০২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পুরুষদের হাতের লেখা কেন তুলনামূলক খারাপ? নতুন গবেষণায় উঠে এলো চমকপ্রদ কারণ অ্যানজ্যাক ডেতে একাই হাজির কেট মিডলটন, নজর কাড়ল বিরল রাজকীয় গয়নার গল্প দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা আবার দেখলে নতুন কী ধরা পড়ে সেজ সবুজে বসন্তের নরম ছোঁয়া, ফ্যাশনে নতুন ভারসাম্যের গল্প                 ব্রিজেট জোন্সের আগের রেনি জেলওয়েগার: পুরনো ছবিতে ফিরে দেখা তার শুরুর দিনগুলো জোই ক্রাভিটজের আঙুলে রহস্যময় আংটি, হ্যারি স্টাইলসকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে বিশ্বকাপের আগে উত্তর আমেরিকায় টানাপোড়েন: একসঙ্গে আয়োজন, কিন্তু সম্পর্কের ভাঙন আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদে ভাটা: গণভোটের আগে বাড়ছে অনিশ্চয়তা পেরুর নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা: ভোটের উৎসব থেকে অনিশ্চয়তার গভীর সংকট সুদানে যুদ্ধের মাঝেই আরএসএফের উত্থান, সামরিক শক্তি থেকে গড়ে উঠছে অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে চাপ, তেল কেনা বন্ধ করেও কেন অস্বস্তি—আরএসএস নেতা রাম মাধবের প্রশ্ন

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বর্তমান টানাপোড়েন নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন আরএসএস নেতা ও বিজেপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের নানা শর্ত মেনে নেওয়ার পরও কেন এই অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ওয়াশিংটনে এক আলোচনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ভারত যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদা অনুযায়ী ইরান ও রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের কারণে দেশের ভেতরে বিরোধীদের তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে সরকারকে। তবু সেই ছাড় দেওয়ার পরও সম্পর্কের এই চাপ কেন তৈরি হলো, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

শুল্ক ইস্যুতেও ছাড়
রাম মাধব আরও উল্লেখ করেন, শুল্ক নীতিতেও ভারত যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে এগিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এক পর্যায়ে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপে সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। এমনকি নতুন বাণিজ্য চুক্তিতেও ১৮ শতাংশ শুল্কে রাজি হয়েছে ভারত। এসব সিদ্ধান্তের পরও দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তা তার কাছে বিস্ময়ের।

প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্বেগ
ওয়াশিংটনের হাডসন ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনায় প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বিশেষ করে কিছু মন্তব্য—যেমন ‘হেল হোল’ বা ‘ল্যাপটপ হাতে প্রতারক’—নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে জানান মাধব। এসব মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

What I said was wrong': Ram Madhav clarifies on 'stopping Russian oil  imports' remark| India News

‘সাময়িক সমস্যা’ বলেই দেখছেন না
তবে এই পরিস্থিতিকে পুরোপুরি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার লক্ষণ হিসেবে দেখতে চান না রাম মাধব। তিনি বলেন, কেউ কেউ এটিকে সাময়িক সমস্যা বলতে পারেন, কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে চার বছর সময়কে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। দীর্ঘ সময় ধরে এমন অস্বস্তি চললে তার প্রভাব গভীর হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

সামগ্রিকভাবে তার বক্তব্যে উঠে আসে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে ভারত যে নানা ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে, তার পরও বর্তমান টানাপোড়েন ব্যাখ্যা করা কঠিন। এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমন্বয় আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিতও পাওয়া যায়।

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে চাপ বাড়লেও, তা সামাল দেওয়ার জন্য উভয় পক্ষের আরও সতর্ক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ প্রয়োজন—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন আরএসএসের এই শীর্ষ নেতা।

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন, তেল কেনা ও শুল্ক ছাড় নিয়েও কেন অস্বস্তি তৈরি—এ নিয়ে আরএসএস নেতা রাম মাধবের বক্তব্য সামনে এসেছে।

পুরুষদের হাতের লেখা কেন তুলনামূলক খারাপ? নতুন গবেষণায় উঠে এলো চমকপ্রদ কারণ

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে চাপ, তেল কেনা বন্ধ করেও কেন অস্বস্তি—আরএসএস নেতা রাম মাধবের প্রশ্ন

০৭:১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বর্তমান টানাপোড়েন নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন আরএসএস নেতা ও বিজেপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের নানা শর্ত মেনে নেওয়ার পরও কেন এই অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ওয়াশিংটনে এক আলোচনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ভারত যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদা অনুযায়ী ইরান ও রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের কারণে দেশের ভেতরে বিরোধীদের তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে সরকারকে। তবু সেই ছাড় দেওয়ার পরও সম্পর্কের এই চাপ কেন তৈরি হলো, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

শুল্ক ইস্যুতেও ছাড়
রাম মাধব আরও উল্লেখ করেন, শুল্ক নীতিতেও ভারত যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে এগিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এক পর্যায়ে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপে সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। এমনকি নতুন বাণিজ্য চুক্তিতেও ১৮ শতাংশ শুল্কে রাজি হয়েছে ভারত। এসব সিদ্ধান্তের পরও দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তা তার কাছে বিস্ময়ের।

প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্বেগ
ওয়াশিংটনের হাডসন ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনায় প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বিশেষ করে কিছু মন্তব্য—যেমন ‘হেল হোল’ বা ‘ল্যাপটপ হাতে প্রতারক’—নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে জানান মাধব। এসব মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

What I said was wrong': Ram Madhav clarifies on 'stopping Russian oil  imports' remark| India News

‘সাময়িক সমস্যা’ বলেই দেখছেন না
তবে এই পরিস্থিতিকে পুরোপুরি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার লক্ষণ হিসেবে দেখতে চান না রাম মাধব। তিনি বলেন, কেউ কেউ এটিকে সাময়িক সমস্যা বলতে পারেন, কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে চার বছর সময়কে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। দীর্ঘ সময় ধরে এমন অস্বস্তি চললে তার প্রভাব গভীর হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

সামগ্রিকভাবে তার বক্তব্যে উঠে আসে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে ভারত যে নানা ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে, তার পরও বর্তমান টানাপোড়েন ব্যাখ্যা করা কঠিন। এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমন্বয় আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিতও পাওয়া যায়।

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে চাপ বাড়লেও, তা সামাল দেওয়ার জন্য উভয় পক্ষের আরও সতর্ক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ প্রয়োজন—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন আরএসএসের এই শীর্ষ নেতা।

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন, তেল কেনা ও শুল্ক ছাড় নিয়েও কেন অস্বস্তি তৈরি—এ নিয়ে আরএসএস নেতা রাম মাধবের বক্তব্য সামনে এসেছে।