১০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র, পুরো উৎপাদন থেমে গেল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গঠনে বিএনপির সামনে কঠিন পরীক্ষা, বলছে ক্রাইসিস গ্রুপ ইসরায়েলি হামলায় নিহত লেবাননের সাংবাদিক আমাল খলিল, আহত জেইনাব ফারাজ বাংলাদেশের দ্রুত প্রবৃদ্ধিতে জ্বালানির চাহিদা বেড়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে: এডিবি বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করলেন মুস্তাফিজের পাঁচ উইকেট, শান্তর সেঞ্চুরি ঢাকায় পরীক্ষামূলক ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং চালুর সিদ্ধান্ত ইরানে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ: সর্বোচ্চ নেতার আড়ালে জেনারেলদের দখল লেবানন–ইসরায়েল আলোচনা: শান্তির পথ নাকি জাতীয় আদর্শের সঙ্গে আপস? তীব্র তাপপ্রবাহে ভিক্টোরিয়ার উড়ন্ত শিয়াল বিপর্যয়, শত শত নয় হাজারো প্রাণ বাঁচাল জরুরি অভিযান হরমুজ প্রণালীতে শক্তি প্রদর্শন নিয়ে ইরানের গর্ব

লেবানন–ইসরায়েল আলোচনা: শান্তির পথ নাকি জাতীয় আদর্শের সঙ্গে আপস?

লেবানন ও ইসরায়েল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। তবে এই সংলাপকে ঘিরে লেবাননের জনগণের মধ্যে তীব্র মতবিভাজন তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—দীর্ঘদিনের শত্রুর সঙ্গে আলোচনায় বসা কি রক্তপাত ঠেকানোর বাস্তবসম্মত পথ, নাকি এটি দেশের আদর্শ ও অবস্থানের সঙ্গে আপস?

জনমতের বিভক্তি

দেশটির ভেতরে এই আলোচনাকে ঘিরে দুই ধরনের মতামত স্পষ্ট। এক পক্ষ মনে করছে, ক্রমাগত সংঘাত ও সহিংসতা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সংলাপ ছাড়া বিকল্প নেই। অন্যদিকে, আরেকটি অংশ এটিকে জাতীয় স্বার্থ ও নীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের বিরোধী শক্তির সঙ্গে আলোচনায় বসা দেশের অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে।

ওয়াশিংটনের ভূমিকা ও যুদ্ধবিরতি

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের উদ্যোগে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের ফলেই ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার ফলে চলমান সংঘর্ষ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে।

হিজবুল্লাহ ও আঞ্চলিক রাজনীতি

হিজবুল্লাহকে ইরান-সমর্থিত একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অন্যতম প্রধান প্রভাবশালী শক্তি। লেবাননের সংঘাত থামানো গেলে তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায়ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সামনের পথ কতটা কঠিন

বর্তমান পরিস্থিতিতে সংলাপ শুরু হলেও স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। একদিকে শান্তির সম্ভাবনা, অন্যদিকে রাজনৈতিক ও আদর্শগত দ্বন্দ্ব—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া এখন লেবাননের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র, পুরো উৎপাদন থেমে গেল

লেবানন–ইসরায়েল আলোচনা: শান্তির পথ নাকি জাতীয় আদর্শের সঙ্গে আপস?

০৮:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

লেবানন ও ইসরায়েল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। তবে এই সংলাপকে ঘিরে লেবাননের জনগণের মধ্যে তীব্র মতবিভাজন তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—দীর্ঘদিনের শত্রুর সঙ্গে আলোচনায় বসা কি রক্তপাত ঠেকানোর বাস্তবসম্মত পথ, নাকি এটি দেশের আদর্শ ও অবস্থানের সঙ্গে আপস?

জনমতের বিভক্তি

দেশটির ভেতরে এই আলোচনাকে ঘিরে দুই ধরনের মতামত স্পষ্ট। এক পক্ষ মনে করছে, ক্রমাগত সংঘাত ও সহিংসতা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সংলাপ ছাড়া বিকল্প নেই। অন্যদিকে, আরেকটি অংশ এটিকে জাতীয় স্বার্থ ও নীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের বিরোধী শক্তির সঙ্গে আলোচনায় বসা দেশের অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে।

ওয়াশিংটনের ভূমিকা ও যুদ্ধবিরতি

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের উদ্যোগে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের ফলেই ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার ফলে চলমান সংঘর্ষ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে।

হিজবুল্লাহ ও আঞ্চলিক রাজনীতি

হিজবুল্লাহকে ইরান-সমর্থিত একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অন্যতম প্রধান প্রভাবশালী শক্তি। লেবাননের সংঘাত থামানো গেলে তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায়ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সামনের পথ কতটা কঠিন

বর্তমান পরিস্থিতিতে সংলাপ শুরু হলেও স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। একদিকে শান্তির সম্ভাবনা, অন্যদিকে রাজনৈতিক ও আদর্শগত দ্বন্দ্ব—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া এখন লেবাননের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।