ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলের আকাশে একটি মার্কিন সামরিক জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক পরিস্থিতিকে আলোচনায় এনে দিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে। ঘটনাটি সংঘর্ষ বা শত্রুপক্ষের গুলির কারণে ঘটেনি বলে দাবি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান
মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড জানিয়েছে, একটি জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান আকাশে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়। একই ঘটনায় জড়িত আরেকটি বিমান নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।
সামরিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে বন্ধুসুলভ আকাশসীমায় একটি চলমান সামরিক অভিযানের সময়। বিধ্বস্ত বিমানে সর্বোচ্চ ছয়জন সামরিক সদস্য থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধারে দ্রুত অভিযান শুরু করা হয়েছে।
ইরান ঘিরে সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপট
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার পর যুক্তরাষ্ট্র বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করেছে। চলমান অভিযানের মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটায় ঝুঁকির বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।
মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পর ইরানকে ঘিরে সংঘাত তীব্র হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে হাজার হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
দায় স্বীকারের দাবি
ইরান সমর্থিত একটি সশস্ত্র জোট দাবি করেছে, তারাই ওই বিমান ভূপাতিত করেছে। তাদের বক্তব্য, দেশের সার্বভৌমত্ব ও আকাশসীমা রক্ষার অংশ হিসেবে তারা এই হামলা চালিয়েছে।
তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী বলছে, ঘটনাটি শত্রুপক্ষের হামলা বা বন্ধুসেনার গুলির ফল নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

গুরুত্বপূর্ণ সামরিক বিমান
বিধ্বস্ত বিমানটি ছিল দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত একটি জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান। এই ধরনের বিমান আকাশেই যুদ্ধবিমানকে জ্বালানি সরবরাহ করে, ফলে যুদ্ধবিমানকে মাটিতে অবতরণ না করেই দীর্ঘ সময় অভিযান চালাতে সাহায্য করে।
চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। একই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য হতাহত হওয়ার খবরও সামনে এসেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















