০৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে শত্রু করতে চান না: নোয়াব সভাপতি পশ্চিমা বাজারের সামনে ‘বোম্বে স্বপ্ন’: অস্থিরতার মাঝেও দীর্ঘমেয়াদি আশাবাদের পাঠ মুনশট এআইয়ের নতুন মডেল ‘কিমি কে২.৬’: ওপেন নাকি ক্লোজড—চীনা এআই খাতে কৌশলের দ্বন্দ্ব সিনো ল্যান্ডের নেতৃত্বে কনসোর্টিয়ামের ১৭০ কোটি ডলারের প্রকল্প জয়, উত্তর মেট্রোপলিসে নতুন আস্থার বার্তা জাপানে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর মেগা কম্পনের সতর্কতা, আতঙ্কের মধ্যেও সতর্ক থাকার নির্দেশ চীনের খাদ্য নিরাপত্তা অভিযানে সহিংসতা ও গোপন কার্যালয় উন্মোচন: রেকর্ড জরিমানার আড়ালে ভয়ঙ্কর চিত্র চীনের ‘সুপার পাউডার’ বিপ্লব: প্লাজমা মিল কি বদলে দেবে সামরিক প্রযুক্তির শক্তির ভারসাম্য? চীনের জ্বালানি কৌশল নতুন করে ভাবনায়, হরমুজ সংকটে আমদানি নির্ভরতার ঝুঁকি সামনে হরমুজে উত্তেজনা চরমে, যুদ্ধবিরতি ভাঙার মুখে: আলোচনায় ফিরবে কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান? ক্যানসেল কালচার ছিল নির্মম—আর পুরোপুরি এলোমেলো

মহারাজার মতো জীবন: ভারতের নতুন রাজপ্রাসাদে বিলাসবহুল থাকার অভিজ্ঞতা

ভোর সাড়ে ছয়টা। হাঁটুর ওপর গরম পানির বোতল, পায়ে মোটা কম্বল—তবু মনে হচ্ছে পা দুটো যেন বরফ হয়ে আছে। বন্দহবগড় জাতীয় উদ্যানের গেটের ভেতরে সাফারি গাড়িতে বসে আছি, চারপাশে শাল গাছের ভেতর কুয়াশা ভাসছে, ভোরের সোনালি আলোয় পাখিরা ঠান্ডায় জড়োসড়ো। দৃশ্যটা যেন ‘জঙ্গল বুক’ নয়, বরং ‘ফ্রোজেন’-এর মতো।

হঠাৎই বনজুড়ে গর্জে উঠল এক গভীর ডাক, সঙ্গে বানরের চিৎকার আর পাখির ডানা ঝাপটানোর শব্দ। “বাঘ!”—হেসে উঠলেন গাইড সৌলিন চক্রবর্তী। মুহূর্তেই আমাদের মাহিন্দ্রা গাড়ি ছুটে চলল, আশপাশের আরও কয়েকটি গাড়িও দ্রুতগতিতে ধুলো উড়িয়ে এগিয়ে গেল—রক্তে তখন অ্যাড্রেনালিনের ঢেউ।

Three tiger cubs lying on a dirt path in a forest.

বাঘ ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং একই সঙ্গে সবচেয়ে বিপন্ন প্রাণী। সত্তরের দশকে শিকার ও চোরাশিকারের কারণে প্রায় বিলুপ্তির মুখে পড়ে যায় এরা। তখন পৃথিবীতে মাত্র দুই হাজার বেঙ্গল টাইগার ছিল বলে ধারণা করা হয়।

তবে ইন্দিরা গান্ধীর ‘প্রজেক্ট টাইগার’ এবং পর্যটন থেকে আসা অর্থ—এই দুইয়ের কারণে পরিস্থিতি বদলেছে। এখন বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ বাঘই ভারতে, আনুমানিক সংখ্যা ৩৬৮২। মধ্যপ্রদেশে ২০২২ সালে গণনা হয়েছিল ৭৮৫টি বাঘ, যার মধ্যে ২০২৫ সালে মারা যায় ৫৫টি—এটি রেকর্ড শুরুর পর সর্বোচ্চ মৃত্যু। বন্দহবগড়ে রয়েছে ১৩৪টি বাঘ।

সংখ্যা বাড়া অবশ্যই ইতিবাচক, তবে পর্যটকের ভিড় এবং বাঘ দেখানোর চাপও বেড়েছে। পন্না জাতীয় উদ্যানে সেই চাপ স্পষ্ট। ঝোপে হালকা কমলা রঙ দেখা যেতেই চারপাশে এত আওয়াজ হয় যে সহযাত্রী আকেশ উপারে ফিসফিস করে বলেন—“ওদিকে একটা নৌকা আছে, পাখি দেখতে যাবেন?”

Aerial view of the Oberoi Rajgarh Palace, a large resort complex on a forested hill overlooking a lake.

চারন গঙ্গা নদীতে নৌকায় ভেসে যেতে যেতে হঠাৎই সামনে দেখা মিলল তিনটি বাঘের—একটি, তারপর তার ভাইবোন, তারপর মা। প্রায় ২০ মিনিট ধরে তাদের খেলাধুলা আর জলে নামা দেখার সুযোগ মিলল। দেখতে যতই কোমল লাগুক, শক্তিতে তারা ভয়ংকর। বিশাল থাবা আর তীক্ষ্ণ নখ—একটি আঘাতই যথেষ্ট।

পরদিন বন্দহবগড়ে আরও বিস্ময় অপেক্ষা করছিল। বালির রাস্তার ওপর হঠাৎই বেরিয়ে এল পাঁচ সদস্যের একটি বাঘ পরিবার—তিনটি শাবক, একটি বড়টি, আর মা। আশপাশে লোকজন থাকলেও তারা নির্বিকার, একে একে রাস্তার ওপর শুয়ে পড়ল—ক্যামেরার ক্লিকের মাঝে যেন নির্লিপ্ত মডেল।

Interior of The Oberoi Rajgarh Palace dining room with crystal chandeliers and patterned floor.

মধ্যপ্রদেশে অধিকাংশ বিদেশি পর্যটক বাঘ দেখতে এলেও অঞ্চলটি ভারতের আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। এখানে রয়েছে সাঁচির বৌদ্ধ স্তূপ, ওমকারেশ্বরের মন্দির, উজ্জয়িনীর কুম্ভমেলা, ভোপালের বৃহৎ মসজিদ। রাজস্থানের মতো ভিড় নেই—এখনও অক্ষত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর।

এই সফরে বন্যপ্রাণী ও কম পরিচিত দুর্গ-প্রাসাদ ঘোরার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ব্যক্তিগত গাড়িতে করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘুরে দেখা—পুরনো ভারতের ইতিহাস আর সৌন্দর্যের সঙ্গে আধুনিক সুবিধার মেলবন্ধন।

দিল্লির ঝলমলে লীলা প্যালেস থেকে শুরু করে কুঞ্জ নামের হস্তশিল্প কেন্দ্র, হুমায়ুনের সমাধির নতুন জাদুঘর—সবই সংস্কৃতির সমাহার।

গ্বালিয়রে তাজ উষা কিরণ প্যালেস থেকে দেখা মধ্যযুগীয় দুর্গ, ল্যাপিস লাজুলি টাইলস, খোদাই করা ময়ূর, আর মহারাজার জাদুঘর—যেখানে রয়েছে শিকারের পালকি ও বিশাল ঝাড়বাতি।

The Library Bar at The Leela Palace New Delhi, featuring a bartender serving drinks and patrons relaxing on purple couches and armchairs.

ঝাঁসির শতম জীব আয়ুর্বেদিক রিট্রিটে সরলতা ও প্রশান্তি—মন্দিরে প্রার্থনা, বনের মধ্যে হাঁটা, আর আরামদায়ক ম্যাসাজ—ব্যস্ত জীবনের মাঝে বিরল অভিজ্ঞতা।

এরপর খাজুরাহোর নবম শতকের মন্দির, তারপর অরছা—নদীর ধারে ষোড়শ শতকের শহর, যেন এক জীবন্ত ঐতিহাসিক নাটকের সেট। সেদিন সেখানে সিনেমার শুটিং চলছিল। চারপাশে গম্বুজ, দুর্গ, গোলাপ বাগান—দৃশ্যটি স্বপ্নময়।

অবশেষে পৌঁছানো রাজগড় প্যালেসে—৩৫০ বছরের পুরোনো প্রাসাদ, সম্প্রতি হোটেলে রূপান্তরিত। ৭৬ একর জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত এই প্রাসাদটি যেন বলিউডের রোমান্টিক দৃশ্যের মতো। সন্ধ্যায় আলো ঝলমলে প্রাসাদ, হাতির সিঁড়ি, অলংকৃত প্রবেশদ্বার—সব মিলিয়ে রাজকীয় পরিবেশ।

Taj Usha Kiran Palace in Gwalior, India.

১৯৯৬ সালে যখন এটি লিজ নেওয়া হয়, তখন ছিল জরাজীর্ণ। সাত বছরের সংস্কারের পর নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করে। রয়েছে ১৭টি রাজকীয় স্যুট, ৪৮টি বাগানঘেরা কক্ষ।

মার্বেল মেঝে, ঝাড়বাতি, রুপালি মোজাইক, পারস্য কার্পেট—সব মিলিয়ে আধুনিক রাজপরিবারের জন্য তৈরি এক হোটেল। কর্মীরা রেশমি শাড়ি ও কুর্তা পরে অতিথি আপ্যায়নে ব্যস্ত। সুইমিং পুল থেকে দেখা যায় পন্না জাতীয় উদ্যান।

খাবারের ব্যবস্থাও রাজকীয়—ইতালিয়ান খাবার থেকে ভারতীয় রাজকীয় পদ, এমনকি ১২ পদবিশিষ্ট বিশেষ মেনুও রয়েছে।

দুই দিনে আটটি বাঘ দেখা—এই অভিজ্ঞতা বিরল। গাইডের কথায়—“আপনি অত্যন্ত ভাগ্যবান। এমন বাঘ দেখা আমার জীবনের সেরা।”

Luxury tent with deck at The Oberoi Vindhyavilas Wildlife Resort at sunset.

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে শত্রু করতে চান না: নোয়াব সভাপতি

মহারাজার মতো জীবন: ভারতের নতুন রাজপ্রাসাদে বিলাসবহুল থাকার অভিজ্ঞতা

০৬:২৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ভোর সাড়ে ছয়টা। হাঁটুর ওপর গরম পানির বোতল, পায়ে মোটা কম্বল—তবু মনে হচ্ছে পা দুটো যেন বরফ হয়ে আছে। বন্দহবগড় জাতীয় উদ্যানের গেটের ভেতরে সাফারি গাড়িতে বসে আছি, চারপাশে শাল গাছের ভেতর কুয়াশা ভাসছে, ভোরের সোনালি আলোয় পাখিরা ঠান্ডায় জড়োসড়ো। দৃশ্যটা যেন ‘জঙ্গল বুক’ নয়, বরং ‘ফ্রোজেন’-এর মতো।

হঠাৎই বনজুড়ে গর্জে উঠল এক গভীর ডাক, সঙ্গে বানরের চিৎকার আর পাখির ডানা ঝাপটানোর শব্দ। “বাঘ!”—হেসে উঠলেন গাইড সৌলিন চক্রবর্তী। মুহূর্তেই আমাদের মাহিন্দ্রা গাড়ি ছুটে চলল, আশপাশের আরও কয়েকটি গাড়িও দ্রুতগতিতে ধুলো উড়িয়ে এগিয়ে গেল—রক্তে তখন অ্যাড্রেনালিনের ঢেউ।

Three tiger cubs lying on a dirt path in a forest.

বাঘ ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং একই সঙ্গে সবচেয়ে বিপন্ন প্রাণী। সত্তরের দশকে শিকার ও চোরাশিকারের কারণে প্রায় বিলুপ্তির মুখে পড়ে যায় এরা। তখন পৃথিবীতে মাত্র দুই হাজার বেঙ্গল টাইগার ছিল বলে ধারণা করা হয়।

তবে ইন্দিরা গান্ধীর ‘প্রজেক্ট টাইগার’ এবং পর্যটন থেকে আসা অর্থ—এই দুইয়ের কারণে পরিস্থিতি বদলেছে। এখন বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ বাঘই ভারতে, আনুমানিক সংখ্যা ৩৬৮২। মধ্যপ্রদেশে ২০২২ সালে গণনা হয়েছিল ৭৮৫টি বাঘ, যার মধ্যে ২০২৫ সালে মারা যায় ৫৫টি—এটি রেকর্ড শুরুর পর সর্বোচ্চ মৃত্যু। বন্দহবগড়ে রয়েছে ১৩৪টি বাঘ।

সংখ্যা বাড়া অবশ্যই ইতিবাচক, তবে পর্যটকের ভিড় এবং বাঘ দেখানোর চাপও বেড়েছে। পন্না জাতীয় উদ্যানে সেই চাপ স্পষ্ট। ঝোপে হালকা কমলা রঙ দেখা যেতেই চারপাশে এত আওয়াজ হয় যে সহযাত্রী আকেশ উপারে ফিসফিস করে বলেন—“ওদিকে একটা নৌকা আছে, পাখি দেখতে যাবেন?”

Aerial view of the Oberoi Rajgarh Palace, a large resort complex on a forested hill overlooking a lake.

চারন গঙ্গা নদীতে নৌকায় ভেসে যেতে যেতে হঠাৎই সামনে দেখা মিলল তিনটি বাঘের—একটি, তারপর তার ভাইবোন, তারপর মা। প্রায় ২০ মিনিট ধরে তাদের খেলাধুলা আর জলে নামা দেখার সুযোগ মিলল। দেখতে যতই কোমল লাগুক, শক্তিতে তারা ভয়ংকর। বিশাল থাবা আর তীক্ষ্ণ নখ—একটি আঘাতই যথেষ্ট।

পরদিন বন্দহবগড়ে আরও বিস্ময় অপেক্ষা করছিল। বালির রাস্তার ওপর হঠাৎই বেরিয়ে এল পাঁচ সদস্যের একটি বাঘ পরিবার—তিনটি শাবক, একটি বড়টি, আর মা। আশপাশে লোকজন থাকলেও তারা নির্বিকার, একে একে রাস্তার ওপর শুয়ে পড়ল—ক্যামেরার ক্লিকের মাঝে যেন নির্লিপ্ত মডেল।

Interior of The Oberoi Rajgarh Palace dining room with crystal chandeliers and patterned floor.

মধ্যপ্রদেশে অধিকাংশ বিদেশি পর্যটক বাঘ দেখতে এলেও অঞ্চলটি ভারতের আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। এখানে রয়েছে সাঁচির বৌদ্ধ স্তূপ, ওমকারেশ্বরের মন্দির, উজ্জয়িনীর কুম্ভমেলা, ভোপালের বৃহৎ মসজিদ। রাজস্থানের মতো ভিড় নেই—এখনও অক্ষত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর।

এই সফরে বন্যপ্রাণী ও কম পরিচিত দুর্গ-প্রাসাদ ঘোরার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ব্যক্তিগত গাড়িতে করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘুরে দেখা—পুরনো ভারতের ইতিহাস আর সৌন্দর্যের সঙ্গে আধুনিক সুবিধার মেলবন্ধন।

দিল্লির ঝলমলে লীলা প্যালেস থেকে শুরু করে কুঞ্জ নামের হস্তশিল্প কেন্দ্র, হুমায়ুনের সমাধির নতুন জাদুঘর—সবই সংস্কৃতির সমাহার।

গ্বালিয়রে তাজ উষা কিরণ প্যালেস থেকে দেখা মধ্যযুগীয় দুর্গ, ল্যাপিস লাজুলি টাইলস, খোদাই করা ময়ূর, আর মহারাজার জাদুঘর—যেখানে রয়েছে শিকারের পালকি ও বিশাল ঝাড়বাতি।

The Library Bar at The Leela Palace New Delhi, featuring a bartender serving drinks and patrons relaxing on purple couches and armchairs.

ঝাঁসির শতম জীব আয়ুর্বেদিক রিট্রিটে সরলতা ও প্রশান্তি—মন্দিরে প্রার্থনা, বনের মধ্যে হাঁটা, আর আরামদায়ক ম্যাসাজ—ব্যস্ত জীবনের মাঝে বিরল অভিজ্ঞতা।

এরপর খাজুরাহোর নবম শতকের মন্দির, তারপর অরছা—নদীর ধারে ষোড়শ শতকের শহর, যেন এক জীবন্ত ঐতিহাসিক নাটকের সেট। সেদিন সেখানে সিনেমার শুটিং চলছিল। চারপাশে গম্বুজ, দুর্গ, গোলাপ বাগান—দৃশ্যটি স্বপ্নময়।

অবশেষে পৌঁছানো রাজগড় প্যালেসে—৩৫০ বছরের পুরোনো প্রাসাদ, সম্প্রতি হোটেলে রূপান্তরিত। ৭৬ একর জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত এই প্রাসাদটি যেন বলিউডের রোমান্টিক দৃশ্যের মতো। সন্ধ্যায় আলো ঝলমলে প্রাসাদ, হাতির সিঁড়ি, অলংকৃত প্রবেশদ্বার—সব মিলিয়ে রাজকীয় পরিবেশ।

Taj Usha Kiran Palace in Gwalior, India.

১৯৯৬ সালে যখন এটি লিজ নেওয়া হয়, তখন ছিল জরাজীর্ণ। সাত বছরের সংস্কারের পর নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করে। রয়েছে ১৭টি রাজকীয় স্যুট, ৪৮টি বাগানঘেরা কক্ষ।

মার্বেল মেঝে, ঝাড়বাতি, রুপালি মোজাইক, পারস্য কার্পেট—সব মিলিয়ে আধুনিক রাজপরিবারের জন্য তৈরি এক হোটেল। কর্মীরা রেশমি শাড়ি ও কুর্তা পরে অতিথি আপ্যায়নে ব্যস্ত। সুইমিং পুল থেকে দেখা যায় পন্না জাতীয় উদ্যান।

খাবারের ব্যবস্থাও রাজকীয়—ইতালিয়ান খাবার থেকে ভারতীয় রাজকীয় পদ, এমনকি ১২ পদবিশিষ্ট বিশেষ মেনুও রয়েছে।

দুই দিনে আটটি বাঘ দেখা—এই অভিজ্ঞতা বিরল। গাইডের কথায়—“আপনি অত্যন্ত ভাগ্যবান। এমন বাঘ দেখা আমার জীবনের সেরা।”

Luxury tent with deck at The Oberoi Vindhyavilas Wildlife Resort at sunset.