০৯:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
ডিমের বাজারে অস্থিরতা, এক মাসে ডজনে বেড়েছে ৪০ টাকা ইরানের সঙ্গে আমেরিকার দ্বন্দ্ব: শক্তির সীমা নাকি কৌশলের ব্যর্থতা? কদমতলীর সাদ্দাম মার্কেটে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট সাত সন্তান একসঙ্গে জন্ম, কিন্তু বাঁচল না কেউ: নড়াইলে শোকের ছায়া তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের দৌড়ে বিজয়, গভর্নরের কাছে ১১৮ বিধায়কের সমর্থনের দাবি মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, বর্ষায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা হরমুজ সংকটে ভারতের এলপিজি আমদানি অর্ধেকে, সরবরাহ সংকট দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা এআই কি মানবসভ্যতার জন্য নতুন হুমকি? মো গাওদাতের সতর্কবার্তায় গভীর উদ্বেগ আইপিএলে ব্যাটারদের দাপট, বোলারদের জন্য নিয়ম বদলের আহ্বান গাভাস্কারের অ্যামাজনের ৩ কোটি ডলারের কার্বন চুক্তি: ভারতের ধানচাষে নতুন সম্ভাবনা নাকি ‘গ্রিনওয়াশ’ বিতর্ক?

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মাদকবিরোধী সমঝোতা, তথ্য বিনিময় ও যৌথ অভিযানে জোর

মাদক পাচার ও মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে। শুক্রবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের পক্ষে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি চুক্তিতে সই করেন। এই সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশ মাদক পাচার প্রতিরোধ, তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

তথ্য বিনিময় ও গোয়েন্দা সহযোগিতা

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান মাদক পাচারকারী, মাদক চক্র, নতুন পাচারপথ এবং পাচারের নতুন কৌশল সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য বিনিময় করবে। পাশাপাশি সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধী সংগঠন সম্পর্কেও গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।

দুই দেশই মাদক পাচার ও সংশ্লিষ্ট অর্থপাচার ঠেকাতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রয়োজনে সমন্বিত গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা

সমঝোতা স্মারকে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া মাদক প্রতিরোধ ও আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ের বিষয়েও দুই দেশ সম্মত হয়েছে।

প্রযুক্তিগত সহযোগিতার আওতায় গোপনে লুকিয়ে রাখা মাদক শনাক্তে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি এবং স্নিফার কুকুর ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা হবে। এতে মাদক শনাক্ত ও প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

দুই সংস্থা থাকবে ফোকাল পয়েন্ট

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের অ্যান্টি নারকোটিকস ফোর্স নিয়মিত ও কার্যক্রমভিত্তিক তথ্য বিনিময়ের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

দুই দেশই তথ্য ও নথিপত্রের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে একমত হয়েছে। পারস্পরিক সম্মতি ছাড়া কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছে এসব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলেও চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

১০ বছরের জন্য কার্যকর

সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পরবর্তীতে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে এর মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয়ই আশা প্রকাশ করেছে, এই সহযোগিতার মাধ্যমে মাদক পাচার ও অপব্যবহার মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে এবং দুই দেশের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা আরও সুরক্ষিত হবে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান মাদকবিরোধী সমঝোতা

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার ঠেকাতে ১০ বছরের সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। তথ্য বিনিময় ও যৌথ অভিযানে গুরুত্ব দিয়েছে দুই দেশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিমের বাজারে অস্থিরতা, এক মাসে ডজনে বেড়েছে ৪০ টাকা

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মাদকবিরোধী সমঝোতা, তথ্য বিনিময় ও যৌথ অভিযানে জোর

০৮:১৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

মাদক পাচার ও মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে। শুক্রবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের পক্ষে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি চুক্তিতে সই করেন। এই সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশ মাদক পাচার প্রতিরোধ, তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

তথ্য বিনিময় ও গোয়েন্দা সহযোগিতা

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান মাদক পাচারকারী, মাদক চক্র, নতুন পাচারপথ এবং পাচারের নতুন কৌশল সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য বিনিময় করবে। পাশাপাশি সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধী সংগঠন সম্পর্কেও গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।

দুই দেশই মাদক পাচার ও সংশ্লিষ্ট অর্থপাচার ঠেকাতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রয়োজনে সমন্বিত গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা

সমঝোতা স্মারকে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া মাদক প্রতিরোধ ও আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ের বিষয়েও দুই দেশ সম্মত হয়েছে।

প্রযুক্তিগত সহযোগিতার আওতায় গোপনে লুকিয়ে রাখা মাদক শনাক্তে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি এবং স্নিফার কুকুর ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা হবে। এতে মাদক শনাক্ত ও প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

দুই সংস্থা থাকবে ফোকাল পয়েন্ট

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের অ্যান্টি নারকোটিকস ফোর্স নিয়মিত ও কার্যক্রমভিত্তিক তথ্য বিনিময়ের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

দুই দেশই তথ্য ও নথিপত্রের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে একমত হয়েছে। পারস্পরিক সম্মতি ছাড়া কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছে এসব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলেও চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

১০ বছরের জন্য কার্যকর

সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পরবর্তীতে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে এর মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয়ই আশা প্রকাশ করেছে, এই সহযোগিতার মাধ্যমে মাদক পাচার ও অপব্যবহার মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে এবং দুই দেশের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা আরও সুরক্ষিত হবে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান মাদকবিরোধী সমঝোতা

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার ঠেকাতে ১০ বছরের সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। তথ্য বিনিময় ও যৌথ অভিযানে গুরুত্ব দিয়েছে দুই দেশ।