যুক্তরাষ্ট্রের হিসেবে ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় এক হাজার পাউন্ড — প্রায় ৪৫০ কেজি — উচ্চমাত্রায় পরিশোধিত ইউরেনিয়াম মজুত আছে, যা পারমাণবিক বোমা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এই তথ্য প্রকাশের ফলে চলমান শান্তি আলোচনায় পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের দাবি আরও জোরালো হয়েছে।
আলোচনার কেন্দ্রেই পারমাণবিক প্রশ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ বন্ধ করতে বলা হয়েছে, যা তেহরান প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানীয় সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ বলেছেন, “হুমকির ছায়ায় আলোচনা মেনে নেওয়া যায় না।” প্রথম দফা আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও দ্বিতীয় দফায় পারমাণবিক প্রসঙ্গই প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
বাংলাদেশের স্বার্থে এই তথ্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং পারমাণবিক উত্তেজনা বাড়লে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হবে, তার সরাসরি প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের এলপিজি, তেল এবং রেমিট্যান্স প্রবাহে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















