মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সাথে একটি চুক্তি “অত্যন্ত সম্ভব” তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে তিনি নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করতে দ্বিধা করবেন না। একই সাথে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, “অপারেশন এপিক ফিউরি” আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে এবং এখন কূটনীতিই মূল হাতিয়ার। তবে ইরানের কট্টরপন্থি নেতারা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের শর্তকে “আত্মসমর্পণ দাবি” বলে প্রত্যাখ্যান করছেন।

আলোচনার অন্দরে কী চলছে
সিএনএনের সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প মধ্যপন্থী ইরানি নেতাদের আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু কঠিন শর্ত নরম করছেন। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে ইরান তার মজুত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মার্কিন ভূখণ্ডে পাঠিয়ে দিক, কিন্তু এই দাবিই সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীরা উভয় পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রেখেছেন।
আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতার যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বেইজিংয়ে বৈঠক করেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় “বৃহত্তর ভূমিকা” পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ট্রাম্পের চীন সফর আসন্ন হওয়ায় কূটনৈতিক তৎপরতা আরও বেড়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















