০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
উপসাগরের অমিল: ইরান যুদ্ধ দেখিয়ে দিল আরব ঐক্যের সীমাবদ্ধতা  নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি ব্রাইটন অধিনায়ক মেইসি সিমন্ডসের সঙ্গে নতুন চুক্তি নর্ডিক ওয়াকিং: হাঁটলেই মিলবে শরীরের প্রায় সব পেশির ব্যায়াম থাইল্যান্ডে ইতালীয় শিক্ষার্থীদের অসদাচরণে তীব্র ক্ষোভ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইল ইতালির দূতাবাস ৯ ঘণ্টার মধ্যে খাবার খেলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা প্যারিসে তিন নারীকে ছুরিকাঘাত, ‘আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন’ দাবি; তবু সন্ত্রাসবাদ হিসেবে দেখছে না ফ্রান্স প্রবীণদের ভুলে যাচ্ছে সমাজ, বাড়ছে স্মৃতিভ্রংশের ভয়াবহ বোঝা খাবার নিয়ে ‘খেলা’! মৃত মাছকে আঘাত করে টুকরো টুকরো করছে ঘাতক তিমি ট্রান্সজেন্ডার ক্রীড়াবিদদের বিতর্কে আবারও আলোচনায় রেনে রিচার্ডস

সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে নতুন বিতর্ক, জিয়াউর রহমান প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদের বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ

ঢাকা, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে স্বাধীনতার ঘোষক প্রসঙ্গ। জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক’ দাবি করা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তার এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া বাড়ছে।

সংবিধান প্রসঙ্গে সরাসরি অবস্থান
শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি তার বক্তব্যের পক্ষে সংবিধানের নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদের উল্লেখ করেন এবং সংশ্লিষ্ট অংশের ছবিও প্রকাশ করেন।

সংবিধানের ষষ্ঠ তপশিলের ১৫০ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতের পর অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা সংবিধানের লঙ্ঘন: আসিফ মাহমুদ

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও নতুন আলোচনা
আসিফ মাহমুদের এই বক্তব্য প্রকাশের পর বিষয়টি দ্রুত রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। একই পোস্টের মন্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদও প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা আবেগ দিয়ে নয়, সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

এতে স্পষ্ট হয়, স্বাধীনতার ঘোষক প্রসঙ্গটি শুধু ইতিহাসের আলোচনায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং বর্তমান রাজনৈতিক বিতর্কেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

ইতিহাস বনাম সংবিধান বিতর্ক
স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দেশে মতভেদ রয়েছে। তবে সংবিধানের ভাষ্য অনুযায়ী বিষয়টি নির্ধারিত হলেও রাজনৈতিক বক্তব্যে এই বিতর্ক বারবার সামনে আসে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও তীব্র করে এবং ইতিহাসের ব্যাখ্যা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলে।

এই প্রেক্ষাপটে আসিফ মাহমুদের সাম্প্রতিক বক্তব্য আবারও প্রমাণ করেছে, স্বাধীনতার ইতিহাস ও সংবিধান নিয়ে বিতর্ক এখনো দেশের রাজনীতিতে সংবেদনশীল ইস্যু হিসেবেই রয়ে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

উপসাগরের অমিল: ইরান যুদ্ধ দেখিয়ে দিল আরব ঐক্যের সীমাবদ্ধতা

সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে নতুন বিতর্ক, জিয়াউর রহমান প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদের বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ

০৬:১৪:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

ঢাকা, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে স্বাধীনতার ঘোষক প্রসঙ্গ। জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক’ দাবি করা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তার এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া বাড়ছে।

সংবিধান প্রসঙ্গে সরাসরি অবস্থান
শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি তার বক্তব্যের পক্ষে সংবিধানের নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদের উল্লেখ করেন এবং সংশ্লিষ্ট অংশের ছবিও প্রকাশ করেন।

সংবিধানের ষষ্ঠ তপশিলের ১৫০ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতের পর অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা সংবিধানের লঙ্ঘন: আসিফ মাহমুদ

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও নতুন আলোচনা
আসিফ মাহমুদের এই বক্তব্য প্রকাশের পর বিষয়টি দ্রুত রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। একই পোস্টের মন্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদও প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা আবেগ দিয়ে নয়, সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

এতে স্পষ্ট হয়, স্বাধীনতার ঘোষক প্রসঙ্গটি শুধু ইতিহাসের আলোচনায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং বর্তমান রাজনৈতিক বিতর্কেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

ইতিহাস বনাম সংবিধান বিতর্ক
স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দেশে মতভেদ রয়েছে। তবে সংবিধানের ভাষ্য অনুযায়ী বিষয়টি নির্ধারিত হলেও রাজনৈতিক বক্তব্যে এই বিতর্ক বারবার সামনে আসে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও তীব্র করে এবং ইতিহাসের ব্যাখ্যা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলে।

এই প্রেক্ষাপটে আসিফ মাহমুদের সাম্প্রতিক বক্তব্য আবারও প্রমাণ করেছে, স্বাধীনতার ইতিহাস ও সংবিধান নিয়ে বিতর্ক এখনো দেশের রাজনীতিতে সংবেদনশীল ইস্যু হিসেবেই রয়ে গেছে।