জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা ও আতঙ্ক কমাতে রাইড শেয়ারিং সেবায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের জন্য নতুন সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। মহানগর এলাকায় প্রতিটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ পাঁচ লিটার অকটেন বা পেট্রোল নিতে পারবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলে জ্বালানি সরবরাহে সীমা
জ্বালানি বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা ও সম্ভাব্য আতঙ্ক ঠেকাতে রাইড শেয়ারিং সেবায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। সংস্থাটি জানিয়েছে, মহানগর এলাকায় রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলগুলো প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সংগ্রহ করতে পারবে।
এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো বাজারে অযৌক্তিক মজুত বা অতিরিক্ত কেনাকাটা কমিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা।

রসিদ সংরক্ষণ ও চালকের তথ্য যাচাই
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, জ্বালানি নেওয়ার সময় অবশ্যই রসিদ সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে চালকের পরিচয় ও তথ্য যাচাই করেও জ্বালানি সরবরাহ করতে হবে।
বিপিসি মনে করছে, এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং রাইড শেয়ারিং সেবার মোটরসাইকেলগুলো সঠিকভাবে শনাক্ত করা সহজ হবে।
বাজার স্থিতিশীল রাখতে উদ্যোগ
জ্বালানি সরবরাহে নতুন এই সীমা আরোপের মাধ্যমে বাজারে অযথা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো এবং জ্বালানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই নির্দেশনা কার্যকর হলে মহানগর এলাকায় জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল থাকবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















