ইরান যুদ্ধের জেরে দেশব্যাপী জ্বালানি সংকটের সরাসরি শিকার হলেন গাইবান্ধার পাঁচজন যাত্রী। টাঙ্গাইলে বাস জ্বালানিশূন্য হয়ে আটকে যাওয়ার পর রেললাইনের পাশে বিশ্রাম নিতে গিয়ে তারা সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের নিচে চাপা পড়েন।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার যাত্রীবাহী দিগন্ত পরিবহনের বাসটি সকাল ১০টায় ছেড়ে রওনা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় টাঙ্গাইলের কালিহাতীর ধলাতেনগর এলাকায় বাসের জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। চালক ও হেলপার জ্বালানি আনতে গেলে যাত্রীরা বাস থেকে নেমে পড়েন এবং কেউ কেউ কাছের রেললাইনের উপর বিশ্রাম নিতে বসেন। ঠিক সেই মুহূর্তে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি তাদের ওপর দিয়ে চলে যায়।
নিহতরা একই এলাকার পরিচিত মুখ
পাঁচ নিহতের মধ্যে রয়েছেন নার্গিস (৩৫), তার ছেলে নিরব (১১), ডোলা (৩৫), সুলতান (৩২) এবং রিফা (২৫)। সবাই সাদুল্লাপুর উপজেলার বাসিন্দা, একই বাসে একই গন্তব্যে যাচ্ছিলেন।
জ্বালানি সংকটের মানবিক মূল্য
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যুদ্ধের ফলে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এখন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি আঘাত হানছে। মহাসড়কে জ্বালানিশূন্য বাস আটকে পড়ার ঘটনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে উঠেছে।
জ্বালানি শেষ হয়ে বাস থামল, ক্লান্ত যাত্রীরা বিশ্রাম নিলেন রেললাইনে। তারপর এলো ট্রেন। টাঙ্গাইলে একই পরিবারের ৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু।

#টাঙ্গাইল #ট্রেনদুর্ঘটনা #জ্বালানিসংকট #Sarakhon #সারাক্ষণ
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















