০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
অস্থির বিশ্বের কূটনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু কেন হয়ে উঠছে চীন শিক্ষকদের আত্মত্যাগে নয়, ন্যায্য মর্যাদায় গড়ে ওঠে শিক্ষাব্যবস্থা প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকলেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা: এএফপিকে জানালেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অর্থনীতির নতুন বিপদ: বাণিজ্য নয়, ভারসাম্যহীনতার গভীর সংকট ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৫০; হাসপাতালে ভর্তি ১৪,৬৯০ আসামে বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৫, ক্ষতিগ্রস্ত ১১ লাখের বেশি মানুষ একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা এখন জরুরি প্রয়োজনে তুলতে পারবেন ১০ লাখ টাকা নেপালে বাঘের সংখ্যা বেড়ে ৪২৯, ২০১০ সালের তুলনায় প্রায় চার গুণ কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ: মিরাজ শেখকে উদ্ধারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল আসক ক্ষমতার অসুখ: নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় বিপদ অহংকার নয়, জবাবদিহির অভাব

লেবানন–ইসরায়েল আলোচনা: শান্তির পথ নাকি জাতীয় আদর্শের সঙ্গে আপস?

লেবানন ও ইসরায়েল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। তবে এই সংলাপকে ঘিরে লেবাননের জনগণের মধ্যে তীব্র মতবিভাজন তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—দীর্ঘদিনের শত্রুর সঙ্গে আলোচনায় বসা কি রক্তপাত ঠেকানোর বাস্তবসম্মত পথ, নাকি এটি দেশের আদর্শ ও অবস্থানের সঙ্গে আপস?

জনমতের বিভক্তি

দেশটির ভেতরে এই আলোচনাকে ঘিরে দুই ধরনের মতামত স্পষ্ট। এক পক্ষ মনে করছে, ক্রমাগত সংঘাত ও সহিংসতা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সংলাপ ছাড়া বিকল্প নেই। অন্যদিকে, আরেকটি অংশ এটিকে জাতীয় স্বার্থ ও নীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের বিরোধী শক্তির সঙ্গে আলোচনায় বসা দেশের অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে।

ওয়াশিংটনের ভূমিকা ও যুদ্ধবিরতি

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের উদ্যোগে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের ফলেই ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার ফলে চলমান সংঘর্ষ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে।

হিজবুল্লাহ ও আঞ্চলিক রাজনীতি

হিজবুল্লাহকে ইরান-সমর্থিত একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অন্যতম প্রধান প্রভাবশালী শক্তি। লেবাননের সংঘাত থামানো গেলে তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায়ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সামনের পথ কতটা কঠিন

বর্তমান পরিস্থিতিতে সংলাপ শুরু হলেও স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। একদিকে শান্তির সম্ভাবনা, অন্যদিকে রাজনৈতিক ও আদর্শগত দ্বন্দ্ব—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া এখন লেবাননের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্থির বিশ্বের কূটনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু কেন হয়ে উঠছে চীন

লেবানন–ইসরায়েল আলোচনা: শান্তির পথ নাকি জাতীয় আদর্শের সঙ্গে আপস?

০৮:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

লেবানন ও ইসরায়েল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। তবে এই সংলাপকে ঘিরে লেবাননের জনগণের মধ্যে তীব্র মতবিভাজন তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—দীর্ঘদিনের শত্রুর সঙ্গে আলোচনায় বসা কি রক্তপাত ঠেকানোর বাস্তবসম্মত পথ, নাকি এটি দেশের আদর্শ ও অবস্থানের সঙ্গে আপস?

জনমতের বিভক্তি

দেশটির ভেতরে এই আলোচনাকে ঘিরে দুই ধরনের মতামত স্পষ্ট। এক পক্ষ মনে করছে, ক্রমাগত সংঘাত ও সহিংসতা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সংলাপ ছাড়া বিকল্প নেই। অন্যদিকে, আরেকটি অংশ এটিকে জাতীয় স্বার্থ ও নীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের বিরোধী শক্তির সঙ্গে আলোচনায় বসা দেশের অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে।

ওয়াশিংটনের ভূমিকা ও যুদ্ধবিরতি

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের উদ্যোগে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের ফলেই ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার ফলে চলমান সংঘর্ষ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে।

হিজবুল্লাহ ও আঞ্চলিক রাজনীতি

হিজবুল্লাহকে ইরান-সমর্থিত একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অন্যতম প্রধান প্রভাবশালী শক্তি। লেবাননের সংঘাত থামানো গেলে তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায়ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সামনের পথ কতটা কঠিন

বর্তমান পরিস্থিতিতে সংলাপ শুরু হলেও স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। একদিকে শান্তির সম্ভাবনা, অন্যদিকে রাজনৈতিক ও আদর্শগত দ্বন্দ্ব—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া এখন লেবাননের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।