ঢাকার ধামরাইয়ে গ্যাস লাইন লিকের কারণে সৃষ্ট বিস্ফোরণে একই পরিবারের
চারজন সদস্য দগ্ধ হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে একজন বুধবার সন্ধ্যায়
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহত সুমনা আক্তারের (৪৫)
শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয় বলে
প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান।

ঘটনার বিবরণ ও আহতদের অবস্থা
বুধবার সকালে ধামরাইতে নিজ বাড়িতে গ্যাস লাইন লিক থেকে সৃষ্ট আগুনে
সুমনাসহ পরিবারের চার সদস্য দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। অন্য তিনজন
হলেন সুমনার স্বামী বাদশা মিয়া এবং আরাফাত ও আবু বকর সিদ্দিকী। তারা
যথাক্রমে প্রায় ৩, ২ এবং ২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন এবং হাসপাতালে
পর্যবেক্ষণে আছেন বলে চিকিৎসক জানান। সুমনার ক্ষেত্রে ৯৫ শতাংশ পুড়ে
যাওয়ায় তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় ছিলই না।

বাংলাদেশে গ্যাস বিস্ফোরণের ক্রমবর্ধমান ঘটনা
গত কয়েক সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাস লাইন বা গ্যাস সিলিন্ডার
বিস্ফোরণের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। ঢাকার উত্তরা, হাজারীবাগ, মোহাম্মদপুর এবং
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একই ধরনের বিস্ফোরণে আহত ও নিহতের খবর আসছিল।
বিশেষজ্ঞরা পুরনো গ্যাস পাইপলাইনের রক্ষণাবেক্ষণে অবহেলা, নিম্নমানের
সিলিন্ডার ব্যবহার এবং বাসিন্দাদের নিরাপত্তা-সচেতনতার অভাবকে এই
দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন। তিতাস গ্যাস পাইপলাইনের
বার্ধক্যজনিত সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে জনমনে উদ্বেগের বিষয় হয়ে আছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















