০২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
তালেবান আফগানিস্তানকে ‘অন্যায় আটক প্রশ্রয়দাতা রাষ্ট্র’ ঘোষণা করল যুক্তরাষ্ট্র ঢাকা ওয়াসার নতুন এমডি আমিনুল ইসলাম, এক বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব মগবাজারের আবাসিক হোটেলে যুবকের মরদেহ উদ্ধার স্ত্রী চলে যাওয়ার আঘাত সহ্য করতে না পেরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাজশাহীতে ঈদের আগে অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা: সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান নায়েব ইউসুফের রান্নাঘরে কম্বলের নিচে রক্তাক্ত মরদেহ: খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চার সন্তানের মায়ের রহস্যজনক মৃত্যু লালবাগে নির্মাণাধীন ভবনের পাশে রক্তাক্ত লাশ, রহস্যে ঘেরা বৃদ্ধ মঈনউদ্দিনের মৃত্যু ‘মন্ত্রীর মর্যাদা’ চাওয়ার বিতর্কে উপদেষ্টা অপসারণ, জামায়াতের ব্যাখ্যা মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ডলার বাজারে চাপ, আমদানি এলসিতে ডলার ১২৩ টাকায় ইরান যুদ্ধের ১১ দিনে আহত ১৪০ মার্কিন সেনা, গুরুতর আহত ৮

বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন।

বকেয়া পরিশোধ নিয়ে বৈঠক
ফার্নেস অয়েলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকদের কাছে সরকারের বিপুল পরিমাণ বকেয়া জমে আছে। এই অর্থ পরিশোধ নিয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে মূল আলোচ্য ছিল বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা।

মার্চ পর্যন্ত ফার্নেস অয়েল মজুত, দেশে তেলের দাম নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ
বৈঠকে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকেরা জানান, সামনে গ্রীষ্মকাল হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। এই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে হলে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বকেয়া অর্থ না পেলে জ্বালানি কেনা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের দাবি
সংগঠনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখতে দ্রুত অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধ করা জরুরি। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনও স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

 

মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট আশ্বাস নেই
তবে বৈঠকে বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তালেবান আফগানিস্তানকে ‘অন্যায় আটক প্রশ্রয়দাতা রাষ্ট্র’ ঘোষণা করল যুক্তরাষ্ট্র

বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

১২:৩২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন।

বকেয়া পরিশোধ নিয়ে বৈঠক
ফার্নেস অয়েলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকদের কাছে সরকারের বিপুল পরিমাণ বকেয়া জমে আছে। এই অর্থ পরিশোধ নিয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে মূল আলোচ্য ছিল বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা।

মার্চ পর্যন্ত ফার্নেস অয়েল মজুত, দেশে তেলের দাম নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ
বৈঠকে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকেরা জানান, সামনে গ্রীষ্মকাল হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। এই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে হলে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বকেয়া অর্থ না পেলে জ্বালানি কেনা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের দাবি
সংগঠনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখতে দ্রুত অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধ করা জরুরি। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনও স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

 

মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট আশ্বাস নেই
তবে বৈঠকে বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।