০৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
হাতির চামড়ার কৌশলে ভবন ঠান্ডা রাখার নতুন প্রযুক্তি ৮৩ বছর পর খুলছে লন্ডনের সেই রহস্যময় জাদুঘর গ্যালারি সুইজারল্যান্ডে রেভ পার্টিতে গুলিবর্ষণ, নিহত ২২ বছরের তরুণী; আহত ৫ ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আলোচনা ফের শুরু করবে কি আইসল্যান্ড, ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের কেপটাউনে গ্যাং ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রই হত্যাকাণ্ডের বড় কারণ চীনের ‘অতিপ্রতিযোগিতা’ বিশ্ববাজারে, বাড়ছে বাণিজ্য সংঘাতের ঝুঁকি ফকল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাজ্যকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়তি সামরিক ব্যয়ের দাবি ফিফার ক্ষমতার নেপথ্যে আলোচিত ‘ফিক্সার’ মারিও গাল্লাভোত্তি নাইজারে বিদ্রোহী সেনাদের হামলার পর বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার

১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে অনুকূলে ইউক্রেন ফ্রন্ট, দাবি জেলেনস্কির

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, গত ১০ মাসের মধ্যে এখনই যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি তাদের পক্ষে সবচেয়ে অনুকূলে। তাঁর দাবি, মার্চে রাশিয়ার পরিকল্পিত আক্রমণ ঠেকিয়ে দিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী এবং কিছু এলাকায় সীমিত অগ্রগতিও হয়েছে। যদিও ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলাকা এখনো রুশ নিয়ন্ত্রণে, তবু সাম্প্রতিক সময়ে রুশ অগ্রযাত্রার গতি কমেছে বলে কিয়েভের বক্তব্য।

জেলেনস্কি আরও বলেন, ডোনেৎস্ক ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে এখনো তীব্র লড়াই চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শত শত সংঘর্ষের তথ্যও সামনে এসেছে। একই সঙ্গে তিনি রাশিয়ার সেই দাবি নাকচ করেছেন, যাতে ইউক্রেনকে বিতর্কিত অঞ্চল থেকে সরে যেতে বলা হচ্ছে। কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার কথা বললেও কিয়েভের অবস্থান স্পষ্ট—মাঠে প্রতিরোধ চলবে, আলোচনাও হবে নিজেদের শর্তে।

যুদ্ধক্ষেত্রে কী বদলাচ্ছে
ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার আগ্রাসনের গতি কমেছে। পশ্চিমা সমর্থন ও প্রতিরক্ষায় অভিযোজন এখন কিয়েভকে কিছুটা সুবিধা দিচ্ছে।

শান্তি আলোচনা কেন দূরে
মাঠে চাপ কমলেও রাজনৈতিক সমাধানের পথে বড় বাধা রয়ে গেছে ভূখণ্ড, নিরাপত্তা ও রুশ শর্তের প্রশ্নে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতির চামড়ার কৌশলে ভবন ঠান্ডা রাখার নতুন প্রযুক্তি

১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে অনুকূলে ইউক্রেন ফ্রন্ট, দাবি জেলেনস্কির

০৭:০৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, গত ১০ মাসের মধ্যে এখনই যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি তাদের পক্ষে সবচেয়ে অনুকূলে। তাঁর দাবি, মার্চে রাশিয়ার পরিকল্পিত আক্রমণ ঠেকিয়ে দিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী এবং কিছু এলাকায় সীমিত অগ্রগতিও হয়েছে। যদিও ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলাকা এখনো রুশ নিয়ন্ত্রণে, তবু সাম্প্রতিক সময়ে রুশ অগ্রযাত্রার গতি কমেছে বলে কিয়েভের বক্তব্য।

জেলেনস্কি আরও বলেন, ডোনেৎস্ক ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে এখনো তীব্র লড়াই চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শত শত সংঘর্ষের তথ্যও সামনে এসেছে। একই সঙ্গে তিনি রাশিয়ার সেই দাবি নাকচ করেছেন, যাতে ইউক্রেনকে বিতর্কিত অঞ্চল থেকে সরে যেতে বলা হচ্ছে। কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার কথা বললেও কিয়েভের অবস্থান স্পষ্ট—মাঠে প্রতিরোধ চলবে, আলোচনাও হবে নিজেদের শর্তে।

যুদ্ধক্ষেত্রে কী বদলাচ্ছে
ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার আগ্রাসনের গতি কমেছে। পশ্চিমা সমর্থন ও প্রতিরক্ষায় অভিযোজন এখন কিয়েভকে কিছুটা সুবিধা দিচ্ছে।

শান্তি আলোচনা কেন দূরে
মাঠে চাপ কমলেও রাজনৈতিক সমাধানের পথে বড় বাধা রয়ে গেছে ভূখণ্ড, নিরাপত্তা ও রুশ শর্তের প্রশ্নে।