ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নতুন করে সামনে এসেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুদ্ধ চলাকালীন এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখতে চায় তেহরান। এই অবস্থান মার্কিন প্রশাসনের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
কেন অসন্তুষ্ট ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট—পারমাণবিক ইস্যুই মূল এবং আলোচনার শুরুতেই এ বিষয়টির সমাধান চায় ওয়াশিংটন। সেই জায়গায় ইরানের প্রস্তাব সরাসরি বিপরীত হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতে অসন্তুষ্ট বলে জানা গেছে। প্রশাসনের ভেতরের আলোচনায়ও এ নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
![]()
হোয়াইট হাউসের কড়া বার্তা
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, তারা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে কোনো আলোচনা এগিয়ে নিতে চায় না। একই সঙ্গে নিজেদের সীমারেখা নিয়েও তারা স্পষ্ট অবস্থানে রয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, ইরানের প্রস্তাব সহজে গ্রহণ করার সম্ভাবনা কম।
শান্তি প্রচেষ্টায় নতুন অনিশ্চয়তা
এই পরিস্থিতিতে শান্তি প্রচেষ্টা আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি কূটনৈতিক সফর বাতিল করা হয়েছে, যা আলোচনার গতি কমিয়ে দিয়েছে। পরিকল্পিত এই সফরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সম্ভাবনা ছিল বলে মনে করা হচ্ছিল।

কূটনৈতিক তৎপরতায় ইরান
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সম্প্রতি ইসলামাবাদ সফর করেন এবং একাধিক বৈঠকে অংশ নেন। পাশাপাশি তিনি ওমান ও রাশিয়াও সফর করেন। মস্কোতে গিয়ে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চালান।
সমীকরণ কোন দিকে
সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখন জটিল হয়ে উঠেছে। একদিকে ইরান তার অবস্থানে অনড়, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার পথ আরও কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দ্রুত সমাধান না হলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















