০১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: মঙ্গলবার হবে ইরানে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুবন্ধন দিবস’, হরমুজ প্রণালী খোলা না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্র নষ্টের হুমকি জ্বালানি সংকটে বন্ধ শত শত ট্রলার ও লাইটার জাহাজ, সাগরে মাছ ধরা বন্ধ স্ট্যাফোর্ডে উন্মোচিত অনন্য ‘মিহরাব’: ঐতিহ্য, শিল্প ও কমিউনিটির মিলনে গড়া এক স্থায়ী পরিচয় আগুনের উপর খালি পায়ে হাঁটা! মানবতার জন্য সাহসী উদ্যোগে মুগ্ধ জনতা ওল্ড বেইলিতে বিস্ফোরক মামলায় তরুণের অস্বীকার: কলেজে বোমা হামলার হুমকি ঘিরে তীব্র উদ্বেগ ইরান হামলার পর বদলে গেল যুদ্ধের হিসাব: তাইওয়ান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাতের নতুন সমীকরণ নেব্রাস্কার ভোটের ময়দানে উদীয়মান স্বাধীন নেতা: শ্রমিকদের কণ্ঠস্বরের প্রতীক ড্যান ওসবর্ন ইলিনয়সের প্রগতি যোদ্ধারা: ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতে নতুন যুগের সূচনা ইরানে বিপ্লব থেকে বংশপরিচয়ে শাসন: মোজতবা খামেনির ক্ষমতা অর্জন কি বিপর্যয়ের সূচনা? সোনার স্বর্ণযুগ ধুঁকছে: যুদ্ধের ছায়ায় হারাচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ের খ্যাতি

চীনা পণ্যের কৌশলী রপ্তানি বৃদ্ধি, তৃতীয় দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাহ বাড়ছে

ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ শুল্ক আরোপের পরও সরাসরি চীনা পণ্যের আমদানি হ্রাস পেলেও বেইজিং বিশ্ববাজারে তার আধিপত্য বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে চীনের শিপমেন্ট ২১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দুই মাসে ২১৩.৬ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সরাসরি বাণিজ্যের চাপ সত্ত্বেও চীনা কোম্পানিগুলো তৃতীয় দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পৌঁছে দিয়ে এই ঘাটতি মোকাবিলা করছে।

চীন থেকে আমদানি ৫০% বাড়লেও রপ্তানি গতিহীন

সরাসরি বাণিজ্যের ক্ষতি, তৃতীয় দেশের মাধ্যমে প্রভাবশালী প্রবাহ

চীনা কাস্টমস এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীনা পণ্যের সরাসরি রপ্তানি প্রায় ৩০ শতাংশ হ্রাস পেলেও তৃতীয় দেশের মাধ্যমে আমেরিকায় চীনা পণ্যের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মাধ্যমে চীনা পণ্যের আমদানি বেড়েছে, যা সরাসরি বাণিজ্য হ্রাসের প্রভাবকে আংশিকভাবে সমান করেছে। এই কৌশল শুধু চীনা কোম্পানিগুলোর জন্য নয়, আমেরিকার বাজারে পৌঁছানোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পথ হয়ে উঠেছে।

ট্রান্সশিপমেন্ট কৌশল ও শুল্ক এড়ানো

উচ্চ শুল্কের প্রভাবের কারণে চীনা উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন বাজার খুঁজছে যেখানে আমদানি শুল্ক কম। অনেক কোম্পানি উৎপাদনের দেশ বদল করে পণ্য পাঠাচ্ছে, আবার কিছু কোম্পানি তৃতীয় দেশে উৎপাদন সুবিধা স্থাপন করে পণ্যের মান বৃদ্ধি করছে। এই প্রক্রিয়াটি সরাসরি শুল্ক এড়ানোর একটি প্রভাবশালী কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইরান নিয়ে কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের কী বললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ও প্রতিক্রিয়া

যদিও ট্রাম্প প্রশাসন এই ট্রান্সশিপমেন্ট কৌশল নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে, তবে শুধুমাত্র এখানেই থামার সম্ভাবনা নেই। যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে তৃতীয় দেশ থেকে আমেরিকায় আসা পণ্যের চীনা উপাদান উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার নীতিমালা গ্রহণ করতে পারে। এর ফলে চীনা পণ্যের বিশ্ববাজারে কৌশলী রপ্তানি একটি নতুন বাস্তবতা হিসেবে প্রমাণিত হবে।

চীনা পণ্যের তৃতীয় দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাহ বৃদ্ধিই এখন বাণিজ্য যুদ্ধের নতুন চিত্র।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: মঙ্গলবার হবে ইরানে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুবন্ধন দিবস’, হরমুজ প্রণালী খোলা না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্র নষ্টের হুমকি

চীনা পণ্যের কৌশলী রপ্তানি বৃদ্ধি, তৃতীয় দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাহ বাড়ছে

১১:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ শুল্ক আরোপের পরও সরাসরি চীনা পণ্যের আমদানি হ্রাস পেলেও বেইজিং বিশ্ববাজারে তার আধিপত্য বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে চীনের শিপমেন্ট ২১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দুই মাসে ২১৩.৬ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সরাসরি বাণিজ্যের চাপ সত্ত্বেও চীনা কোম্পানিগুলো তৃতীয় দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পৌঁছে দিয়ে এই ঘাটতি মোকাবিলা করছে।

চীন থেকে আমদানি ৫০% বাড়লেও রপ্তানি গতিহীন

সরাসরি বাণিজ্যের ক্ষতি, তৃতীয় দেশের মাধ্যমে প্রভাবশালী প্রবাহ

চীনা কাস্টমস এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীনা পণ্যের সরাসরি রপ্তানি প্রায় ৩০ শতাংশ হ্রাস পেলেও তৃতীয় দেশের মাধ্যমে আমেরিকায় চীনা পণ্যের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মাধ্যমে চীনা পণ্যের আমদানি বেড়েছে, যা সরাসরি বাণিজ্য হ্রাসের প্রভাবকে আংশিকভাবে সমান করেছে। এই কৌশল শুধু চীনা কোম্পানিগুলোর জন্য নয়, আমেরিকার বাজারে পৌঁছানোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পথ হয়ে উঠেছে।

ট্রান্সশিপমেন্ট কৌশল ও শুল্ক এড়ানো

উচ্চ শুল্কের প্রভাবের কারণে চীনা উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন বাজার খুঁজছে যেখানে আমদানি শুল্ক কম। অনেক কোম্পানি উৎপাদনের দেশ বদল করে পণ্য পাঠাচ্ছে, আবার কিছু কোম্পানি তৃতীয় দেশে উৎপাদন সুবিধা স্থাপন করে পণ্যের মান বৃদ্ধি করছে। এই প্রক্রিয়াটি সরাসরি শুল্ক এড়ানোর একটি প্রভাবশালী কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইরান নিয়ে কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের কী বললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ও প্রতিক্রিয়া

যদিও ট্রাম্প প্রশাসন এই ট্রান্সশিপমেন্ট কৌশল নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে, তবে শুধুমাত্র এখানেই থামার সম্ভাবনা নেই। যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে তৃতীয় দেশ থেকে আমেরিকায় আসা পণ্যের চীনা উপাদান উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার নীতিমালা গ্রহণ করতে পারে। এর ফলে চীনা পণ্যের বিশ্ববাজারে কৌশলী রপ্তানি একটি নতুন বাস্তবতা হিসেবে প্রমাণিত হবে।

চীনা পণ্যের তৃতীয় দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাহ বৃদ্ধিই এখন বাণিজ্য যুদ্ধের নতুন চিত্র।