০১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় এক পরিবারের চারজনসহ নিহত পাঁচ নাটোরে পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু বাণিজ্যে নতুন দিগন্তে বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় ঢাকাকে আঞ্চলিক কেন্দ্র করার উদ্যোগ ভল্ট ভেঙে ফিরছে বঙ্গবন্ধুর নোট: নগদ সংকটে নীতিপরিবর্তনে বাংলাদেশ ব্যাংক জ্বালানি আমদানির ব্যয় ৪৮০ কোটি ডলার বাড়ার আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নতুন চাপ কুমিল্লার মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: মা-বাবা-ভাই-বোন হারিয়ে বাকরুদ্ধ ছোট্ট আবরার বিয়ের সাড়ে তিন মাসেই নিভে গেল দুই প্রাণ, পাশাপাশি চিরনিদ্রায় সৌম্য-অন্তী ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় সারাবিশ্বে সার সংকট, খাদ্য উৎপাদনে বড় ঝুঁকি ট্রাম্পের ঘোষণার পর শেয়ারবাজারে ধস, তেলের দামে উত্থান—যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা: জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ ও ‘নিরাপদ পথের’ ফি নিচ্ছে ইরান

‘কিভাবে যে বের হইছি, উপরওয়ালা জানে’ বাসডুবির বেঁচে যাওয়া যাত্রী

  • Sarakhon Report
  • ১১:০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • 15

“বাস পানিতে পড়ার পর জানালা ধরে বের হওয়ার চেষ্টা করছিলাম। বাসের ভেতরে নিচের দিক থেকে পানি ঢুকে যে স্রোত তৈরি হইছে তার সাথেই আমি ভেসে যাই। কিভাবে যে বের হইছি, উপরওয়ালা জানে।”

এভাবেই বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাস থেকে বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের একজন মোহাম্মদ রাজীব সরদার।

গোয়ালন্দের জামলতা এলাকা থেকে দুর্ঘটনা কবলিত বাসটিতে উঠেছিলেন তিনি। বসেছিলেন বাসের একেবারে পেছনের দিকের একটি আসনে।

দুর্ঘটনা কবলিত বাসটির সব আসনেই যাত্রী ছিল বলে জানান মি. সরদার। দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট, অর্থাৎ যেখানে যানবাহনগুলো ফেরির জন্য অপেক্ষা করে, সেখান থেকেও দুইজন যাত্রী ওই বাসে উঠেছিলেন।

তিনি জানান, ফেরিতে উঠতে গিয়ে শেষ মুহূর্তে জায়গা না পাওয়ায় পন্টুনের সামনেই পরবর্তী ফেরির জন্য অপেক্ষা করছিল কুমারখালি থেকে ঢাকাগামী বাসটি। জানালা দিয়ে পরের ফেরিটি ঘাটেও ভিড়তে দেখেছিলেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় এক পরিবারের চারজনসহ নিহত পাঁচ

‘কিভাবে যে বের হইছি, উপরওয়ালা জানে’ বাসডুবির বেঁচে যাওয়া যাত্রী

১১:০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

“বাস পানিতে পড়ার পর জানালা ধরে বের হওয়ার চেষ্টা করছিলাম। বাসের ভেতরে নিচের দিক থেকে পানি ঢুকে যে স্রোত তৈরি হইছে তার সাথেই আমি ভেসে যাই। কিভাবে যে বের হইছি, উপরওয়ালা জানে।”

এভাবেই বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাস থেকে বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের একজন মোহাম্মদ রাজীব সরদার।

গোয়ালন্দের জামলতা এলাকা থেকে দুর্ঘটনা কবলিত বাসটিতে উঠেছিলেন তিনি। বসেছিলেন বাসের একেবারে পেছনের দিকের একটি আসনে।

দুর্ঘটনা কবলিত বাসটির সব আসনেই যাত্রী ছিল বলে জানান মি. সরদার। দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট, অর্থাৎ যেখানে যানবাহনগুলো ফেরির জন্য অপেক্ষা করে, সেখান থেকেও দুইজন যাত্রী ওই বাসে উঠেছিলেন।

তিনি জানান, ফেরিতে উঠতে গিয়ে শেষ মুহূর্তে জায়গা না পাওয়ায় পন্টুনের সামনেই পরবর্তী ফেরির জন্য অপেক্ষা করছিল কুমারখালি থেকে ঢাকাগামী বাসটি। জানালা দিয়ে পরের ফেরিটি ঘাটেও ভিড়তে দেখেছিলেন তিনি।