১১:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঝলমলে শিল্পে আত্মভালোবাসার বার্তা দিচ্ছেন সারা শাকিল শতায়ু বাবা-মায়ের সন্তানদের আয়ু ও সুস্বাস্থ্যের সম্ভাবনা বেশি শিক্ষিত, দক্ষ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণদেরই ফাঁদে ফেলছে মানবপাচারকারীরা পাকিস্তান-রাশিয়া সম্পর্ক: অবহেলিত হলেও কেন বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ-তিনগুণ, সুযোগ নিয়ে থাকছে প্রশ্ন গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন তথ্য, জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে হচ্ছে না কারওয়ান বাজারে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন।

বকেয়া পরিশোধ নিয়ে বৈঠক
ফার্নেস অয়েলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকদের কাছে সরকারের বিপুল পরিমাণ বকেয়া জমে আছে। এই অর্থ পরিশোধ নিয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে মূল আলোচ্য ছিল বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা।

মার্চ পর্যন্ত ফার্নেস অয়েল মজুত, দেশে তেলের দাম নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ
বৈঠকে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকেরা জানান, সামনে গ্রীষ্মকাল হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। এই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে হলে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বকেয়া অর্থ না পেলে জ্বালানি কেনা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের দাবি
সংগঠনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখতে দ্রুত অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধ করা জরুরি। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনও স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

 

মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট আশ্বাস নেই
তবে বৈঠকে বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝলমলে শিল্পে আত্মভালোবাসার বার্তা দিচ্ছেন সারা শাকিল

বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

১২:৩২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন।

বকেয়া পরিশোধ নিয়ে বৈঠক
ফার্নেস অয়েলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকদের কাছে সরকারের বিপুল পরিমাণ বকেয়া জমে আছে। এই অর্থ পরিশোধ নিয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে মূল আলোচ্য ছিল বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা।

মার্চ পর্যন্ত ফার্নেস অয়েল মজুত, দেশে তেলের দাম নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ
বৈঠকে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকেরা জানান, সামনে গ্রীষ্মকাল হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। এই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে হলে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বকেয়া অর্থ না পেলে জ্বালানি কেনা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের দাবি
সংগঠনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখতে দ্রুত অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধ করা জরুরি। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনও স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

 

মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট আশ্বাস নেই
তবে বৈঠকে বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।