সরকারের বারবার সাশ্রয়ী আহ্বান সত্ত্বেও ঢাকার শপিং মল ও বাণিজ্যিক
প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আকর্ষণীয় ও বিশাল আলোকসজ্জা চালু রেখেছে, যা
অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ অপচয় নিয়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার
পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সকলকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী আচরণ অনুসরণের নির্দেশ
দিয়েছে। প্রাকৃতিক আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার, অপ্রয়োজনীয় আলো বন্ধ রাখা
এবং এয়ার কন্ডিশনার ২৫ ডিগ্রিতে রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে ঢাকার
বেশিরভাগ শপিং মল এই নির্দেশনা উপেক্ষা করে সন্ধ্যায়ও পুরোদমে আলোকসজ্জা
ব্যবহার করছে।
সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষিত
সরকার ইতোমধ্যে স্বাধীনতা দিবস ও ঈদের সরকারি আলোকসজ্জা বাতিল করেছে এবং
শপিং মলগুলোকে তাদের ঝলমলে ডিসপ্লে বন্ধ রাখতে বলেছে। কিন্তু ব্যবহারিক
বাস্তবতায় এ নির্দেশ মেনে চলা হচ্ছে না। ঢাকা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে
বিশেষজ্ঞ ড. বদরূল ইমাম বলেছেন, শুধু বিধিনিষেধ জারি করলেই হবে না,
জনসচেতনতা তৈরি করাটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

কঠোর পদক্ষেপের দাবি
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মনিটরিং ও জরিমানার ব্যবস্থা ছাড়া শুধু
আহ্বান দিয়ে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বাধ্য করা যাবে
না। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের হিসাব অনুযায়ী ২৫ শতাংশ জ্বালানি
সাশ্রয় করা গেলে দেশের কাছে ১৪ দিনের ডিজেলের মজুদ নিশ্চিত করা সম্ভব
হবে। তাই অপচয় বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ এখন জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে
পরিণত হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















