০৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ইরান যুদ্ধে বেসামরিক ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ পোপ লিওর তেলের বাজারে অস্থিরতা: ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার সুপারিশ আইইএর ইরানে নতুন করে ‘ব্যাপক হামলা’ শুরু করেছে ইসরাইল, একই সঙ্গে বৈরুতেও আঘাত ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত প্রয়োজন হলে সৌদি আরবের পাশে থাকবে পাকিস্তান ইরানি ড্রোনের আঘাতে দুবাইতে ১ বাংলাদেশিসহ ৪ জন নিহত পেট্রোল পাম্পে নিরাপত্তা না দিলে ব্যবসা বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের উত্তর বাড্ডায় দেয়াল ধসে খেলতে থাকা দুই শিশুর মৃত্যু অর্থনীতি রক্ষায় আগাম নীতি নেওয়ার আহ্বান ডি সিসি আইয়ের শফিকুর রহমান সম্মতি দিলে জামায়াতের চিঠি প্রকাশে প্রস্তুত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

কুমিল্লায় মন্দিরে হাতবোমা হামলা: পুরোহিতসহ তিনজন আহত, আতঙ্কে এলাকা

কুমিল্লা নগরীর একটি মন্দিরে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পুরোহিতসহ তিনজন আহত হয়েছেন। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় হামলাকারীরা পাশের একটি মসজিদের সামনেও আরও দুটি হাতবোমা নিক্ষেপ করে। এতে দুইজন মুসল্লিও আহত হন। ঘটনাটি ঘিরে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশাসন ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

পূজার সময় হামলা

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার কালীগাছতলা মন্দিরে শনি পূজা চলছিল। সেই সময় তিনজন ব্যক্তি মন্দিরের মণ্ডপে হাতবোমা নিক্ষেপ করে।

বোমা ছোড়ার পর পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী সেটি লাঠি দিয়ে সরিয়ে দিতে গেলে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। বিস্ফোরণের শব্দে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

পালানোর সময় মসজিদের সামনে বিস্ফোরণ

মন্দিরে হামলার পর হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পালানোর সময় তারা পাশের বাগানবাড়ি মসজিদের সামনে দুটি হাতবোমা নিক্ষেপ করে।

এই বিস্ফোরণে নামাজ পড়তে যাওয়া আবদুল বারেকসহ দুইজন মুসল্লি আহত হন। আহতদের কুমিল্লা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

কুমিল্লায় মন্দিরে হাতবোমা বিস্ফোরণ, পুরোহিতসহ আহত ৩

ঘটনাস্থলে প্রশাসনের উপস্থিতি

ঘটনার খবর পাওয়ার পর রাতেই জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। মন্দিরের সামনে হামলাকারীরা একটি সাদা ব্যাগ রেখে যায়, যা নিরাপত্তার কারণে পানিতে ভিজিয়ে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

তদন্তে নামছে বিশেষ দল

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সহায়তায় উদ্ধার হওয়া ব্যাগটি খোলা হবে। এর ভেতরে কী আছে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। পাশাপাশি রাজধানী থেকে অভিজ্ঞ একটি দল এসে পুরো ঘটনার তদন্তে সহায়তা করবে।

অশান্তি তৈরির আশঙ্কা

প্রশাসনের ধারণা, নির্বাচনের পর কুমিল্লার পরিবেশ অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এই হামলা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে বেসামরিক ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ পোপ লিওর

কুমিল্লায় মন্দিরে হাতবোমা হামলা: পুরোহিতসহ তিনজন আহত, আতঙ্কে এলাকা

০২:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লা নগরীর একটি মন্দিরে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পুরোহিতসহ তিনজন আহত হয়েছেন। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় হামলাকারীরা পাশের একটি মসজিদের সামনেও আরও দুটি হাতবোমা নিক্ষেপ করে। এতে দুইজন মুসল্লিও আহত হন। ঘটনাটি ঘিরে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশাসন ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

পূজার সময় হামলা

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার কালীগাছতলা মন্দিরে শনি পূজা চলছিল। সেই সময় তিনজন ব্যক্তি মন্দিরের মণ্ডপে হাতবোমা নিক্ষেপ করে।

বোমা ছোড়ার পর পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী সেটি লাঠি দিয়ে সরিয়ে দিতে গেলে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। বিস্ফোরণের শব্দে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

পালানোর সময় মসজিদের সামনে বিস্ফোরণ

মন্দিরে হামলার পর হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পালানোর সময় তারা পাশের বাগানবাড়ি মসজিদের সামনে দুটি হাতবোমা নিক্ষেপ করে।

এই বিস্ফোরণে নামাজ পড়তে যাওয়া আবদুল বারেকসহ দুইজন মুসল্লি আহত হন। আহতদের কুমিল্লা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

কুমিল্লায় মন্দিরে হাতবোমা বিস্ফোরণ, পুরোহিতসহ আহত ৩

ঘটনাস্থলে প্রশাসনের উপস্থিতি

ঘটনার খবর পাওয়ার পর রাতেই জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। মন্দিরের সামনে হামলাকারীরা একটি সাদা ব্যাগ রেখে যায়, যা নিরাপত্তার কারণে পানিতে ভিজিয়ে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

তদন্তে নামছে বিশেষ দল

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সহায়তায় উদ্ধার হওয়া ব্যাগটি খোলা হবে। এর ভেতরে কী আছে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। পাশাপাশি রাজধানী থেকে অভিজ্ঞ একটি দল এসে পুরো ঘটনার তদন্তে সহায়তা করবে।

অশান্তি তৈরির আশঙ্কা

প্রশাসনের ধারণা, নির্বাচনের পর কুমিল্লার পরিবেশ অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এই হামলা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।