০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বাংলাদেশি শ্রমিকদের স্বপ্ন অনিশ্চিত, রেমিট্যান্সেও চাপ ইরানের ফিফা বিশ্বকাপের টিকেট বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র কুয়েতে ড্রোন হামলায় ৫ বাংলাদেশি আহত, দূতাবাস মাঠে ইরান-ইসরায়েল আবার থামল, কিন্তু শান্তি কতটা টেকসই? ব্যাংক অ্যাকাউন্টে TIN বাধ্যতামূলক হচ্ছে, কোটি গ্রাহকের জীবনে বড় পরিবর্তন টাঙ্গাইলে পিকআপ-ট্রাক সংঘর্ষে ৪ জন নিহত নতুন নির্বাচন কমিশনে প্রাক্তন আমলার নাম, সুপ্রিম কোর্টে বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতার শুনানি ১৬ জুন রামিসা হত্যা: ১৯ দিনে ফাঁসির রায়, দেশজুড়ে স্বস্তি ইসলামী ব্যাংকে সংকট: সাত দিনে উঠে গেল ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি লাজুক জুঁই

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৫৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪
  • 151

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

 

নিজেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা

কোন নেতা যদি নিজেই নিজেকে তৈরি করে তখন সে তার তৈরি হবার ভেতর দিয়ে নিজের, প্রতিষ্ঠানের বা দলের বিষয়ে একটা স্বচ্ছ ধারণার অধিকারী হয়। সেই স্বচ্ছ ধারণা তার প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনগুলোকে আরো প্রসারিত করতে সাহায্য করে।

অর্থাত্‌ সে জানে কীভাবে একটা নতুন প্রতিষ্ঠান খুলতে হয়।

যে শ্রম ম্যানেজমেন্ট তার কাছে স্বচ্ছ থাকে।

পৃথিবীতে সব থেকে কঠিন কাজ শ্রম পরিচালনা। সেখানে সে কম ভুল করে। ভুল করলে তার সংশোধনের মানসিকতা থাকে। এবং সংশোধন করে নেয়।

নিজের কোন লাভের জন্যে বা প্রতিষ্ঠানের কোন ভালোর জন্য তার কোন ইগো কাজ করে না।

সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানকে প্রসারিত করাও তার কাছে নতুন কোন বিষয় নয়। কারণ সে আগেও অনেক স্টার্টআপ করেছে।

সাধারণ এ নেতারা স্মার্ট নেতাই হয়।

প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের ওপর বসে পড়া 

প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের ওপর যদি কেউ উত্তরাধিকার সূত্রে বা অন্য কোন কারণে অভিজ্ঞতা ছাড়া বসে পড়েন সে স্বাভাবিকই মানসিক ও বাস্তবতায় বেশ কিছু ভুল করেন।

মানসিক ভুলের ক্ষেত্রে প্রথমত তার মাথা শান্ত নাও থাকতে পারে। তার ভেতর একটা অংহকার কাজ করতে পারে।

শ্রম ব্যবস্থানপনাকে সে দাস ব্যবস্থাপনা মনে করে।

যে তাকে শ্রম দেয় সে মানুষ, কখনই দাস নয়। তাছাড়া দল বা টিমের সদস্য তার সমান সব সময়ই। তাদের পরামর্শের প্রয়োজন আছে। এই সত্য সে বুঝতে পারে না।

নিজেকে অতি দ্রুত সবার ওপরে একটা কল্পিত জগতে নিয়ে বসায়। যেখানে সে নিজেকে সম্রাট মনে করে।

এই ভুলগুলো শেষ অবধি নেতা হিসেবে তাকে ব্যর্থ নেতায় পরিনত করে।

এবং তার হাত দিয়ে কোম্পানি বা সংগঠন বাস্তবে ধ্বংসের দিকে যায়।

 

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৫৬)

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৫৬)

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বাংলাদেশি শ্রমিকদের স্বপ্ন অনিশ্চিত, রেমিট্যান্সেও চাপ

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৫৭)

০৩:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

 

নিজেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা

কোন নেতা যদি নিজেই নিজেকে তৈরি করে তখন সে তার তৈরি হবার ভেতর দিয়ে নিজের, প্রতিষ্ঠানের বা দলের বিষয়ে একটা স্বচ্ছ ধারণার অধিকারী হয়। সেই স্বচ্ছ ধারণা তার প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনগুলোকে আরো প্রসারিত করতে সাহায্য করে।

অর্থাত্‌ সে জানে কীভাবে একটা নতুন প্রতিষ্ঠান খুলতে হয়।

যে শ্রম ম্যানেজমেন্ট তার কাছে স্বচ্ছ থাকে।

পৃথিবীতে সব থেকে কঠিন কাজ শ্রম পরিচালনা। সেখানে সে কম ভুল করে। ভুল করলে তার সংশোধনের মানসিকতা থাকে। এবং সংশোধন করে নেয়।

নিজের কোন লাভের জন্যে বা প্রতিষ্ঠানের কোন ভালোর জন্য তার কোন ইগো কাজ করে না।

সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানকে প্রসারিত করাও তার কাছে নতুন কোন বিষয় নয়। কারণ সে আগেও অনেক স্টার্টআপ করেছে।

সাধারণ এ নেতারা স্মার্ট নেতাই হয়।

প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের ওপর বসে পড়া 

প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের ওপর যদি কেউ উত্তরাধিকার সূত্রে বা অন্য কোন কারণে অভিজ্ঞতা ছাড়া বসে পড়েন সে স্বাভাবিকই মানসিক ও বাস্তবতায় বেশ কিছু ভুল করেন।

মানসিক ভুলের ক্ষেত্রে প্রথমত তার মাথা শান্ত নাও থাকতে পারে। তার ভেতর একটা অংহকার কাজ করতে পারে।

শ্রম ব্যবস্থানপনাকে সে দাস ব্যবস্থাপনা মনে করে।

যে তাকে শ্রম দেয় সে মানুষ, কখনই দাস নয়। তাছাড়া দল বা টিমের সদস্য তার সমান সব সময়ই। তাদের পরামর্শের প্রয়োজন আছে। এই সত্য সে বুঝতে পারে না।

নিজেকে অতি দ্রুত সবার ওপরে একটা কল্পিত জগতে নিয়ে বসায়। যেখানে সে নিজেকে সম্রাট মনে করে।

এই ভুলগুলো শেষ অবধি নেতা হিসেবে তাকে ব্যর্থ নেতায় পরিনত করে।

এবং তার হাত দিয়ে কোম্পানি বা সংগঠন বাস্তবে ধ্বংসের দিকে যায়।

 

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৫৬)

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৫৬)