১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা কতটা টি-২০ বিশ্বকাপে শিরোপা জিততে মরিয়া ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল রাশিয়ায় মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে? নিউইয়র্ক নিকসের ঐতিহাসিক শিরোপা জয়, বাজারে চ্যাম্পিয়ন স্মারকের ঝড় নরম্যান্ডির ছোট্ট গ্রামে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, গণতন্ত্রের পক্ষে সরব বাসিন্দারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার আবার শক্তিশালী, নতুন সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ছে মস্তিষ্ক ছাড়াই বুদ্ধিমত্তা! রহস্য উন্মোচন করল হলুদ স্লাইম ছত্রাক স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপ প্রত্যাবর্তন রাঙাল ম্যাকগিন, হাইতিকে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষে ট্রাম্পের নাম সরাল কেনেডি সেন্টার, আদালতের নির্দেশ কার্যকর সেইয়া সুজুকির হাঁটুতে চোটের শঙ্কা, ম্যাচের মাঝপথেই মাঠ ছাড়লেন কাবস তারকা

১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে অনুকূলে ইউক্রেন ফ্রন্ট, দাবি জেলেনস্কির

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, গত ১০ মাসের মধ্যে এখনই যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি তাদের পক্ষে সবচেয়ে অনুকূলে। তাঁর দাবি, মার্চে রাশিয়ার পরিকল্পিত আক্রমণ ঠেকিয়ে দিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী এবং কিছু এলাকায় সীমিত অগ্রগতিও হয়েছে। যদিও ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলাকা এখনো রুশ নিয়ন্ত্রণে, তবু সাম্প্রতিক সময়ে রুশ অগ্রযাত্রার গতি কমেছে বলে কিয়েভের বক্তব্য।

জেলেনস্কি আরও বলেন, ডোনেৎস্ক ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে এখনো তীব্র লড়াই চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শত শত সংঘর্ষের তথ্যও সামনে এসেছে। একই সঙ্গে তিনি রাশিয়ার সেই দাবি নাকচ করেছেন, যাতে ইউক্রেনকে বিতর্কিত অঞ্চল থেকে সরে যেতে বলা হচ্ছে। কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার কথা বললেও কিয়েভের অবস্থান স্পষ্ট—মাঠে প্রতিরোধ চলবে, আলোচনাও হবে নিজেদের শর্তে।

যুদ্ধক্ষেত্রে কী বদলাচ্ছে
ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার আগ্রাসনের গতি কমেছে। পশ্চিমা সমর্থন ও প্রতিরক্ষায় অভিযোজন এখন কিয়েভকে কিছুটা সুবিধা দিচ্ছে।

শান্তি আলোচনা কেন দূরে
মাঠে চাপ কমলেও রাজনৈতিক সমাধানের পথে বড় বাধা রয়ে গেছে ভূখণ্ড, নিরাপত্তা ও রুশ শর্তের প্রশ্নে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা কতটা

১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে অনুকূলে ইউক্রেন ফ্রন্ট, দাবি জেলেনস্কির

০৭:০৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, গত ১০ মাসের মধ্যে এখনই যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি তাদের পক্ষে সবচেয়ে অনুকূলে। তাঁর দাবি, মার্চে রাশিয়ার পরিকল্পিত আক্রমণ ঠেকিয়ে দিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী এবং কিছু এলাকায় সীমিত অগ্রগতিও হয়েছে। যদিও ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলাকা এখনো রুশ নিয়ন্ত্রণে, তবু সাম্প্রতিক সময়ে রুশ অগ্রযাত্রার গতি কমেছে বলে কিয়েভের বক্তব্য।

জেলেনস্কি আরও বলেন, ডোনেৎস্ক ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে এখনো তীব্র লড়াই চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শত শত সংঘর্ষের তথ্যও সামনে এসেছে। একই সঙ্গে তিনি রাশিয়ার সেই দাবি নাকচ করেছেন, যাতে ইউক্রেনকে বিতর্কিত অঞ্চল থেকে সরে যেতে বলা হচ্ছে। কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার কথা বললেও কিয়েভের অবস্থান স্পষ্ট—মাঠে প্রতিরোধ চলবে, আলোচনাও হবে নিজেদের শর্তে।

যুদ্ধক্ষেত্রে কী বদলাচ্ছে
ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার আগ্রাসনের গতি কমেছে। পশ্চিমা সমর্থন ও প্রতিরক্ষায় অভিযোজন এখন কিয়েভকে কিছুটা সুবিধা দিচ্ছে।

শান্তি আলোচনা কেন দূরে
মাঠে চাপ কমলেও রাজনৈতিক সমাধানের পথে বড় বাধা রয়ে গেছে ভূখণ্ড, নিরাপত্তা ও রুশ শর্তের প্রশ্নে।