চলতি অর্থবছর শেষ হওয়ার তিন মাস আগেই মার্চে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ নেওয়া বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। এটি ক্রমবর্ধমান রাজস্ব চাপ ও আর্থিক ব্যবস্থায় চাপের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। জ্বালানি ভর্তুকি, যুদ্ধজনিত আমদানি খরচ বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণে ঘাটতি এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ। শুধু মার্চেই জ্বালানি ভর্তুকিতে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে।

আর্থিক ব্যবস্থায় চাপ বাড়ছে
ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত সরকারি ঋণ বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার ১০ শতাংশে ধরে রেখেছে। ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ ছিল। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৫ মার্চ পর্যন্ত ছিল ২ হাজার ৯৩৯ কোটি ডলার (বিপিএম৬ পদ্ধতি)। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করছেন, এই মাত্রায় ঋণ নেওয়া অব্যাহত থাকলে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হবে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা ব্যাহত হতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















