ঈদুল ফিতরকে ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টানা সাত দিনের ছুটি, আর সেই সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলো থেকে মানুষের গ্রামে ফেরার ঢল নেমেছে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে লাখো মানুষ এখন ছুটছেন নিজ নিজ জন্মভূমির পথে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই ছুটিতে দেশের সামগ্রিক জীবনযাত্রায় এসেছে উৎসবের আমেজ ও ভিন্ন এক ছন্দ।
ছুটি শুরু, কর্মব্যস্ত শহর ফাঁকা
সরকারি দপ্তর, আদালত এবং অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই সময় বন্ধ থাকায় রাজধানীর ব্যস্ততা দ্রুত কমে এসেছে। সোমবার ছিল ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস। এরপর থেকেই অফিসপাড়া ফাঁকা হতে শুরু করে এবং পরিবহন টার্মিনালগুলোতে বাড়তে থাকে যাত্রীচাপ। ঢাকার রাস্তায় যানজট কমলেও বাস, ট্রেন ও লঞ্চঘাটে দেখা যাচ্ছে উপচে পড়া ভিড়।

ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ও প্রস্তুতি
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে মার্চের ২০ অথবা ২১ তারিখে। সেই হিসেবেই চলছে সব প্রস্তুতি। পরিবারকেন্দ্রিক এই উৎসবকে ঘিরে বাজারে কেনাকাটার শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে বাড়ি ফেরার তাড়না।
অতিরিক্ত ছুটি, ভ্রমণে স্বস্তির চেষ্টা
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার ১৮ মার্চকেও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এর ফলে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি নিশ্চিত হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পর কর্মজীবী মানুষ স্বস্তির সঙ্গে বাড়ি ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন। এতে যাতায়াতে চাপ কিছুটা ভাগ হয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
দেশজুড়ে উৎসবের আবহ
সব মিলিয়ে ঈদকে ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। শহর ছেড়ে গ্রামে ফেরার এই বার্ষিক যাত্রা যেন এক অনন্য সামাজিক দৃশ্য, যেখানে মিলেমিশে আছে আনন্দ, আবেগ ও প্রত্যাশা। নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















