০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
অর্থমন্ত্রী সতর্কবার্তা: সামনে দুই বছর কঠিন—অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে কষ্টের সিদ্ধান্ত জরুরি মঞ্চে ঝড় তোলেন, তবু বুকের ভেতর কাঁপন—জুডি লাভের অজানা লড়াই মনোরোগ বিশেষজ্ঞ থেকে রহস্যকাহিনি লেখক: নতুন উপন্যাসে চমক দিলেন ফিলিপা পেরি সকালে কমে, বিকেলে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম নাটক থেকেই শুরু, এখন ওয়েবটুন-উপন্যাসে বিস্তার—বিনোদন জগতে নতুন ধারা জুলাই চেতনাকে পুঁজি করে ‘রাজনৈতিক ব্যবসা’ বরদাশত হবে না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি বিসিবি নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু, ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা অন্ধকার থেকে আলো—ব্যক্তিগত সংগ্রামকে হাসিতে বদলে নতুন মঞ্চে অ্যাঞ্জেলা ড্রাভিড ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন কৌশল গড়ছে উত্তর কোরিয়া, সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র এখন চীনের প্রযুক্তি কৌশলই অনুসরণ করছে

মে দিবসে শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতের দাবি জি এম কাদেরের

মহান মে দিবস উপলক্ষে দেশ ও বিদেশের শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা ও সংহতি জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হচ্ছে শ্রমিক শ্রেণি। সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, তিনি বলেন শিল্পায়ন, কৃষি উৎপাদন, গার্মেন্টস, নির্মাণ, পরিবহন ও প্রবাস আয়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অবদানই দেশের অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি করেছে।

শ্রমিকদের ঘাম ও পরিশ্রমেই অর্থনীতির চাকা সচল থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু প্রয়োজনই নয়, বরং টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য শর্ত।

বর্তমান সংকটের চিত্র
বক্তব্যে তিনি তুলে ধরেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষ বর্তমানে নানা সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। উচ্চ দ্রব্যমূল্য, বাসস্থান সমস্যা এবং চিকিৎসা ব্যয়ের চাপে তাদের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন না এবং সময়মতো বেতন-ভাতাও নিশ্চিত হচ্ছে না।

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের দুরবস্থার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। চাকরি হারিয়ে এসব শ্রমিক পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তা ও কষ্টে জীবনযাপন করছেন বলেও জানান।

নিরাপত্তা ও বৈষম্যের প্রশ্ন
কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা একটি বড় উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরেন জি এম কাদের। তিনি বলেন, অনেক জায়গায় এখনও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হয়নি, যা শ্রমিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করছে। পাশাপাশি নারী শ্রমিকদের প্রতি বৈষম্য ও নিরাপত্তার অভাব দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

প্রধান দাবিগুলো
শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যায্য ও সম্মানজনক মজুরি নির্ধারণের ওপর জোর দেন। বন্ধ মিল-কারখানা দ্রুত চালু করে শ্রমিকদের পুনর্বাসনের কথাও বলেন।

এছাড়া কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও দুর্ঘটনা বিমা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান। নারী শ্রমিকদের জন্য নিরাপত্তা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও সমমজুরি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনা এবং শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টিও তার বক্তব্যে উঠে আসে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আহ্বান
১৮৮৬ সালের মে মাসের শ্রমিক আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, এই ইতিহাস আমাদের অধিকার আদায়ের শিক্ষা দেয়। তিনি শ্রমিক, মালিক ও রাষ্ট্রের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

শেষে তিনি দেশের সকল শ্রমজীবী মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

মে দিবসে শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন জি এম কাদের, তুলে ধরেছেন শ্রমজীবী মানুষের সংকট ও করণীয়।

অর্থমন্ত্রী সতর্কবার্তা: সামনে দুই বছর কঠিন—অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে কষ্টের সিদ্ধান্ত জরুরি

মে দিবসে শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতের দাবি জি এম কাদেরের

০৭:৫১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মহান মে দিবস উপলক্ষে দেশ ও বিদেশের শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা ও সংহতি জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হচ্ছে শ্রমিক শ্রেণি। সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, তিনি বলেন শিল্পায়ন, কৃষি উৎপাদন, গার্মেন্টস, নির্মাণ, পরিবহন ও প্রবাস আয়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অবদানই দেশের অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি করেছে।

শ্রমিকদের ঘাম ও পরিশ্রমেই অর্থনীতির চাকা সচল থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু প্রয়োজনই নয়, বরং টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য শর্ত।

বর্তমান সংকটের চিত্র
বক্তব্যে তিনি তুলে ধরেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষ বর্তমানে নানা সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। উচ্চ দ্রব্যমূল্য, বাসস্থান সমস্যা এবং চিকিৎসা ব্যয়ের চাপে তাদের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন না এবং সময়মতো বেতন-ভাতাও নিশ্চিত হচ্ছে না।

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের দুরবস্থার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। চাকরি হারিয়ে এসব শ্রমিক পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তা ও কষ্টে জীবনযাপন করছেন বলেও জানান।

নিরাপত্তা ও বৈষম্যের প্রশ্ন
কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা একটি বড় উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরেন জি এম কাদের। তিনি বলেন, অনেক জায়গায় এখনও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হয়নি, যা শ্রমিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করছে। পাশাপাশি নারী শ্রমিকদের প্রতি বৈষম্য ও নিরাপত্তার অভাব দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

প্রধান দাবিগুলো
শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যায্য ও সম্মানজনক মজুরি নির্ধারণের ওপর জোর দেন। বন্ধ মিল-কারখানা দ্রুত চালু করে শ্রমিকদের পুনর্বাসনের কথাও বলেন।

এছাড়া কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও দুর্ঘটনা বিমা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান। নারী শ্রমিকদের জন্য নিরাপত্তা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও সমমজুরি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনা এবং শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টিও তার বক্তব্যে উঠে আসে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আহ্বান
১৮৮৬ সালের মে মাসের শ্রমিক আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, এই ইতিহাস আমাদের অধিকার আদায়ের শিক্ষা দেয়। তিনি শ্রমিক, মালিক ও রাষ্ট্রের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

শেষে তিনি দেশের সকল শ্রমজীবী মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

মে দিবসে শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন জি এম কাদের, তুলে ধরেছেন শ্রমজীবী মানুষের সংকট ও করণীয়।