আগামীকাল মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, শেষ হচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দুই সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল এই যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই ভেঙে পড়ে। এরপর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
কোথায় আটকে আছে আলোচনা
যুক্তরাষ্ট্র চাইছে ইরান সম্পূর্ণভাবে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করুক এবং নিঃশর্তভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দিক। ইরান চাইছে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, ৬ বিলিয়ন ডলারের জমানো সম্পদ ফেরত এবং লেবানন সংঘাতেরও অবসান। এই দুটি অবস্থান এখনও অনেক দূরে। ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স বলেছেন, বলটি ইরানের কোর্টে আছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফর করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন, তবে কোনো ফল হয়নি।

শনিবার ইরানের সামরিক বাহিনীর ঘোষণা
শনিবার ইরানের সামরিক বাহিনী ঘোষণা দিয়েছে হরমুজ প্রণালি “আগের অবস্থায়” ফিরে গেছে — মানে কার্যত আবার বন্ধ। শুক্রবার ইরান সাময়িক প্রণালি খোলার ঘোষণা দিয়েছিল ইসরায়েল-লেবানন ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির সাথে মিল রেখে, কিন্তু সেদিনই মাত্র কয়েকটি জাহাজ পার হতে পেরেছে।
তেলের দাম আবার ১০০ ডলারের কাছে
হরমুজ পরিস্থিতির নতুন অনিশ্চয়তায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবার প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের কাছে উঠে এসেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি খরচ ও পরিবহন ব্যয়ে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















