে গুজব বা নেতিবাচক প্রচারণায় প্রভাবিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তেল বিক্রিতে নির্দিষ্ট সীমা

বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং প্রাইভেটকার সর্বোচ্চ ১০ লিটার পর্যন্ত অকটেন বা পেট্রোল নিতে পারবে।

প্রাইভেটকার, জিপ ও মাইক্রোবাস একবারে ২০ থেকে ২৫ লিটার পর্যন্ত তেল নিতে পারবে। মিনিবাস ও লোকাল বাস ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ১০০ থেকে ১২০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল নিতে পারবে।

সাময়িক সংকটের কারণ

সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ঘিরে তৈরি হওয়া গুজব ও আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা এবং সরকারি ছুটির কারণে শনিবার ডিপো থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় রাজধানীর অনেক ফিলিং স্টেশনে সাময়িকভাবে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে: সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য হাহাকার, ডিপো থেকে সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগ

০৭:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি বা দাম বাড়তে পারে— এমন আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গত কয়েকদিন ধরে ভিড় করছেন ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চালকরা। টানা কয়েকদিন ধরে তেল নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেকে। পাম্প মালিকদের অভিযোগ, সরকারি ছুটির কারণে ডিপো থেকে তেল সরবরাহ না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

রাজধানীতে তেলের খোঁজে ভোগান্তি

রাজধানীর বনানীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সালেহ আক্তার জানান, আগের দিন কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তিনি তেল পাননি। তাই শনিবার সকালেই বের হয়েছিলেন তেল নেওয়ার জন্য। কিন্তু সকাল থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত কয়েকটি পাম্প ঘুরেও তেল পাননি।

তার ভাষায়, সবাই বলছে গত দুই দিনে অতিরিক্ত তেল তোলার কারণে অনেক পাম্পে মজুত শেষ হয়ে গেছে। সরকার বলছে দেশে পর্যাপ্ত মজুত আছে, কিন্তু বাস্তবে পাম্পে গিয়ে তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

শুধু সালেহ আক্তার নন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়েছেন আরও অনেক চালক। কেউ কেউ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত তেল না পেয়ে ফিরে গেছেন।

ফিলিং স্টেশনগুলোতে হাহাকার, ডিপো থেকে তেল না পাওয়ার অভিযোগ মালিকদের

দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা

রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার কোথাও গাড়ির দীর্ঘ সারি পাম্পের সীমানা ছাড়িয়ে মূল সড়ক পর্যন্ত চলে গেছে।

সংসদ ভবনের পাশের তালুকদার পাম্পের সামনে গাড়ির লাইন জিয়া উদ্যান এলাকার লেকের কোণা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। আসাদ গেটের একটি পাম্পে গাড়ির লাইন প্রিপারেটরি স্কুল পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়ায়। শাহবাগের মেঘমা পাম্পের সামনে লাইনের শেষ প্রান্ত পৌঁছে যায় পিজি হাসপাতাল পর্যন্ত।

অনেক জায়গায় এই লাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় এক মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। বেশিরভাগ পাম্পেই আলাদা করে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের জন্য দুটি লাইন দেখা গেছে।

আতঙ্কে বাড়তি তেল কেনা

পাম্প সংশ্লিষ্টদের মতে, গুজব ও আশঙ্কার কারণে গত দুই দিনে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি তেল বিক্রি হয়েছে। ফলে অনেক ফিলিং স্টেশনের মজুত দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি নাজমুল হক বলেন, আতঙ্কের কারণে অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল নিয়েছেন। এর ফলে অনেক পাম্পেই দ্রুত মজুত শেষ হয়ে যায়।

আশ্বাসের আড়ালে হাহাকার: ঢাকার পাম্পে তালা

সরকারি ছুটিতে সরবরাহ বন্ধ

তিনি আরও জানান, সাধারণত শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটির দিনে তেলবাহী গাড়ি চলাচল করে না এবং পাম্পে তেল সরবরাহও দেওয়া হয় না। তবে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে সেচ মৌসুমের কারণে এই নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হয়।

তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিয়ম শিথিল না করায় পাম্প মালিকরা সমস্যায় পড়েছেন।

রমনা পেট্রোল পাম্পের মালিক নাজমুল হক বলেন, অনেক গ্রাহক মনে করছেন ইচ্ছাকৃতভাবে তেল দেওয়া হচ্ছে না। অথচ শনিবার দুপুর ২টা ৩৯ মিনিটেই তাদের পাম্পে তেল শেষ হয়ে যায়। এতে অনেক গ্রাহক ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।

পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন যে পাম্পে সত্যিই তেল নেই। তিনি জানান, সকাল থেকেই তারা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন যে তেল দ্রুত শেষ হয়ে যাবে এবং জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

সরকারের বক্তব্য

এ বিষয়ে জ্বালানি সচিব ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাজধানীর কয়েকটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। অস্থির হওয়ার কোনও কারণ নেই। গুজবে কান না দিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল মজুত না করার জন্য তিনি সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দেন।

লোকবল নেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন

একই দিন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনও জানায়, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে গুজব বা নেতিবাচক প্রচারণায় প্রভাবিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তেল বিক্রিতে নির্দিষ্ট সীমা

বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং প্রাইভেটকার সর্বোচ্চ ১০ লিটার পর্যন্ত অকটেন বা পেট্রোল নিতে পারবে।

প্রাইভেটকার, জিপ ও মাইক্রোবাস একবারে ২০ থেকে ২৫ লিটার পর্যন্ত তেল নিতে পারবে। মিনিবাস ও লোকাল বাস ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ১০০ থেকে ১২০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল নিতে পারবে।

সাময়িক সংকটের কারণ

সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ঘিরে তৈরি হওয়া গুজব ও আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা এবং সরকারি ছুটির কারণে শনিবার ডিপো থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় রাজধানীর অনেক ফিলিং স্টেশনে সাময়িকভাবে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।