ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার দশ দিনের বেশি পার হলেও ওয়াশিংটন এখনো স্পষ্টভাবে বলতে পারছে না এই যুদ্ধের শেষ পরিণতি কী হবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস থেকে শুরু করে শর্তহীন আত্মসমর্পণ পর্যন্ত একের পর এক ভিন্ন লক্ষ্যের কথা বলেছেন। তার বিবৃতি বিভ্রান্তি তৈরি করেছে মিত্র দেশগুলোর মধ্যেও।

বিভক্ত বার্তা, বিভ্রান্ত মিত্ররা
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন এটি রেজিম চেঞ্জের যুদ্ধ নয়, বরং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌ শক্তি ধ্বংসই মূল লক্ষ্য। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আরেকটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ট্রাম্প নিজে কখনো বলছেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার কাছাকাছি, কখনো বলছেন আরও তীব্র হবে। ইউরোপীয় কূটনীতিকরা বলছেন তারা জানেন না ওয়াশিংটন আসলে কী চায়।
বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন
লন্ডনের কিংস কলেজের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ আন্দ্রেয়াস ক্রেগ বলেছেন, সামরিক শক্তি একা রাজনৈতিক সমাধান দিতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের হার্ডওয়ার ধ্বংস করতে পারলেও বিকল্প রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি করা বিমান হামলা দিয়ে সম্ভব নয়। এদিকে ইরানের নতুন নেতৃত্ব আলোচনায় বসার কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছে না, বরং প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার সংকেত দিচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















