আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের এপ্রিল ২০২৬ সালের বিশ্ব অর্থনৈতিক আউটলুকের শিরোনাম হলো “যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্ব অর্থনীতি।” এতে বলা হয়েছে, এ বছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশে নামবে, যা ২০২৫ সালের ৩.৪ শতাংশ থেকে উল্লেখযোগ্য হ্রাস। এর সঙ্গে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪.৪ শতাংশে দাঁড়াবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
তিনটি পরিস্থিতি, তিন ধরনের বিপদ
আইএমএফ তিনটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি তুলে ধরেছে। প্রথমটি রেফারেন্স পূর্বাভাস, যেখানে যুদ্ধ স্বল্পস্থায়ী হলে প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশ থাকবে। দ্বিতীয় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধি ২.৫ শতাংশে নামতে পারে। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ শতাংশে নামলে বৈশ্বিক মন্দা কার্যত অনিবার্য হয়ে পড়বে।
জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
আইএমএফ বলেছে, কম আয়ের এনার্জি আমদানিকারক দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে। বাংলাদেশ যেহেতু তার জ্বালানির বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আনে এবং রেমিট্যান্সের বিশাল অংশ গালফ থেকে আসে, তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকি বেশ বড়।
বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি ৩.৯ শতাংশে নামতে পারে
বিশ্বব্যাংকের আলাদা একটি হিসাবে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশ থেকে ৩.৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে। প্রায় ১২ লাখ মানুষ যারা দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে আসার পথে ছিলেন, তারা আটকে যেতে পারেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















