১১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
 নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি ব্রাইটন অধিনায়ক মেইসি সিমন্ডসের সঙ্গে নতুন চুক্তি নর্ডিক ওয়াকিং: হাঁটলেই মিলবে শরীরের প্রায় সব পেশির ব্যায়াম থাইল্যান্ডে ইতালীয় শিক্ষার্থীদের অসদাচরণে তীব্র ক্ষোভ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইল ইতালির দূতাবাস ৯ ঘণ্টার মধ্যে খাবার খেলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা প্যারিসে তিন নারীকে ছুরিকাঘাত, ‘আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন’ দাবি; তবু সন্ত্রাসবাদ হিসেবে দেখছে না ফ্রান্স প্রবীণদের ভুলে যাচ্ছে সমাজ, বাড়ছে স্মৃতিভ্রংশের ভয়াবহ বোঝা খাবার নিয়ে ‘খেলা’! মৃত মাছকে আঘাত করে টুকরো টুকরো করছে ঘাতক তিমি ট্রান্সজেন্ডার ক্রীড়াবিদদের বিতর্কে আবারও আলোচনায় রেনে রিচার্ডস পাসওয়ার্ড না জেনেও এআইকে দিয়ে লগইন, বাড়ছে সুবিধার সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকি

তেলভিত্তিক বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মজুত ১০ এপ্রিল পর্যন্ত

দেশের তেলভিত্তিক বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মজুত জ্বালানি দিয়ে সর্বোচ্চ আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি ডেভিড এ তথ্য জানান। এ সময় সংগঠনের সাবেক সভাপতি ইমরান করিমও উপস্থিত ছিলেন।

ইউক্রেন থেকে ইরান: যুদ্ধ আবারও তেলের ধাক্কা দিচ্ছে—আরেকটি মূল্যস্ফীতির ঝড়ের জন্য কি প্রস্তুত বাংলাদেশ? | The Business Standard

জ্বালানি মজুতের বর্তমান অবস্থা

সংবাদ সম্মেলনে ইমরান করিম জানান, প্রায় সাত দিন আগ পর্যন্ত বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে মোট প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল মজুত ছিল। তবে এই মজুত সব কেন্দ্রের মধ্যে সমানভাবে নেই।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুই থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই প্রায় ৫৫ হাজার টন তেল রয়েছে। বাকি জ্বালানি তেল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

কোথাও মজুত বেশি, কোথাও কম

ইমরান করিম বলেন, কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্রে তুলনামূলক বেশি জ্বালানি মজুত থাকায় সেখানে হয়তো এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। তবে বেশিরভাগ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি জানান, সামগ্রিক হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে যে জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা দিয়ে সর্বোচ্চ আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা সম্ভব হতে পারে।

বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে যা জানালো 'বিআইপিপিএ'

জনপ্রিয় সংবাদ

 নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি

তেলভিত্তিক বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মজুত ১০ এপ্রিল পর্যন্ত

০৩:৩০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

দেশের তেলভিত্তিক বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মজুত জ্বালানি দিয়ে সর্বোচ্চ আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি ডেভিড এ তথ্য জানান। এ সময় সংগঠনের সাবেক সভাপতি ইমরান করিমও উপস্থিত ছিলেন।

ইউক্রেন থেকে ইরান: যুদ্ধ আবারও তেলের ধাক্কা দিচ্ছে—আরেকটি মূল্যস্ফীতির ঝড়ের জন্য কি প্রস্তুত বাংলাদেশ? | The Business Standard

জ্বালানি মজুতের বর্তমান অবস্থা

সংবাদ সম্মেলনে ইমরান করিম জানান, প্রায় সাত দিন আগ পর্যন্ত বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে মোট প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল মজুত ছিল। তবে এই মজুত সব কেন্দ্রের মধ্যে সমানভাবে নেই।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুই থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই প্রায় ৫৫ হাজার টন তেল রয়েছে। বাকি জ্বালানি তেল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

কোথাও মজুত বেশি, কোথাও কম

ইমরান করিম বলেন, কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্রে তুলনামূলক বেশি জ্বালানি মজুত থাকায় সেখানে হয়তো এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। তবে বেশিরভাগ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি জানান, সামগ্রিক হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে যে জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা দিয়ে সর্বোচ্চ আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা সম্ভব হতে পারে।

বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে যা জানালো 'বিআইপিপিএ'