০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদায় উড়ছে সিঙ্গাপুরের কারখানা উৎপাদন, টানা নয় মাস প্রবৃদ্ধি নামমাত্র পরিচালক হয়ে বিপাকে সিঙ্গাপুরের নারী, চাকরি হারিয়ে এখনও ১৫ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক! নতুন শ্রবণ পরীক্ষা বুথে অপেক্ষার সময় অর্ধেক, দ্রুত সেবা পাচ্ছেন রোগীরা সিঙ্গাপুরে দুই মসজিদের সাবেক চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড, ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দিতে দুর্নীতির প্রমাণ এয়ারএশিয়ার বড় সিদ্ধান্ত: ১ জুলাই থেকে বন্ধ সিঙ্গাপুর-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট, বাড়বে যাত্রার সময় স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দিতে বহু কৌশল বিএনপির নেশার বিরুদ্ধে বড় অভিযান: ৬৮০ মিলিয়ন ডলারের মাদক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করল মিয়ানমার পেন্টাগনের নতুন নীতি: যুদ্ধক্ষেত্রে লক্ষ্য নির্ধারণে বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা ইসরায়েল-লেবানন সমঝোতার পথে নতুন উদ্যোগ, দক্ষিণ লেবাননে ‘হিজবুল্লাহমুক্ত অঞ্চল’ নিয়ে আলোচনা

বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন।

বকেয়া পরিশোধ নিয়ে বৈঠক
ফার্নেস অয়েলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকদের কাছে সরকারের বিপুল পরিমাণ বকেয়া জমে আছে। এই অর্থ পরিশোধ নিয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে মূল আলোচ্য ছিল বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা।

মার্চ পর্যন্ত ফার্নেস অয়েল মজুত, দেশে তেলের দাম নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ
বৈঠকে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকেরা জানান, সামনে গ্রীষ্মকাল হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। এই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে হলে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বকেয়া অর্থ না পেলে জ্বালানি কেনা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের দাবি
সংগঠনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখতে দ্রুত অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধ করা জরুরি। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনও স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

 

মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট আশ্বাস নেই
তবে বৈঠকে বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা

বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

১২:৩২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন।

বকেয়া পরিশোধ নিয়ে বৈঠক
ফার্নেস অয়েলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকদের কাছে সরকারের বিপুল পরিমাণ বকেয়া জমে আছে। এই অর্থ পরিশোধ নিয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে মূল আলোচ্য ছিল বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা।

মার্চ পর্যন্ত ফার্নেস অয়েল মজুত, দেশে তেলের দাম নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ
বৈঠকে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকেরা জানান, সামনে গ্রীষ্মকাল হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। এই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে হলে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বকেয়া অর্থ না পেলে জ্বালানি কেনা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের দাবি
সংগঠনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখতে দ্রুত অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধ করা জরুরি। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনও স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

 

মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট আশ্বাস নেই
তবে বৈঠকে বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।