বাংলাদেশের নীল অর্থনীতির টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ২০২৬–২৭ অর্থবছরে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে সরকার। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সমন্বিত উন্নয়নে জোর
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রসম্পদ, মৎস্য, পর্যটন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী কাঠামো প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ
দেশের সামুদ্রিক সম্পদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে ইতোমধ্যে সামুদ্রিক স্থানিক পরিকল্পনা (এমএসপি) কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, নীল অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে একটি জাতীয় নীল অর্থনীতি কর্তৃপক্ষ গঠনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
উপকূলীয় অঞ্চলে উন্নয়নের সম্ভাবনা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামসহ উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নীল অর্থনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ধাপে ধাপে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে এসব অঞ্চলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাবের প্রত্যাশা
তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় অঞ্চল ঘিরে একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠতে পারে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। এ কারণে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরিকল্পনা প্রণয়ন শুরু করেছে।
সংসদ অধিবেশন
১০ এপ্রিলের বিরতির পর বুধবার সকালে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। দিনের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংসদ সদস্যরা অংশ নেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















