০৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
ইতিবাচক ধারায় সপ্তাহ শেষ করল ডিএসই ও সিএসই সূচক মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দম্পতির মৃত্যু বাগেরহাটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: একই পরিবারের ১০ জনসহ নিহত ১২ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে সৌদি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধ ভারতের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে: সতর্ক করলেন রাহুল গান্ধী ইসরায়েলের হামলা বন্ধের আহ্বান তুরস্কের তেলবাহী জাহাজকে এখনই নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত নয় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রথম বার্তা শিগগির প্রকাশ পাটুরিয়ায় নদীতে পড়া তেলবাহী ট্রাক উদ্ধার অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন

বাড়তি তেল কেনায় মজুতে চাপ, চাহিদা বেড়ে প্রতিদিনই বাড়ছে বিক্রি

রমজান ঘিরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেল নিয়ে কাড়াকাড়ির খবর পাওয়া যাচ্ছে। অনেক জায়গায় চালক ও সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুত করছেন। এতে বাজারে চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বলছে, দেশে এখনো জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবুও হঠাৎ করে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতার কারণে বাজারে অস্থিরতার অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

2 BPC officials made OSD over negligence in fuel management | The Business  Standard

চাহিদা বেড়ে বিক্রি বাড়ছে

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর জ্বালানি তেলের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ হাজার লিটার ডিজেল বিক্রি হয়েছিল।

অন্যদিকে চলতি মাসের ১ থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৭ হাজার ৮৯৯ লিটার ডিজেল বিক্রি হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬ টন ডিজেল বেশি বিক্রি হচ্ছে।

শুধু ডিজেল নয়, অন্যান্য জ্বালানির ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। প্রতিদিন গড়ে অকটেন বিক্রি বেড়েছে প্রায় ৩৭৭ টন এবং পেট্রোল বিক্রি বেড়েছে প্রায় ৩৫২ টন।

মজুত পরিস্থিতি কী বলছে

এপ্রিলেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম

বিপিসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের মজুত এখনো রয়েছে এবং তা দিয়ে ১৩ থেকে ৭১ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

বর্তমানে দেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টন ডিজেল মজুত রয়েছে। এই পরিমাণ ডিজেল দিয়ে প্রায় ১৩ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

এ ছাড়া অকটেনের মজুত রয়েছে প্রায় ২৩ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় ২৫ দিন সরবরাহ চালানো যাবে। পেট্রোলের মজুত রয়েছে প্রায় ১৮ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় ১৭ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

পরিস্থিতির সারসংক্ষেপ

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে আতঙ্ক বা অনিশ্চয়তার কারণে মানুষ অতিরিক্ত তেল কিনে রাখলে সাময়িকভাবে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। তবে সরকারি তথ্য অনুযায়ী দেশে এখনো জ্বালানি তেলের উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিবাচক ধারায় সপ্তাহ শেষ করল ডিএসই ও সিএসই সূচক

বাড়তি তেল কেনায় মজুতে চাপ, চাহিদা বেড়ে প্রতিদিনই বাড়ছে বিক্রি

০৩:২৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

রমজান ঘিরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেল নিয়ে কাড়াকাড়ির খবর পাওয়া যাচ্ছে। অনেক জায়গায় চালক ও সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুত করছেন। এতে বাজারে চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বলছে, দেশে এখনো জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবুও হঠাৎ করে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতার কারণে বাজারে অস্থিরতার অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

2 BPC officials made OSD over negligence in fuel management | The Business  Standard

চাহিদা বেড়ে বিক্রি বাড়ছে

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর জ্বালানি তেলের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ হাজার লিটার ডিজেল বিক্রি হয়েছিল।

অন্যদিকে চলতি মাসের ১ থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৭ হাজার ৮৯৯ লিটার ডিজেল বিক্রি হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬ টন ডিজেল বেশি বিক্রি হচ্ছে।

শুধু ডিজেল নয়, অন্যান্য জ্বালানির ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। প্রতিদিন গড়ে অকটেন বিক্রি বেড়েছে প্রায় ৩৭৭ টন এবং পেট্রোল বিক্রি বেড়েছে প্রায় ৩৫২ টন।

মজুত পরিস্থিতি কী বলছে

এপ্রিলেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম

বিপিসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের মজুত এখনো রয়েছে এবং তা দিয়ে ১৩ থেকে ৭১ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

বর্তমানে দেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টন ডিজেল মজুত রয়েছে। এই পরিমাণ ডিজেল দিয়ে প্রায় ১৩ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

এ ছাড়া অকটেনের মজুত রয়েছে প্রায় ২৩ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় ২৫ দিন সরবরাহ চালানো যাবে। পেট্রোলের মজুত রয়েছে প্রায় ১৮ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় ১৭ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

পরিস্থিতির সারসংক্ষেপ

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে আতঙ্ক বা অনিশ্চয়তার কারণে মানুষ অতিরিক্ত তেল কিনে রাখলে সাময়িকভাবে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। তবে সরকারি তথ্য অনুযায়ী দেশে এখনো জ্বালানি তেলের উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই আছে।