০১:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

শহরে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক থাকলেও গ্রামে লোডশেডিং বাড়ছে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে তীব্র
শহর-গ্রাম বৈষম্য দেখা দিয়েছে। ডেইলি স্টারের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের
শুরু থেকে সারাদেশে লোডশেডিং আবার বাড়তে শুরু করেছে। ঈদের ছুটিতে
বিদ্যুতের চাহিদা কমে যাওয়ায় সাময়িক স্বস্তি মিললেও এখন আবার
পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে লোডশেডিং
তুলনামূলকভাবে কম হলেও গ্রামাঞ্চলে দৈনিক তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত
বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ উঠছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের
(পিজিসিবি) তথ্য মতে, সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট কিন্তু
সরবরাহ তার তুলনায় প্রায় পাঁচশো মেগাওয়াট কম।

শহর স্বাভাবিক থাকলেও গ্রামে বাড়ছে লোডশেডিং

তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাওনা সংকট

পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর
প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বকেয়া পাওনার সমস্যা। বিদ্যুৎকেন্দ্রের
পরিচালকরা জানিয়েছেন, পাওনা পরিশোধ না হলে উৎপাদন ধরে রাখা সম্ভব হবে
না। আবার গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের ছয়টি সার কারখানার মধ্যে
পাঁচটি গত মাস ধরে বন্ধ রয়েছে, যা আউশ মৌসুমের সার সংকটের আশঙ্কাও তৈরি
করেছে। আবহাওয়া বিভাগ এপ্রিলে একাধিক তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে,
তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

গ্রামে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না - দৈনিক আজাদী

সামনে আরও কঠিন পরিস্থিতির আশঙ্কা

গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে, তখন লোডশেডিং আরও তীব্র
হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড
(পিডিবি) এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক জ্বালানি শক মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগ
নিচ্ছে। তেল আমদানিতে শুল্ক কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা
গেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে
সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

শহরে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক থাকলেও গ্রামে লোডশেডিং বাড়ছে

০২:২৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে তীব্র
শহর-গ্রাম বৈষম্য দেখা দিয়েছে। ডেইলি স্টারের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের
শুরু থেকে সারাদেশে লোডশেডিং আবার বাড়তে শুরু করেছে। ঈদের ছুটিতে
বিদ্যুতের চাহিদা কমে যাওয়ায় সাময়িক স্বস্তি মিললেও এখন আবার
পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে লোডশেডিং
তুলনামূলকভাবে কম হলেও গ্রামাঞ্চলে দৈনিক তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত
বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ উঠছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের
(পিজিসিবি) তথ্য মতে, সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট কিন্তু
সরবরাহ তার তুলনায় প্রায় পাঁচশো মেগাওয়াট কম।

শহর স্বাভাবিক থাকলেও গ্রামে বাড়ছে লোডশেডিং

তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাওনা সংকট

পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর
প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বকেয়া পাওনার সমস্যা। বিদ্যুৎকেন্দ্রের
পরিচালকরা জানিয়েছেন, পাওনা পরিশোধ না হলে উৎপাদন ধরে রাখা সম্ভব হবে
না। আবার গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের ছয়টি সার কারখানার মধ্যে
পাঁচটি গত মাস ধরে বন্ধ রয়েছে, যা আউশ মৌসুমের সার সংকটের আশঙ্কাও তৈরি
করেছে। আবহাওয়া বিভাগ এপ্রিলে একাধিক তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে,
তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

গ্রামে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না - দৈনিক আজাদী

সামনে আরও কঠিন পরিস্থিতির আশঙ্কা

গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে, তখন লোডশেডিং আরও তীব্র
হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড
(পিডিবি) এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক জ্বালানি শক মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগ
নিচ্ছে। তেল আমদানিতে শুল্ক কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা
গেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে
সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।