১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা চীনা ব্যবসায়ীর ১ কোটি টাকা নিয়ে চালক উধাও, মেসেজে লিখলেন ‘আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি’ কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি, ফেরার অপেক্ষায় আরও ১,৮০০ অস্ত্রের মুখে বিকাশকর্মীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, পালাল ৬ দুর্বৃত্ত নেপালে বন্যার তাণ্ডব: ‘নিখোঁজদের দেয়ালে’ স্বজন খুঁজছেন হাজারো মানুষ ভারতের ৭.৮% জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কেন উঠছে প্রশ্ন? নেপালের বন্যাবিধ্বস্ত উপত্যকায় ধ্বংসস্তূপ ছাড়া কিছুই নেই ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ নয়, প্রকৃত তথ্য জানাল পুলিশ সাভারে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু মিশেল কোগান: মিশেলিন তারকা পাওয়া রাঁধুনি, যাঁর পাই এখন নিউইয়র্কে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত

আইএমএফের সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশে নামল, বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের এপ্রিল ২০২৬ সালের বিশ্ব অর্থনৈতিক আউটলুকের শিরোনাম হলো “যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্ব অর্থনীতি।” এতে বলা হয়েছে, এ বছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশে নামবে, যা ২০২৫ সালের ৩.৪ শতাংশ থেকে উল্লেখযোগ্য হ্রাস। এর সঙ্গে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪.৪ শতাংশে দাঁড়াবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

তিনটি পরিস্থিতি, তিন ধরনের বিপদ

আইএমএফ তিনটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি তুলে ধরেছে। প্রথমটি রেফারেন্স পূর্বাভাস, যেখানে যুদ্ধ স্বল্পস্থায়ী হলে প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশ থাকবে। দ্বিতীয় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধি ২.৫ শতাংশে নামতে পারে। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ শতাংশে নামলে বৈশ্বিক মন্দা কার্যত অনিবার্য হয়ে পড়বে।

জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

আইএমএফ বলেছে, কম আয়ের এনার্জি আমদানিকারক দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে। বাংলাদেশ যেহেতু তার জ্বালানির বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আনে এবং রেমিট্যান্সের বিশাল অংশ গালফ থেকে আসে, তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকি বেশ বড়।

বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি ৩.৯ শতাংশে নামতে পারে

বিশ্বব্যাংকের আলাদা একটি হিসাবে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশ থেকে ৩.৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে। প্রায় ১২ লাখ মানুষ যারা দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে আসার পথে ছিলেন, তারা আটকে যেতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা

আইএমএফের সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশে নামল, বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি

০৭:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের এপ্রিল ২০২৬ সালের বিশ্ব অর্থনৈতিক আউটলুকের শিরোনাম হলো “যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্ব অর্থনীতি।” এতে বলা হয়েছে, এ বছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশে নামবে, যা ২০২৫ সালের ৩.৪ শতাংশ থেকে উল্লেখযোগ্য হ্রাস। এর সঙ্গে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪.৪ শতাংশে দাঁড়াবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

তিনটি পরিস্থিতি, তিন ধরনের বিপদ

আইএমএফ তিনটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি তুলে ধরেছে। প্রথমটি রেফারেন্স পূর্বাভাস, যেখানে যুদ্ধ স্বল্পস্থায়ী হলে প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশ থাকবে। দ্বিতীয় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধি ২.৫ শতাংশে নামতে পারে। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ শতাংশে নামলে বৈশ্বিক মন্দা কার্যত অনিবার্য হয়ে পড়বে।

জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

আইএমএফ বলেছে, কম আয়ের এনার্জি আমদানিকারক দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে। বাংলাদেশ যেহেতু তার জ্বালানির বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আনে এবং রেমিট্যান্সের বিশাল অংশ গালফ থেকে আসে, তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকি বেশ বড়।

বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি ৩.৯ শতাংশে নামতে পারে

বিশ্বব্যাংকের আলাদা একটি হিসাবে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশ থেকে ৩.৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে। প্রায় ১২ লাখ মানুষ যারা দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে আসার পথে ছিলেন, তারা আটকে যেতে পারেন।