জ্বালানি সংকটের প্রভাব এখন সরাসরি মাঠে পৌঁছেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডিজেলের সরবরাহে অনিয়ম ও দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষকরা সেচ কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বিশেষ করে বোরো ধান মৌসুমে এই সংকট খাদ্য উৎপাদনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
বাংলাদেশের কৃষি খাত সেচনির্ভর। আর সেচের জন্য ডিজেল একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি উৎস। ফলে এর ঘাটতি সরাসরি উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে।
সেচে ব্যাঘাত
বোরো মৌসুমে নিয়মিত সেচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ডিজেল না থাকায় অনেক কৃষক সময়মতো জমিতে পানি দিতে পারছেন না।
ফলে ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে এবং উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে
ডিজেলের দাম বাড়ার কারণে কৃষি উৎপাদনের খরচও বেড়ে গেছে। যারা বাজার থেকে বেশি দামে ডিজেল কিনছেন, তাদের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে।
এর ফলে কৃষকের লাভ কমে যাচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা অনেকাংশে বোরো ধানের ওপর নির্ভরশীল। এই মৌসুমে উৎপাদন কমে গেলে বাজারে চালের দাম বাড়তে পারে।
এর প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে।
সরকারের ভূমিকা
এই পরিস্থিতিতে ডিজেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং কৃষকদের সহায়তা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সঠিক সময়ে সেচ নিশ্চিত না হলে উৎপাদনের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
সামনে কী
বর্তমান পরিস্থিতি যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে কৃষি খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে। ফলে শুধু কৃষক নয়, পুরো অর্থনীতিই এর প্রভাব অনুভব করবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















