০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
 নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি ব্রাইটন অধিনায়ক মেইসি সিমন্ডসের সঙ্গে নতুন চুক্তি নর্ডিক ওয়াকিং: হাঁটলেই মিলবে শরীরের প্রায় সব পেশির ব্যায়াম থাইল্যান্ডে ইতালীয় শিক্ষার্থীদের অসদাচরণে তীব্র ক্ষোভ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইল ইতালির দূতাবাস ৯ ঘণ্টার মধ্যে খাবার খেলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা প্যারিসে তিন নারীকে ছুরিকাঘাত, ‘আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন’ দাবি; তবু সন্ত্রাসবাদ হিসেবে দেখছে না ফ্রান্স প্রবীণদের ভুলে যাচ্ছে সমাজ, বাড়ছে স্মৃতিভ্রংশের ভয়াবহ বোঝা খাবার নিয়ে ‘খেলা’! মৃত মাছকে আঘাত করে টুকরো টুকরো করছে ঘাতক তিমি ট্রান্সজেন্ডার ক্রীড়াবিদদের বিতর্কে আবারও আলোচনায় রেনে রিচার্ডস পাসওয়ার্ড না জেনেও এআইকে দিয়ে লগইন, বাড়ছে সুবিধার সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকি

সংসদের নিম্নমানের হেডফোনে ক্ষোভ, ‘কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা’—বললেন ব্যারিস্টার আরমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মির আহমেদ বিন কাশেম, যিনি ব্যারিস্টার আরমান নামেই বেশি পরিচিত। সংসদ সদস্যদের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হেডফোনের মান এতটাই নিম্নমানের যে সেটি ব্যবহার করতে গিয়ে তার কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে অসন্তোষও জানান এই সংসদ সদস্য।

সংসদের সরঞ্জাম নিয়ে অসন্তোষ
বৃহস্পতিবার অধিবেশনের শেষ দিকে নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি তুলে ধরেন ব্যারিস্টার আরমান। পোস্টে তিনি সংসদে দেওয়া কালো রঙের একটি হেডফোনের ছবি প্রকাশ করেন এবং লিখেছেন, সংসদের জন্য সরবরাহ করা এই হেডফোনের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। সেটি ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা অনুভব করেছেন বলে জানান তিনি।

তার দাবি, হেডফোনটির শব্দের মানও অত্যন্ত খারাপ। এমনকি সংসদের পুরোনো যন্ত্রপাতিগুলোও এর চেয়ে পরিষ্কার শব্দ দিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। পুরো বিষয়টি তাকে হতাশ করেছে বলেও উল্লেখ করেন ব্যারিস্টার আরমান।

সংসদের পুরোনো ডিভাইসও এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত নিশ্চয়ই: ব্যারিস্টার আরমান  - দৈনিক সংগ্রাম

অধিবেশনে মাইকে যান্ত্রিক ত্রুটি
এদিকে একই অধিবেশনে মাইকের শব্দ নিয়েও দেখা দেয় যান্ত্রিক সমস্যা। অধিবেশন চলাকালে হঠাৎ করে শব্দে বিঘ্ন ঘটলে পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রায় বিশ মিনিটের জন্য অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন।

পরে বিরতি শেষে দুপুরের দিকে স্পিকারের সভাপতিত্বে আবারও অধিবেশন শুরু হয়। তবে তখনও মাইকে শব্দ বিভ্রাট থাকায় কিছু সময় স্পিকারকে হাতে ধরা মাইক্রোফোন ব্যবহার করে অধিবেশন পরিচালনা করতে দেখা যায়।

এই ঘটনায় সংসদের প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মান এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

 নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি

সংসদের নিম্নমানের হেডফোনে ক্ষোভ, ‘কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা’—বললেন ব্যারিস্টার আরমান

০৩:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মির আহমেদ বিন কাশেম, যিনি ব্যারিস্টার আরমান নামেই বেশি পরিচিত। সংসদ সদস্যদের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হেডফোনের মান এতটাই নিম্নমানের যে সেটি ব্যবহার করতে গিয়ে তার কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে অসন্তোষও জানান এই সংসদ সদস্য।

সংসদের সরঞ্জাম নিয়ে অসন্তোষ
বৃহস্পতিবার অধিবেশনের শেষ দিকে নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি তুলে ধরেন ব্যারিস্টার আরমান। পোস্টে তিনি সংসদে দেওয়া কালো রঙের একটি হেডফোনের ছবি প্রকাশ করেন এবং লিখেছেন, সংসদের জন্য সরবরাহ করা এই হেডফোনের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। সেটি ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা অনুভব করেছেন বলে জানান তিনি।

তার দাবি, হেডফোনটির শব্দের মানও অত্যন্ত খারাপ। এমনকি সংসদের পুরোনো যন্ত্রপাতিগুলোও এর চেয়ে পরিষ্কার শব্দ দিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। পুরো বিষয়টি তাকে হতাশ করেছে বলেও উল্লেখ করেন ব্যারিস্টার আরমান।

সংসদের পুরোনো ডিভাইসও এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত নিশ্চয়ই: ব্যারিস্টার আরমান  - দৈনিক সংগ্রাম

অধিবেশনে মাইকে যান্ত্রিক ত্রুটি
এদিকে একই অধিবেশনে মাইকের শব্দ নিয়েও দেখা দেয় যান্ত্রিক সমস্যা। অধিবেশন চলাকালে হঠাৎ করে শব্দে বিঘ্ন ঘটলে পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রায় বিশ মিনিটের জন্য অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন।

পরে বিরতি শেষে দুপুরের দিকে স্পিকারের সভাপতিত্বে আবারও অধিবেশন শুরু হয়। তবে তখনও মাইকে শব্দ বিভ্রাট থাকায় কিছু সময় স্পিকারকে হাতে ধরা মাইক্রোফোন ব্যবহার করে অধিবেশন পরিচালনা করতে দেখা যায়।

এই ঘটনায় সংসদের প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মান এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।